বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মনোনয়ন না পাওয়া ইস্যুতে ব্যাখ্যা দিলেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি জানান, দল প্রস্তাব দিলেও নিজেই মনোনয়নের ব্যাপারে না করে দিয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি উল্লেখ করেন, দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন সংরক্ষিত আসন […]

মনোনয়ন না পাওয়া ইস্যুতে ব্যাখ্যা দিলেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী

মনোনয়ন না পাওয়া ইস্যুতে ব্যাখ্যা দিলেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০২

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তিনি জানান, দল প্রস্তাব দিলেও নিজেই মনোনয়নের ব্যাপারে না করে দিয়েছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি উল্লেখ করেন, দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচন করবেন না।

বিবৃতি হিসেবে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেন,

আমি আফরোজা আব্বাস , মির্জা আব্বাসের স্ত্রী— এটাই আমার পরিচয়। সাম্প্রতিক নির্বাচন ও বিভিন্ন প্রচারিত তথ্যের প্রেক্ষাপটে সবার উদ্দেশ্যে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই।

প্রথমেই জানাতে চাই, আমি কখনোই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইনি। তবে আমাকে এই প্রস্তাব দেওয়ার জন্য দলের মহাসচিবের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে, আমার নাম জড়িয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এ ধরনের তথ্য আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ইমেজ ক্ষুণ্ন করছে, যা অনভিপ্রেত।

এই সময়টি আমার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য অত্যন্ত কঠিন। আমার প্রিয় স্বামী, মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার কারণে আমি গভীর মানসিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই বাস্তবতায় আমার বর্তমান ও একমাত্র অগ্রাধিকার তার সুস্থতা নিশ্চিত করা।

আমি আন্তরিকভাবে কামনা করি—যারা এই নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছেন, তারা যেন সফল হন এবং নারীর মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। যারা সাহস করে সামনে এসেছেন, তারা পরিবর্তনের প্রতীক। আর যারা নির্বাচিত হননি, তাদের প্রতি অনুরোধ—হতাশ হবেন না; আপনাদের সময় সামনে অপেক্ষা করছে।

যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের অগাধ প্রত্যাশা রইল। মনে রাখতে হবে, আপনাদের প্রতিটি পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে হাজারো কিশোরী—তাদের নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বপ্ন এখন আপনাদের নীরব দায়িত্ব।

দলমত ও বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশের প্রতিটি নারীর জন্য সমান অধিকার, ন্যায়বিচার এবং ভয়হীন জীবনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

আজ আমার ব্যক্তিগত কষ্ট আছে, কিন্তু সেই কষ্টের মধ্য দিয়েই আমি বিশ্বাস করি—নারীর শক্তি কখনো থামে না, থামানো যায় না।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত ৩৬ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে দলটি। যেখানে আলোচনায় থাকার পরও ঠাঁই হয়নি অনেক হেভিওয়েট নামের। মনোনয়নবঞ্চিতদের মধ্যে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন– সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, আফরোজা আব্বাস, কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, মেঘনা আলম এবং ফারজানা সিঁথিসহ অনেকে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬