বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে স্মারকলিপি

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:১০

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ থেকে নাসির উদ্দিন নাসির ও মোহাম্মদ মিনহাজ মন্ডলের তত্ত্বাবধানে গতকাল কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের দূতালায় প্রধানের নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু নিয়ে এখনো জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়ে গেছে। এ রহস্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

এদিকে, ৮ দফা দাবির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আস্থাভাজনের করা দুর্নীতি মামলার কারিগর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহার করে শাস্তির

আওতায় আনা, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার পদক্ষেপ, দুর্নীতিবাজ ও বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার নিকট অর্থের বিনিময় রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারকারী, অদক্ষ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আওয়ামী দোসর কূটনৈতিকদের (হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম, ডেপুটি হাইকমিশনার

মোসাম্মত শাহানারা মনিকা, শ্রম বিভাগের প্রথম সচীব সৈয়দ শরীফুল ইসলাম)সহ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের হাইকমিশন থেকে প্রত্যাহার, শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট ও দালালমুক্ত করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রিক্রটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া, মালয়েশিয়ায় নারী ও মানব পাচাররোধে কঠোর ব্যবস্থা ও

জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা, জেলখানা আটক প্রবাসী বাংলাদেশীদের মানবিক বিবেচনায় দেশে ফেরতের ব্যবস্থা করা, মালয়েশিয়ান সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অবৈধদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি করাসহ ৮দফা দাবি স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিনহাজ্ব মন্ডল, মোঃ রাজু ইমন আলী হানিফ, মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান, মোঃ আজিম হোসেন , মোঃ তনু সর্দার, মোঃ খোকন মিয়া , মোঃ সোহেল খন্দকার, মোঃ আব্দুর রহিম , মোঃ শামিম উল্লাহসহ অনেকে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

৩ আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেন-এর নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। তবে আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।

আইন-আদালত

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী […]

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।

আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন। ওই মামলায় খালেদা জিয়া কারাদণ্ড পান।

একটি সূত্র জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাজুল ইসলামকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। রোববার চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে তাজুল ইসলামকে জানানো হয় নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা।