রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

চরম শত্রু থেকে পরম বন্ধু হলো রাশিয়া-ইরান

নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে রাশিয়া ও ইরানের সম্পর্ক। শুক্রবার বন্ধুপ্রতীম দেশ দুটি ২০ বছরের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করেছে। এরপরই নতুন করে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম হয়েছে। বর্তমানে মিত্র এই দুই দেশ এক সময় ছিল পরস্পরের চরম শত্রু। এমনকি দুই দেশের মধ্যে কয়েক বার যুদ্ধও হয়েছে। রাশিয়াকে নিয়ে ইরানের বেদনাদায়ক স্মৃতিও রয়েছে। তবে […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৪:২২

নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে রাশিয়া ও ইরানের সম্পর্ক। শুক্রবার বন্ধুপ্রতীম দেশ দুটি ২০ বছরের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করেছে। এরপরই নতুন করে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম হয়েছে। বর্তমানে মিত্র এই দুই দেশ এক সময় ছিল পরস্পরের চরম শত্রু। এমনকি দুই দেশের মধ্যে কয়েক বার যুদ্ধও হয়েছে। রাশিয়াকে নিয়ে ইরানের বেদনাদায়ক স্মৃতিও রয়েছে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে সে রাশিয়াই হয়ে উঠেছে ইরানের পরম মিত্র।

আঠারো ও উনিশ শতকে বেশ কয়েকবার যুদ্ধে জড়ায় রাশিয়া ও ইরান। পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ককেশাস ও কাস্পিয়ান অঞ্চলের বিস্মৃত অঞ্চলও দখল করে নেয় রাশিয়ান সাম্রাজ্য। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে রাশিয়ার সৈন্যরা উত্তরাঞ্চলীয় ইরানের বড় অংশ দখল করে দেয়।

কিন্তু ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লবের কারণে সেখানে রাশিয়ার উপস্থিতির ইতি ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ইরানে হামলা করে বসে, যা এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় তেহরানকে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় ইরানের অবস্থান ছিল রাশিয়ার বিপরীতমুখী। তখন ইরানে শাহদের শাসন ছিল, যারা ঐতিহাসিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ছেদ ঘটে সেই সম্পর্কের। বিপ্লবীদের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির ভাষায়- যুক্তরাষ্ট্র ছিল বড় শয়তান আর সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল ছোট শয়তান। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর উষ্ণ হতে শুরু করে রাশিয়া-ইরানের সম্পর্ক।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার চাপে চিড়ে-চ্যাপ্টা ইরানের পাশে এসে দাঁড়ায় রাশিয়া। তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারের পাশাপাশি হয়ে ওঠে অস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির জোগানদাতাও। এমনকি ইরানের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রও তৈরি করে দেয় রাশিয়া, যেটি ২০১৩ সাল থেকে সক্রিয় রয়েছে। ইরানকে আরও দুটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরি করে দিতে পরবর্তী বছর চুক্তি করে রাশিয়া। এছাড়া ছয় জাতির সঙ্গে হওয়া ইরানের পরমাণু চুক্তিতে রাশিয়াও ছিল।

সিরিয়ায় ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হলে বাশার আল আসাদ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে এক জোট হয় রাশিয়া ও ইরান। ২০১৫ সালে রাশিয়া সরাসরি এই গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এতে আগে থেকেই ময়দানে থাকা ইরান ও তাদের প্রক্সিরা হালে পানি পায়। শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় টিকে যায় বাশার আসাদ সরকার।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকায় মস্কোর নজর সিরিয়া থেকে সরে যাওয়ায় একা হয়ে পড়ে ইরান। আর সে সুযোগকে কাজে লাগায় বিদ্রোহীরা। পতন ঘটে আসাদ সরকারের।

পশ্চিমারা সেই ২০২২ সাল থেকে অভিযোগ করে আসছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ১৭০ কোটি ডলারের শাহেদ ড্রোন দিতে চুক্তি করেছে তেহরান-মস্কো। এমনকি রাশিয়াকে ইরান স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল সরবরাহ করেছে বলেও অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে। যদিও এ নিয়ে মস্কো বা তেহরান কেউই মুখ খোলেনি।

আবার ইরানে দুই বার চালানো ইসরায়েলের সরাসরি হামলায় রাশিয়ার সরবরাহ করা এস-300 আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই বাঁচিয়েছে তেহরানকে।

তেহরানের নজর রয়েছে রাশিয়ার দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক এসইউ-৩৫ ফাইটার জেট ও অন্যান্য অস্ত্রের দিকে। কিন্তু ইরানকে এ পর্যন্ত মাত্র বেশ কয়েকটি ইয়াক-১৩০ ট্রেইনার জেট দিয়েছে রাশিয়া। এমতাবস্থায় ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের আসনে বসার ঠিক আগে বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সম্পন্ন করল রাশিয়া ও ইরান।

নতুন এই চুক্তির মেয়াদ বিশ বছর। এর ফলে বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান বাড়বে দুই দেশের মধ্যে। এছাড়া উভয়ই তাদের জাতির ওপর আক্রমণকারীকে কোনো সহায়তা প্রদান করবে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- একে অন্যের ওপর সামরিক হুমকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে মস্কো ও তেহরান।

এদিকে এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে ইরানের চুক্তিটি মূল্যায়ন করতে পারে পশ্চিমারা। কারণ, দুই দেশের যুদ্ধ প্রস্তুতি আরও জোরালো হবে এবং অন্তিম মুহূর্তে মিলেমিশে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে দায়বদ্ধ থাকবে ইরান ও রাশিয়া। দুই শক্তির এই মিলন তাই আতঙ্ক হিসেবেই দেখবে শত্রুরা।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের […]

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩১

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের খুব কম দেশই মুক্ত রয়েছে। কারণ আকাশপথ ও নৌপথগুলো এখনো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।’

ডুজারিক জানান, ‘সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহাসচিব। উত্তেজনা আরো বাড়লে তা বেসামরিক নাগরিক এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য বিধ্বংসী পরিণতি বয়ে আনবে।’

সূত্র: আল জাজিরা

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০