বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবিতে শিক্ষক নিয়োগে বাধার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাধার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লা-০৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে এ মানববন্ধন করেন তারা। রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে বেলা ১২টার দিকে এই মানববন্ধন করেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ে […]

কুবিতে শিক্ষক নিয়োগে বাধার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:১০

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাধার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লা-০৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে এ মানববন্ধন করেন তারা।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে বেলা ১২টার দিকে এই মানববন্ধন করেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে দ্রুত স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘বহিরাগতদের মাতব্বরি, চলবে না-চলবে না’, ‘কুবিয়ানদের এক দাবি, শিক্ষক নিয়োগ জরুরি’, ‘সেশনজট, আর নয়-আর নয়,’ ‘শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে’, ‘এসো ভাই, এসো বোন-গড়ি তুলি আন্দোলনে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারুক নাহিয়ান বলেন, ‘গত সময়ে ও শিক্ষক সমিতির দণ্ডের কারণে আমরা ভুক্তভোগী হয়েছিলাম। তারা শিক্ষক নিয়োগ অনৈতিকভাবে করার জন্য একটা অংশ অন্তর্ভুক্ত করেন।

আমরা আগে ইলিয়াস গ্রুপ, রেজা গ্রুপ দেখেছি, বর্তমানে ও এমন একটা আদু ভাই গ্রুপ দেখতেছি যারা বিভিন্নভাবে চাটুকারিতা করতেছে। আমরা রেজা গ্রুপ, ইলিয়াস গ্রুপ খেদায় দিয়েছি। আপনারাও যদি সঠিক পথে না থাকেন আপনাদের ও সরাতে বেশি সময় লাগবে না।’

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সোহানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অনেকদিন যাবৎ শিক্ষক সংকটে ভুগতেছি যার কারণে আমরা প্রায় ০৬ মাস যাবৎ ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আসছি এবং আমরা ইউজিসি পর্যন্ত স্মারকলিপি দিয়ে এসেছি।

তার ফলে আমরা শিক্ষক নিয়োগের একটা আশা পেয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপির একজন মনোনীত এমপি প্রার্থী তিনি শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি দিয়েছেন। এটি খুবই কষ্টদায়ক এবং আমরা এটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করা মোটেই কাম্য নয়। আমরা চাই আমাদের ডিপার্টমেন্টে খুবই দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ বাস্তবায়ন করা দরকার। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করতে চাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন শিক্ষক নিয়োগ বাস্তবায়ন করা হয়।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শোয়াইব হোসেন আল আমিন বলেন, ‘আমরা ৫ই আগস্টের পর যে বাংলাদেশ চেয়েছি, সেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না, কোনো রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ থাকবে না। কিন্তু, আমরা দেখতে পাচ্ছি—এক বিএনপি নেতা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ হবে কি হবে না, এ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন এবং তিনি ইউজিসিকে চিঠি দিয়েছেন।

আমি তাকে বলতে চাই বিশ্ববিদ্যালয় কারো বাপের সম্পত্তি নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখবে। আপনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হয়ে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন তখন এ বিষয়ে আমরা কথা বলতে বাধ্য হই।

আমি আপনাকে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই—বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে চলবে তা নির্ধারণ করবে সাধারণ শিক্ষার্থী, রাষ্ট্র ও সরকার। আপনি নির্ধারণ করার কেউ নন। ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আমরা কখনোই মেনে নেব না।’

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.  মো. হায়দার আলী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শুধু পড়াশোনার জন্য না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দুইটা কাজ। এটাতো কিন্ডারগার্টেন না, শুধু পড়া নয়। তাদের গবেষণার সময় দিতে হয়। 

সেজন্য সারা পৃথিবীর একটা নিয়ম আছে যে, ১৪ থেকে ১৬ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক থাকতে হয়। কিন্তু, সেখানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮ -৩৯ জন ছাত্রের একটা শিক্ষক। শুরু থেকেই অনেক শিক্ষক কম। যে যাই বলুক, যোগ্যতা ছাড়া আর অন্য কোনো মাপকাঠিতে আমি নিয়োগের পক্ষে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব দল আমার বিপক্ষে, সবাই সমালোচনা করে। আমি যেগুলো নিয়ে দিয়েছি প্রত্যেকটা নিয়োগ প্রশ্ন করেছি এখানে, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার জন্য পরীক্ষার আগের রাতে টেলিফোন করে বোর্ড মেম্বারদের প্রশ্ন তৈরি করতে বলেছি।

এখানে কোন রকম অনিয়ম করেনি। আমরা অনেক কষ্ট করেছি। শিক্ষার্থীরা গিয়েছিল ইউজিসিতে।  ইউজিসির একটা বছর তালবাহানা করে দেয়নি। আমরা নিয়োগ শুরু করেছি।  এখানে কিছু অশুভ চক্রান্ত চলছে কীভাবে নিয়োগ বন্ধ করা যায়। ইনশাল্লাহ আমরা আল্লাহর রহমতে ডিসেম্বরের শুরু থেকে ২৪শে ডিসেম্বরের ভিতরে নিয়োগ প্রক্রিয়াটা শেষ করব।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আর্থিক দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়ম তদন্ত ও প্রতিকার প্রসঙ্গ তুলে নিয়োগ বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি পাঠান।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।