শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

ঈদকে সামনে রেখে নতুন নোট সংগ্রহ করতে রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বেশিরভাগ ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের জানানো হচ্ছে নতুন নোট নেই। আবার কোন কোন ব্যাংক কৌশল করে বলছে আছে সীমিত। এতে করে  অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরছেন। অন্যদিকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ব্যাংক নয় রাস্তায় মিলছে নতুন টাকার পাহাড় । […]

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৩

ঈদকে সামনে রেখে নতুন নোট সংগ্রহ করতে রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বেশিরভাগ ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের জানানো হচ্ছে নতুন নোট নেই। আবার কোন কোন ব্যাংক কৌশল করে বলছে আছে সীমিত। এতে করে  অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরছেন।

অন্যদিকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ব্যাংক নয় রাস্তায় মিলছে নতুন টাকার পাহাড় । সেখানে একটি ব্যবসায়ী চক্রের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে নতুন নোট বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ টাকা দিয়েই কিনতে হচ্ছে নতুন টাকা।  এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে ব্যাংকে যেখানে নতুন নোট নেই বলা হচ্ছে, সেখানে বাজারে এত নতুন নোট আসে কোথা থেকে?

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নতুন টাকার একটি অঘোষিত বাজার রয়েছে। ঈদের সময় বিশেষ করে নতুন টাকার ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোট বেশি দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, এখানে কিছু ব্যবসায়ী নতুন নোটের বান্ডিল এনে প্রকাশ্যেই বিক্রি করেন। সাধারণত ১০০০ টাকার নতুন নোট নিতে হলে ক্রেতাকে ১০০-২০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। ক্রেতারা জানান, শখের বশে ঈদের সময় শিশুদের ‘সালামি’ বা আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য নতুন নোট দরকার হওয়ায় তারা বাড়তি টাকা দিয়ে এসব নোট কিনে থাকেন। এছাড়াও  ছোট নোটের বান্ডিলে কমিশন আরও বেশি হয় এবং ঈদের সময় এই ব্যবসা আরও বেড়ে যায় ।

সমস্যা কি এখানেই শেষ ? না, সাধারণ জনগণ যখন ছেঁড়া-ফাঁটা নোট ব্যাংকে দিতে যায় তখন অধিকাংশ  ব্যাংক সেই নোট গ্রহণ করে না। যার ফলে জনগণ বাধ্য হয়ে গুলিস্তানের টাকা ব্যবসায়ীদের কাছে নোট বিক্রি করে। সেখানেও প্রতি নোটের জন্য ভালো পরিমান টাকা গচ্ছা দিয়ে বিক্রি করতে হয় সাধারণ জনগণকে। বাস্তবে দেখা যায় ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের টাকার বান্ডিলে ছেঁড়া-ফাঁটা নোট ঢুকিয়ে দেয়। যার ফলে বলা যায়, ব্যাংক এইখানে চরম পর্যায়ে বৈষম্য সৃষ্টি করছে। আর এই বৈষম্য করার মূল লক্ষ্য হলো সিন্ডিকেটের সাথে বন্ধুত্ব করে সাধারণ জনগণের টাকা আত্মসাৎ করা।  

গুলিস্তানের নতুন টাকার উৎসের পিছনে রয়েছে এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট। বাংলাদেশে নতুন নোট ছাপানোর বৈধ ক্ষমতা একমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। প্রতি বছর বিশেষ করে দুই ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরনো ও ছেঁড়া নোট সংগ্রহ করে এবং তার পরিবর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ নতুন নোট সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকে সরবরাহ করে। সাধারণ গ্রাহক যখন ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে ‘নতুন টাকা নেই’ শুনে হতাশ হয়ে ফিরে যান, তখন গুলিস্তানের বাজারে নতুন টাকার স্তূপ দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে। কারণ এর পেছনে একটি প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা এই বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দকৃত নতুন নোটের একটি বড় অংশ গোপনে এই সিন্ডিকেটের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর বিনিময়ে সংশ্লিষ্টরা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পেয়ে থাকেন।

এছাড়াও কিছু পেশাদার ‘লাইনম্যান’ রয়েছে, যাদের কাজই হলো বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে বারবার কৌশলে নতুন নোট সংগ্রহ করা। পরে তারা এসব নোট গুলিস্তানের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। একইভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাদের প্রভাব ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে বড় অংকের নতুন নোট সংগ্রহ করেন এবং পরে বেশি লাভের আশায় সেগুলো খোলা বাজারে ছাড়েন।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী দেশের কাগুজে মুদ্রা ইস্যু ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত। নতুন নোট ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি জনগণের মধ্যে বিতরণের কথা। এসব নোট ব্যক্তিগতভাবে মজুদ করে অতিরিক্ত মূল্যে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা আইনত অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলামের দৃষ্টিতেও নতুন টাকার ব্যবসা বৈধ নয়। একই দেশের মুদ্রা কমবেশি করে কেনাবেচা করা শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হয়। কারণ টাকা বা কাগুজে মুদ্রা কোনো পণ্য নয়; বরং এটি নিজেই মূল্যমানের প্রতীক। তাই এটিকে লাভের উদ্দেশ্যে বেচাকেনা করা শরিয়তসম্মত নয়।
ইসলামি অর্থনীতিতে মুদ্রা বিনিময়কে বাইয়ুস সারফ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে দুই ধরনের লেনদেন রয়েছে। প্রথমত, এক দেশের মুদ্রার সঙ্গে অন্য দেশের মুদ্রার বিনিময় এ ক্ষেত্রে কমবেশি হওয়া বৈধ, তবে লেনদেনের সময়ই অন্তত এক পক্ষকে মুদ্রা বুঝিয়ে দিতে হবে (জাদিদ ফিকহি মাসায়িল: ৪/২৮; জাদিদ মুআমালাত কে শরয়ী আহকাম: ১-১৩৯)। দ্বিতীয়ত, একই দেশের মুদ্রা হলে লেনদেনে সমতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ ১০০ টাকার বিপরীতে ১০০ টাকাই হতে হবে; কমবেশি হলে তা সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে (হিদায়া, কিতাবুল বুয়ু, বাবুর রিবা: ০৩/ ৮৫; মুসতাদরাক আলাস সাহিহাইন: ০২/ ৬৫-৬৬; শারহু মাআনিল আসার: ৫৫৫৪; সুনান দারু কুতনি: ৩০৬০) । আমাদের দেশে সাধারণত ছেঁড়া বা পুরোনো নোটের পরিবর্তে নতুন নোট সরবরাহ করে থাকে ব্যাংকগুলো, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো এই সেবা বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। তাই প্রকাশ্যে বসে নতুন নোট কেনা- বেচার মতো ব্যবসা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধতার কোনো সুযোগ নেই। নতুন নোট সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিতরণের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক সময় তা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হচ্ছে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এতে একদিকে যেমন আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামি দৃষ্টিতেও এটি সুদের আওতায় পড়ে অনৈতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই নতুন টাকার এই অবৈধ বাজার বন্ধ করতে হলে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, কঠোর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে সচেতনতা বাড়ানোও প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষও এই ধরনের অনৈতিক লেনদেন থেকে বিরত থাকে।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

রাজধানী

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। বিস্তারিত আসছে…

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ জুন ২০২৬, ২৩:৫৬

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।

বিস্তারিত আসছে…