রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাবার দাবি, তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। মেয়েকে উদ্ধার করে দিতে ওসি ঘুষ দাবি করেছেন বলেও অভিযোগ তার।   তবে, মেয়ে ফেসবুকে লাইভে তার প্রেমিকের সঙ্গে এসে দাবি করেছেন, […]

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১১:১৫

বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাবার দাবি, তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। মেয়েকে উদ্ধার করে দিতে ওসি ঘুষ দাবি করেছেন বলেও অভিযোগ তার।  

তবে, মেয়ে ফেসবুকে লাইভে তার প্রেমিকের সঙ্গে এসে দাবি করেছেন, অপহরণের পুরো বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্কের জেরে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করে সংসার করছেন।

নিখোঁজ কিশোরীর নাম তসনিয়া রানা তামান্না (১৭)। তার বাবা মো. রানা মাসুদ কনস্টেবল হিসেবে আদমদীঘি থানায় কর্মরত এবং প্রায় ২২ বছর ধরে পুলিশ বাহিনীতে আছেন।


জানা গেছে, এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে প্রথম দফায় নিখোঁজ হন তামান্না। ওই ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের শহিদ হোসেনসহ (১৮) কয়েকজনের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন।

মামলার পর পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করলে তিনি জবানবন্দিতে জানান, শহিদের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। মেয়েটির বয়স ১৭ বছর হওয়ায় এবং ডাক্তারি পরীক্ষার ভিত্তিতে গত ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।


আদালতের মাধ্যমে বাবার জিম্মায় ফেরার পরদিনই, অর্থাৎ গত ১ মে সকাল ৭টার দিকে তামান্না আবারও শহিদ হোসেনের সঙ্গে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কনস্টেবল রানা মাসুদ আদালতে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করলে গত ৭ মে আদমদীঘি থানায় নতুন করে একটি মামলা রুজু হয়। মামলাটি বর্তমানে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে।

এদিকে, দ্বিতীয়বার নিখোঁজের পর তামান্না তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এক বিবৃতিতে বলেন, আমার নামে অপহরণের যে মামলা দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা, ভুল ও বানোয়াট। বাবা একজন পুলিশ কনস্টেবল হয়ে নিজের মেয়ের নামে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছেন। আমার হাজবেন্ডের সঙ্গে ৪ বছরের সম্পর্ক। বাবা এবং ফ্যামিলির লোকজন এটা মেনে নিচ্ছে না দেখেই মিথ্যা ছড়াচ্ছে।

তবে, কনস্টেবল রানা মাসুদের অভিযোগ ভিন্ন। তার দাবি, গত ১ মে মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি থানায় মামলা করতে গেলে আদমদীঘি থানার ওসি তার কাছে টাকা (ঘুষ) দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তিনি ডিআইজিকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে ডিআইজির নির্দেশে থানা-পুলিশ প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরি এবং পরে মামলা নেয়।

দীর্ঘ এক মাসেও মেয়ে উদ্ধার না হওয়ায় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আমি একজন পুলিশ সদস্য হয়েও বিচার পাচ্ছি না। দেশের সাধারণ মানুষ তাহলে কীভাবে বিচার পাবে? তিনি মেয়ের উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে স্ত্রীসহ ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

রানা মাসুদের আরও অভিযোগ, জয়পুরহাটের একটি থানার ওসি তাকে ডেকে নিয়ে মেয়েকে ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে কোনো মামলা না করার শর্তে স্বাক্ষর দিতে বলেছিলেন, যাতে তিনি রাজি হননি।

ঘুষ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ঘুষ দাবির বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশের মেয়ে মানে সে আমাদেরও মেয়ে। যথাসময়েই তার মামলা নেওয়া হয়েছিল। এরপরও তিনি মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন এবং বর্তমানে থানায় অনুপস্থিত রয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।