স্বৈরাচারী শাসনামলে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করলেও তারা সময়মতো প্রয়োজনীয় পানি পায় না। এ সমস্যা সমাধানে সরকার খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। কৃষক ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব হলে দেশের সামগ্রিক অবস্থাও বদলে যাবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত (বিএনপি)-এর শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর কাজও এগিয়ে চলছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সমাবেশগুলো শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও কয়েক বছর আগেও পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনগুলো কর্মসূচি দিলে হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে থাকতে হতো। সেই সময়ের ভীতিকর পরিস্থিতি এখনো সবার মনে আছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে স্বৈরাচারের অবসান ঘটে। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, নারীসহ সব শ্রেণির মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার হরণ এবং ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, সেই বঞ্চনা ও শোষণ থেকে মুক্তি পেতেই ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে এবং স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটায়।