মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবী অত্যন্ত যৌক্তিক

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরম খাঁ মিলনায়তনে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরাম আয়োজিত ‘বৈষম্যের শিকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা: উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি ইবতেদায়ী […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ২১:১৭

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরম খাঁ মিলনায়তনে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরাম আয়োজিত ‘বৈষম্যের শিকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা: উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো লালন করতে না পারি; তাহলে আগামীদিনে এদেশে ইসলামি শিক্ষার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী পাঁচ হাজার ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে এমপিওভুক্তকরণের ঘোষণা দিলেও নানা কারণে সেটা বাস্তবায়িত করা হয়নি।

এ সময় তিনি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরামের দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, এদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে। কিন্তু ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। এটা বৈষম্য। এই বৈষম্য নিরসন করা প্রয়োজন।

ড. খালিদ বলেন, ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ধর্ম মন্ত্রণালয়াধীন নয়, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। তিনি ফোরামের নেতৃবৃন্দকে তাদের দাবির বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া উপদেষ্টা তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার বিষয়ে ফোরাম নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন।

ড. খালিদ বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক মুসলমান। এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও রয়েছে। ধর্মচর্চা, ধর্মপালন ও ধর্মপ্রচার সব নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

তিনি বলেন, এদেশের পাঠ্যক্রমে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ঈমান, আকিদা, কোরআন ও সুন্নাহর আদর্শ প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এটা না হলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্ম শিখবে। এটা নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। ঠিক একইভাবে মুসলমানদেরকে তাদের কোরআন, সুন্নাহ, ঈমান, আকিদা সম্পর্কে শিক্ষা লাভের অধিকার থাকতে হবে। অতীতে এদেশে বারবার ইসলামি শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করার চক্রান্ত করা হয়েছে। এ চক্রান্ত আগামীতে চলবে না।

অনুষ্ঠানে লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ মাসউদুর রহমান তালুকদার। আলোচনা সভায় ফোরামের পক্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণসহ সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য ও বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদার্রেসিনের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মোমেন, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক নাছির উদ্দীন খান ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এ বি এম জাকারিয়া।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।