বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

পুরোনো কর্মস্থলে ফিরলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

১৮ মাসের বিরতির পর নিজ দায়িত্বে ফিরেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার মিরপুরে টেলিকম ভবনে অবস্থিত ইউনূস সেন্টারে পৌঁছালে দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি গ্রামীণ পরিবারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ইউনূস সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও […]

পুরোনো কর্মস্থলে ফিরলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪২

১৮ মাসের বিরতির পর নিজ দায়িত্বে ফিরেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার মিরপুরে টেলিকম ভবনে অবস্থিত ইউনূস সেন্টারে পৌঁছালে দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি গ্রামীণ পরিবারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ইউনূস সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

২০০৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইউনূস চলতি মাসের শেষ দিকে ঢাকার গুলশানে নিজ বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ […]

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ), মো. মাহবুব রশিদ (তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা, রংপুর), মো. আব্দুর রহমান ও মো. মাসুম বিল্লাহ (বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা, পিরোজপুর), মো. হারুনুর রশিদ (নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িগ্রাম), করিমা খাতুন (মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা, বাগেরহাট), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা), শহীদুল হক (পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুমিল্লা), মো. রোকনুজ্জামান (বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর), জালাল উদ্দিন (সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত (র.) দাখিল মাদ্রাসা, ঢাকা), হাসিনা (বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, গাজীপুর), মো. মাহফুজুর রহমান (একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর) এবং নাসরিন সুলতানা (শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, নরসিংদী)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।