রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে স্মারকলিপি

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:১০

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ থেকে নাসির উদ্দিন নাসির ও মোহাম্মদ মিনহাজ মন্ডলের তত্ত্বাবধানে গতকাল কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের দূতালায় প্রধানের নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু নিয়ে এখনো জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়ে গেছে। এ রহস্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

এদিকে, ৮ দফা দাবির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আস্থাভাজনের করা দুর্নীতি মামলার কারিগর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহার করে শাস্তির

আওতায় আনা, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার পদক্ষেপ, দুর্নীতিবাজ ও বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার নিকট অর্থের বিনিময় রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারকারী, অদক্ষ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আওয়ামী দোসর কূটনৈতিকদের (হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম, ডেপুটি হাইকমিশনার

মোসাম্মত শাহানারা মনিকা, শ্রম বিভাগের প্রথম সচীব সৈয়দ শরীফুল ইসলাম)সহ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের হাইকমিশন থেকে প্রত্যাহার, শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট ও দালালমুক্ত করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রিক্রটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া, মালয়েশিয়ায় নারী ও মানব পাচাররোধে কঠোর ব্যবস্থা ও

জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা, জেলখানা আটক প্রবাসী বাংলাদেশীদের মানবিক বিবেচনায় দেশে ফেরতের ব্যবস্থা করা, মালয়েশিয়ান সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অবৈধদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি করাসহ ৮দফা দাবি স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিনহাজ্ব মন্ডল, মোঃ রাজু ইমন আলী হানিফ, মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান, মোঃ আজিম হোসেন , মোঃ তনু সর্দার, মোঃ খোকন মিয়া , মোঃ সোহেল খন্দকার, মোঃ আব্দুর রহিম , মোঃ শামিম উল্লাহসহ অনেকে।

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুন ২০২৬, ২২:৩৬

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

তুরিন আফরোজের ভাই বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। এ ছাড়া তিনি প্রভাব খাটিয়ে বাদীর মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, তুরিন আফরোজ বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যার ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে বাদীর মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।