বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামে যাচ্ছেন তারেক রহমান, জোর প্রস্তুতি বিএনপির

দীর্ঘদিন পর চট্টগ্রামকে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ন মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দুই দশক পর তার এই সফর শুধু একটি জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটিকে ঘিরে বিএনপির ভেতরে নতুন করে সাংগঠনিক সক্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃশ্যমানতা এবং মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান জানান দেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি নগরীর ঐতিহাসিক […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯

দীর্ঘদিন পর চট্টগ্রামকে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ন মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দুই দশক পর তার এই সফর শুধু একটি জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটিকে ঘিরে বিএনপির ভেতরে নতুন করে সাংগঠনিক সক্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃশ্যমানতা এবং মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান জানান দেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আগামী ২৫ জানুয়ারি নগরীর ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশকে ঘিরে তাই চট্টগ্রাম বিএনপিতে বিরাজ করছে ব্যস্ততা ও প্রত্যাশার আবহ।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির নেতৃত্বের কাছে এই সফর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর দলকে আবার মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ও দৃশ্যমান করার প্রয়াস হিসেবেই চট্টগ্রাম সফরকে দেখা হচ্ছে। দলীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের এটি প্রথম বড় মাঠের কর্মসূচি হওয়ায়, তার বক্তব্যকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিএনপির নেতারা মনে করছেন, দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই নগরীতে বড় ধরনের জনসমাগম ঘটাতে পারলে তা জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির শক্ত অবস্থান জানান দেবে। সে কারণেই নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাড়াও পার্বত্য অঞ্চল এবং কক্সবাজার পর্যন্ত সাংগঠনিক প্রস্তুতি বিস্তৃত করা হয়েছে। দলীয় কর্মসূচিতে এবার শুধু নেতাকর্মীদের নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী শ্রেণির মানুষকে যুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই সফরকে ঘিরে দলীয় কাঠামোর বাইরে থেকেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে, যা বিএনপির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

দলীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের এই সফর মূলত তিনটি বার্তা বহন করছে। প্রথমত, দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মাঠের রাজনীতিতে সরাসরি নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। দ্বিতীয়ত, চট্টগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে সাংগঠনিক শক্তি নতুন করে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তৃতীয়ত, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রশাসনের প্রতি একটি শক্ত অবস্থান জানান দেওয়ার প্রয়াসও এতে রয়েছে।

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠ বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রতীকী স্থান। ২০১২ সালে এখানেই সর্বশেষ বক্তব্য দিয়েছিলেন প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর নানা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বাস্তবতায় বিএনপির কোনো শীর্ষ নেতা এই মাঠে বড় সমাবেশ করেননি। প্রায় ১৪ বছর পর একই মাঠে দলীয় প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের উপস্থিতি বিএনপির রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতাকেই সামনে নিয়ে আসছে।

তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে এসেছিলেন, তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সেই সফরের পর দীর্ঘ সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সফর তার রাজনৈতিক ভূমিকার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।

সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতির চিত্রও এবার ব্যতিক্রমী। নগরজুড়ে চলছে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, প্রচারণা ট্রাক ও স্বাগত মিছিল। বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনগুলো আলাদা আলাদা কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যুব ও ছাত্র সংগঠনগুলো তরুণদের সম্পৃক্ত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মাঠপর্যায়ের কর্মসূচি চালাচ্ছে। দলীয় নেতারা বলছেন, এবার সমাবেশে তরুণদের উপস্থিতি হবে চোখে পড়ার মতো।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের এক নেতা জানান, অনেক তরুণের কাছে তারেক রহমানের বক্তব্য আগামীর রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাদের আশা, তিনি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও গণতন্ত্র নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেবেন। এতে তরুণদের মধ্যে বিএনপির প্রতি নতুন আগ্রহ তৈরি হতে পারে।

মাঠের প্রস্তুতির দিক থেকেও সমাবেশটি বড় পরিসরের। পলোগ্রাউন্ড মাঠে ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের মঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় মঞ্চের সামনে ও আশপাশে একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। নারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, মাঠের পুরো ব্যবস্থাপনাই জনসমাগমের চাপ সামাল দেওয়ার মতো করে সাজানো হচ্ছে।

নিরাপত্তা ইস্যুটিও সমাবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী ‘চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স’ চট্টগ্রামে মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, তিন পার্বত্য জেলা এবং কক্সবাজার থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সমাবেশে যোগ দেবেন। গণমানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। সিলেট–হবিগঞ্জের মতো এখানেও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে। অতীতের সব জনসমাগমের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ট্রাকে করে সমাবেশের প্রচারণা চলছে, স্বাগত মিছিল হচ্ছে। পাড়া-মহল্লায় গানের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। তরুণ ও যুবকদের সম্পৃক্ত করতে কাজ করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীর বাইরেও তরুণ-যুবকেরা এতে অংশ নেবেন। তারা তারেক রহমানের বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় আছেন। তিনি আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, এই সমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। তার দাবি, অতীতের যেকোনো সমাবেশের তুলনায় এবার মানুষের অংশগ্রহণ বেশি হবে। তিনি মনে করেন, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক বার্তা দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও প্রভাব ফেলবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপির জন্য এই সমাবেশ একটি ‘লিটমাস টেস্ট’। দীর্ঘদিন ধরে দলটির মাঠের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। চট্টগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বড় সমাবেশ করতে পারলে বিএনপি আবারও সক্রিয় বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারবে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের নেতৃত্ব কতটা গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর, সেটিও এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিমাপ করা হবে।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৭

অন্যান্য খবর

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন […]

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৭:২১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে বলা হয়, তিন নম্বর অভিযোগে ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পৃথকভাবে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হলেও সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, বিভিন্ন নথি ও আলামত উপস্থাপন করে। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় হাসানুল হক ইনু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) রায়ের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।