বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবির তরুণ কলাম লেখক ফোরামের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : তরুণ লেখকদের সংগঠন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার ২০২৫-২৬ কার্যবর্ষের কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর ও শপথ পাঠ–২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় ইংরেজি বিভাগের ২০৮ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া আফরোজের সঞ্চালনায় শুরতে পবিত্র কোরআন […]

কুবির তরুণ কলাম লেখক ফোরামের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৪

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

তরুণ লেখকদের সংগঠন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার ২০২৫-২৬ কার্যবর্ষের কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর ও শপথ পাঠ–২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় ইংরেজি বিভাগের ২০৮ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া আফরোজের সঞ্চালনায় শুরতে পবিত্র কোরআন থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম, সামজিক বিজ্ঞান অনুষদেরের ডিন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সোহরাব উদ্দীন, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইমরান হোসেন,  সাবেক সভাপতি সানজিদা ইয়াসমিন লিজা এবং পুরাতন ও নতুন কমিটির সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এরপর সদ্য বিদায়ী কমিটি ও লেখকদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। শেষে নতুন কমিটিকে শপথ পাঠ করানো হয়।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বটা জ্ঞান এবং বিজ্ঞানের। এখানে যারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে যত বেশি সমৃদ্ধ, তারা তত বেশি এগিয়ে। আমরা যদি আমাদের দেশকে নেতৃত্ব দিতে চাই, তাহলেও আমাদের অনেক সমৃদ্ধ হতে হবে।

জ্ঞান দুইভাবে আসে -কেউ চর্চা করে, কেউ উৎপাদন করে। লেখকরা জ্ঞান উৎপাদন করেন এবং শিক্ষকরা জ্ঞান চর্চা করেন। সেজন্য আপনাদের ইতিহাস, রাজনীতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে বেশি পড়াশোনা করতে হবে, কারণ যে ভালো পাঠক, সেই ভালো লেখক। আমাদের চিন্তাভাবনা ও লেখনী হবে বহুমুখী। আপনাদের কলম হবে শাসিত।’

সামজিক বিজ্ঞান অনুষদেরের ডিন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন হোসেন বলেন, ‘আমরা আসলে বিভক্তকরণ বেশি পছন্দ করি কিন্তু বিভক্তকরণ আমাদের কিছু দেয় না। আমাদের উচিত  কোন গল্প উপন্যাস প্রকাশ করার আগে কাকাউকে দেখেয়ে নেওয়া।

বাক্য বানানের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা। এই ভাষাটাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য চেষ্টায় যেন ভুল না হয়। আর এই সময়টা হচ্ছে বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন করা। বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে কাজকে আরো সমৃদ্ধ করা। 

বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমরা যদি একটা বিশ্ববিদ্যালয়কে সচল ও প্রগতিশীল রাখতে চাই  তাহলে সবার আগে দরকার সচলতা। সেই সচলতা গুলো সংগঠন এনে দিবে। একটা বাচ্চা যখন ছোট থাকে তখন হোঁচট খাই, পা ভাঙে, দাঁত ভাঙ্গে অনেক শারীরিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে  থাকে।

যখন আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে তখন প্রতিবন্ধকতা গুলো আর থাকে না। একইভাবে একটি সংগঠনের শুরুর দিকে ভুলগুলো দিকগুলো মাপ করা হলেও সময়ের সাথে সাথে তা আর ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হয় না। 

সত্য বিদায়ী সভাপতি মোহাম্মদ রাজিব বলেন,’আমাদের সংগঠনটি ছোট, তবে আমি ছোটকে বড় করে তোলার চেষ্টা করি। সাংবাদিকতার হাত ধরে এই সংগঠনে আমার যাত্রা। আমাদের শিক্ষকরা সবসময় আমাদের সহযোগিতা করেছেন; তাদের সহযোগিতা ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব হয় না।

যারা যে দায়িত্ব পেয়েছেন, সবাই তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন। এটি লেখক সংগঠন, তাই এখানে সবসময় সক্রিয় থাকতে হবে। আপনারা সংগঠনকে সক্রিয় রাখবেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে যাবেন। আমি বেঁচে থাকতে এই সংগঠনকে মরতে দেব না। আপনারা এই সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন -এই আশা রাখি।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ সজীব প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।