রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাবার দাবি, তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। মেয়েকে উদ্ধার করে দিতে ওসি ঘুষ দাবি করেছেন বলেও অভিযোগ তার।   তবে, মেয়ে ফেসবুকে লাইভে তার প্রেমিকের সঙ্গে এসে দাবি করেছেন, […]

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১১:১৫

বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাবার দাবি, তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। মেয়েকে উদ্ধার করে দিতে ওসি ঘুষ দাবি করেছেন বলেও অভিযোগ তার।  

তবে, মেয়ে ফেসবুকে লাইভে তার প্রেমিকের সঙ্গে এসে দাবি করেছেন, অপহরণের পুরো বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্কের জেরে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করে সংসার করছেন।

নিখোঁজ কিশোরীর নাম তসনিয়া রানা তামান্না (১৭)। তার বাবা মো. রানা মাসুদ কনস্টেবল হিসেবে আদমদীঘি থানায় কর্মরত এবং প্রায় ২২ বছর ধরে পুলিশ বাহিনীতে আছেন।


জানা গেছে, এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে প্রথম দফায় নিখোঁজ হন তামান্না। ওই ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের শহিদ হোসেনসহ (১৮) কয়েকজনের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন।

মামলার পর পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করলে তিনি জবানবন্দিতে জানান, শহিদের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। মেয়েটির বয়স ১৭ বছর হওয়ায় এবং ডাক্তারি পরীক্ষার ভিত্তিতে গত ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।


আদালতের মাধ্যমে বাবার জিম্মায় ফেরার পরদিনই, অর্থাৎ গত ১ মে সকাল ৭টার দিকে তামান্না আবারও শহিদ হোসেনের সঙ্গে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কনস্টেবল রানা মাসুদ আদালতে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করলে গত ৭ মে আদমদীঘি থানায় নতুন করে একটি মামলা রুজু হয়। মামলাটি বর্তমানে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে।

এদিকে, দ্বিতীয়বার নিখোঁজের পর তামান্না তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এক বিবৃতিতে বলেন, আমার নামে অপহরণের যে মামলা দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা, ভুল ও বানোয়াট। বাবা একজন পুলিশ কনস্টেবল হয়ে নিজের মেয়ের নামে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছেন। আমার হাজবেন্ডের সঙ্গে ৪ বছরের সম্পর্ক। বাবা এবং ফ্যামিলির লোকজন এটা মেনে নিচ্ছে না দেখেই মিথ্যা ছড়াচ্ছে।

তবে, কনস্টেবল রানা মাসুদের অভিযোগ ভিন্ন। তার দাবি, গত ১ মে মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি থানায় মামলা করতে গেলে আদমদীঘি থানার ওসি তার কাছে টাকা (ঘুষ) দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তিনি ডিআইজিকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে ডিআইজির নির্দেশে থানা-পুলিশ প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরি এবং পরে মামলা নেয়।

দীর্ঘ এক মাসেও মেয়ে উদ্ধার না হওয়ায় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আমি একজন পুলিশ সদস্য হয়েও বিচার পাচ্ছি না। দেশের সাধারণ মানুষ তাহলে কীভাবে বিচার পাবে? তিনি মেয়ের উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে স্ত্রীসহ ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

রানা মাসুদের আরও অভিযোগ, জয়পুরহাটের একটি থানার ওসি তাকে ডেকে নিয়ে মেয়েকে ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে কোনো মামলা না করার শর্তে স্বাক্ষর দিতে বলেছিলেন, যাতে তিনি রাজি হননি।

ঘুষ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ঘুষ দাবির বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশের মেয়ে মানে সে আমাদেরও মেয়ে। যথাসময়েই তার মামলা নেওয়া হয়েছিল। এরপরও তিনি মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন এবং বর্তমানে থানায় অনুপস্থিত রয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে […]

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৮

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’

তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী […]

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসনামলে মির্জা আব্বাসকে অন্তত তিনবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই সরকার তাকে অন্তত ১১টি মামলায় জড়িয়েছিল, যার সবগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আব্বাস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে সেই মানুষগুলোর কাছ থেকে একবিন্দু সহানুভূতি পাননি, যারা এখন তার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছেন। এর একমাত্র কারণ হলো, কোনো এক সমীকরণে বর্তমানে তিনি তাদের শত্রুর শত্রু।

মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, তার পরিবার যে মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং তার জীবন থেকে যে মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা তাদের ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এই ক্ষতগুলো বাস্তব এবং সুবিধাবাদী কোনো সহানুভূতি দিয়ে এই ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

সম্প্রতি মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা আলোচনার সমালোচনা করে আজাদ মজুমদার বলেন, এখন কেউ কেউ ফায়দা লুটতে তার অসুস্থতার জন্য তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের কূটতর্ক কারও কোনো উপকারে আসবে না, বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের তো নয়ই।

লোক দেখানো ক্ষোভ বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার পরিবর্তে এই মুহূর্তে মির্জা আব্বাসের জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, যারা তাকে সত্যিকার অর্থে সম্মান করেন, তাদের আন্তরিক দোয়াই এখন তার প্রয়োজন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, আব্বাস ভাই।