বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে স্মারকলিপি

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:১০

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ থেকে নাসির উদ্দিন নাসির ও মোহাম্মদ মিনহাজ মন্ডলের তত্ত্বাবধানে গতকাল কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের দূতালায় প্রধানের নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু নিয়ে এখনো জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়ে গেছে। এ রহস্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

এদিকে, ৮ দফা দাবির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আস্থাভাজনের করা দুর্নীতি মামলার কারিগর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহার করে শাস্তির

আওতায় আনা, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার পদক্ষেপ, দুর্নীতিবাজ ও বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার নিকট অর্থের বিনিময় রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারকারী, অদক্ষ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আওয়ামী দোসর কূটনৈতিকদের (হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম, ডেপুটি হাইকমিশনার

মোসাম্মত শাহানারা মনিকা, শ্রম বিভাগের প্রথম সচীব সৈয়দ শরীফুল ইসলাম)সহ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের হাইকমিশন থেকে প্রত্যাহার, শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট ও দালালমুক্ত করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রিক্রটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া, মালয়েশিয়ায় নারী ও মানব পাচাররোধে কঠোর ব্যবস্থা ও

জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা, জেলখানা আটক প্রবাসী বাংলাদেশীদের মানবিক বিবেচনায় দেশে ফেরতের ব্যবস্থা করা, মালয়েশিয়ান সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অবৈধদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি করাসহ ৮দফা দাবি স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিনহাজ্ব মন্ডল, মোঃ রাজু ইমন আলী হানিফ, মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান, মোঃ আজিম হোসেন , মোঃ তনু সর্দার, মোঃ খোকন মিয়া , মোঃ সোহেল খন্দকার, মোঃ আব্দুর রহিম , মোঃ শামিম উল্লাহসহ অনেকে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ : আইনমন্ত্রী

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পর ‘আপাতত’ ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫:০২

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পর ‘আপাতত’ ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে।

এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।’

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকার সরাসরি বাতিলের পথে না হেঁটে একটি নিয়মতান্ত্রিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘১৩৩টি আইনের ওপর আমাদের বিশেষ কমিটির বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, কোনো আইনই চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে না। আমরা এগুলোকে আরও যাচাই-বাছাই করে, স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে ফ্রেশ (নতুন) বিল আকারে পার্লামেন্টে আনব।’

আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিলের সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতির বিষয়টিও মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে উঠে আসে। আইনগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আগামী ২ তারিখের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনি কাঠামোর ধাপগুলো তিনি তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই আইনগুলোকে বিল আকারে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আইন মন্ত্রণালয় সেটি ভেটিং করার পর আমরা পার্লামেন্টে তুলব। এরপর পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।’

যেসব বিল শেষ পর্যন্ত সংসদ অনুমোদন করবে না, সেগুলোর আইনি পরিণতি কী হবে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, “যেগুলো আমরা পাস করব না, সেগুলো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে যাবে।” তবে ঠিক কয়টি আইন বা বিল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত কতগুলো বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী।

বিদ্যমান বিতর্কিত আইনগুলোর মধ্যে ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ এবং নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘পুলিশ কমিশন’ গঠনের বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক বা সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি ও কাঠামোগত এই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য ও দিকনির্দেশনা থাকবে।

আইন-আদালত

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’