মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে ‘গায়েব’ করে দিল আইসল্যান্ড

‘হট টপিক’ নিয়ে হাস্য রসিকতাকে যেন আইসল্যান্ড ক্রিকেট অন্য এক মাত্রায় নিয়ে গেছে। ক্রিকেটে তেমন একটা জনপ্রিয় না হয়ে উঠলেও সামাজিক মাধ্যমে তাদের পোস্টগুলো দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এবার ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও তারা মজা করতে বাদ রাখেনি। আইসিসির এই ইভেন্ট থেকে বাংলাদেশের নামই ছেঁটে ফেলল আইসল্যান্ড ক্রিকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর এক মাস বাকি থাকলেও […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫

‘হট টপিক’ নিয়ে হাস্য রসিকতাকে যেন আইসল্যান্ড ক্রিকেট অন্য এক মাত্রায় নিয়ে গেছে। ক্রিকেটে তেমন একটা জনপ্রিয় না হয়ে উঠলেও সামাজিক মাধ্যমে তাদের পোস্টগুলো দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এবার ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও তারা মজা করতে বাদ রাখেনি। আইসিসির এই ইভেন্ট থেকে বাংলাদেশের নামই ছেঁটে ফেলল আইসল্যান্ড ক্রিকেট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর এক মাস বাকি থাকলেও ভেন্যু নিয়ে জটিলতা কাটেনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ২০ দলের সূচি, গ্রুপিং সব ঠিক করে ফেলেছে ঠিকই। কিন্তু ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন সামাজিকমাধ্যমে হাসির খোরাক জোগাল আইসল্যান্ড ক্রিকেট।

গতকাল নিজেদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০ দলের নাম ও গ্রুপ প্রকাশ করেছে। ১৯ দলের নাম ঠিক থাকলেও ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম বসিয়ে দিয়েছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট। ক্যাপশনে আইসল্যান্ড ক্রিকেট লিখেছে, ‘এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য কারা বেশি আগ্রহী?’

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের খেলতে অসুবিধা হবে বলে বিকল্প ভেন্যুতে খেলতে আইসিসিকে গত রোববার চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে যখন চলছে নানা আলাপ-আলোচনা, সেই মুহূর্তে পরশু রাতে ক্রিকইনফোর এক খবর বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছিল।

বাংলাদেশকে ভারতের মাঠে খেলতে হবে অথবা পয়েন্ট কাটা যাবে—ক্রিকইনফোর খবর ছিল এমনই। এমনকি ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যুতে বিসিবিকে আইসিসি আলটিমেটাম দিয়েছে বলে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে বিসিবি গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। বাংলাদেশ দলের স্বার্থে যেকোনো কিছু গুরুত্ব সহকারে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা দেখবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

৩ জানুয়ারি আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পর মূলত বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। একজন ক্রিকেটারকে যখন নিরাপত্তা দিতে পারছে না ভারত, তখন পুরো দলকে নিরাপত্তা কীভাবে দেবে—এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলটও ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের জন্য বিশ্বকাপ খেলা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন।

আইসিসিকে পাঠানো মেইলের জবাবের পর ভারতে খেলার ব্যাপারে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের সভা হয়েছে। সভা শেষে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আইসিসিকে আবারও বোঝা হবে।

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’

খেলা

‘আমিই বিসিবির বৈধ সভাপতি’: বুলবুল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিদায়ি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার মতে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ত্রুটিপূর্ণ, মনগড়া ও আইনি ভিত্তিহীন। নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসাবে দাবি করেন আমিনুল। তিনি বলেন, ‘আমিই […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিদায়ি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তার মতে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ত্রুটিপূর্ণ, মনগড়া ও আইনি ভিত্তিহীন। নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসাবে দাবি করেন আমিনুল। তিনি বলেন, ‘আমিই বিসিবির বৈধ সভাপতি।’

তার মতে, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষী কিছু সাবেক খেলোয়াড় বোর্ডকে অস্থিতিশীল করতে এই নির্বাচন ফিক্সিংয়ের গল্প সাজাচ্ছেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিসিবির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার আইনি অধিকার এনএসসির নেই। এটি আইসিসির গঠনতন্ত্রের সরাসরি লঙ্ঘন।