কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণীর একটা মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করল এক অটোচালক নরপিশাচ। সে আদালতে স্বীকারোক্তি পর্যন্ত দিল যে- সে একাই এই কাজ করেছে।
তাহলে ৭ দিনের মধ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না কেন?
প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ মাসের মধ্যে এবং আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি রায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে।
সময়ের পরিক্রমায় সেই খুনি কোন দিন টাকার বিনিময়ে জামিন পেয়ে যায়, কিংবা কবে রামিসার বাবার সামনে দিয়ে হেঁটে যায় তার নিশ্চয়তা নেই!
এই ধরনের বীভৎস ঘটনাগুলোতে যখন মাসের পর মাস চলে যাওয়ার পরও অপরাধীদের দৃশ্যমান শাস্তি হয় না তখন অপরাধ আরো বাড়তে থাকে।
এই প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে সরকার তার দায় এড়াতে পারে না। এই রাষ্ট্র কাঠামো, তার গতানুগতিক বিচার ব্যবস্থা এই অপরাধগুলোর পুনরাবৃত্তির দায় এড়াতে পারে না।
সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা ও মনোরোগ চিকিৎসক মেজর নিদাল মালিক হাসানকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এবং তা সরাসরি সম্প্রচার করার ঘোষণা দেন, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদন পেয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ হিসেবে পিট হেগসেথ বলেন, “মানুষের বোঝা দরকার যে এ ধরনের কাজের মারাত্মক পরিণতি রয়েছে”।
যে নরপিশাচরা ছোট শিশুদের ধর্ষণ করে এভাবে হত্যা করছে, তাদের কি বোঝার প্রয়োজন নেই যে- এই কাজের মারাত্মক পরিণতি রয়েছে?
এভাবে প্রতিদিন এই রাষ্ট্র, বিচার ব্যবস্থা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, ক্ষমতাসীন সরকার মিলে প্রতিনিয়ত নতুন আরেকটি অপরাধ সংঘটিত করার ক্ষেত্র তৈরি করছে।
আমরা এসবের অবসান চাই।
৩ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নৃশংস, নরপিশাচ, প্রমাণিত অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় কার্যকর দেখতে চায় বাংলাদেশ।