রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আওয়ামীপন্থি তিনজন সিন্ডিকেট সদস্যকে আমন্ত্রণ ও সিন্ডিকেটে […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১০:৫৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আওয়ামীপন্থি তিনজন সিন্ডিকেট সদস্যকে আমন্ত্রণ ও সিন্ডিকেটে ডাকসু নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ও প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদের সঙ্গে হট্টগোল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। একদিকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডাকসু নির্বাচন চেয়ে স্লোগান দেন, অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এখনই ডাকসুর বিষয়ে আলোচনা না করার দাবি তোলেন।

হট্টগোলের সময় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আবিদুর রহমান মিশু উপাচার্যকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রদল এখনো রাজনীতি শুরুই করতে পারেনি। অস্থিতিশীল এক পরিবেশে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ব্যানারে রাজনীতি করছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষের চাপের মুখে অনির্বাচিত সিন্ডিকেট সদস্যদের সভায় এখনই ডাকসু নির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।’

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে রাত সাড়ে ১১টার পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়া থেকে মিছিল বের করে তারা বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে ভিসি চত্বরে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা- ‘ডাকসু আমার অধিকার, বাধা দেয় সাধ্য কার’, ‘মধুর ক্যান্টিন/চাঁদাবাজি/টেম্পু/ গণরুম/গেস্টরুম না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘ডাকসু যারা চায় না, শিক্ষার্থীদের শত্রু তারা’, ‘১,২,৩,৪ ডাকসু আমার অধিকার’, ‘লেজুড়বৃত্তির ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন, যারা ডাকসু বন্ধের চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা রাস্তায় আছি। আমরা লীগকে বিতাড়িত করেছি, কোনো ছাত্রসংগঠনের ভয়ে ডাকসু থেকে পিছু হটবো না। যারা ডাকসুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, কবরস্থান, টেম্পুস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করে তাদের আমরা ১৭ জুলাই লাল কার্ড দেখিয়েছি। প্রশাসনের কাছে বলবো, আপনারা তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এবি জোবায়ের বলেন, ঢাবি শিক্ষার্থীরা হাসিনাকে পালাতে বাধ্য করেছে। সুতরাং নতুন করে যদি দানব তৈরি হয়, শিক্ষার্থীরা তাদের পালাতে বাধ্য করবে। ঢাবি শিক্ষার্থীরা আর কোনো দানবকে দেখতে চায় না। ছাত্রদল যখন দেখেছে তারা ডাকসুতে জিততে পারবে না, তখন তারা ভিসি স্যারের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করার সাহস দেখিয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা এই প্রশাসনের সঙ্গেই আছি। অনতিবিলম্বে ডাকসু নির্বাচন দিয়ে ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকার উপাচার্যকে হেনস্তার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকসু নির্বাচেনের রোডম্যাপ ঘোষণা করার আল্টিমেটাম দেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১

ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের ফের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শাখার আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মামুন সরকারের অনুসারীদের মাঝে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় গুরুতর আহত হন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজীম লাবিব।  বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে অগ্নিবীণা হলের সামনে এই […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:১৩

ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের ফের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শাখার আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মামুন সরকারের অনুসারীদের মাঝে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় গুরুতর আহত হন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজীম লাবিব। 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে অগ্নিবীণা হলের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় লাবিব মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মাথায় ৬টি সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক সূত্রমতে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনের সামনে। সেখানে খোলামেলাভাবে গাঁজা খাওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে সদস্য সচিবের অনুসারী রাশেদুল হাসান রাতুল চারুকলা বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে জেরা করে। পরে তাদের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। চারুকলা বিভাগের সেই শিক্ষার্থীরা আহ্বায়ক হাবিবের অনুসারী। এরপরে আহ্বায়ক হাবিবের এক মিছিলে এই ঘটনার রেশ ধরে রাতুল ও সদস্য সচিবের অন্যান্য অনুসারীদের সাথে পুণরায় বাকবিতন্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।

এ ঘটনার সময় সদস্য সচিব মামুন সরকারকে নিয়ে কটু কথা বলার অভিযোগে বিদ্রোহী হল থেকে যুগ্ম-আহ্বায়ক ইনানকে অগ্নিবীণা হলের সামনে নিয়ে আসেন সদস্য সচিব ও তার অনুসারীরা। পরে অগ্নিবীণা হলের সামনে আহ্বায়ক হাবিবের অনুসারীরা উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মাঝে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষকে উস্কে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহাবুল আলম, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। 

সংঘর্ষের পর এক পক্ষ অগ্নিবীণা হল ও আরেক পক্ষ বিদ্রোহী হলে অবস্থান নেয়। এসময় ক্যাম্পাস জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

আহত তানজীম লাবিব বলেন, আমাদের সবাই অগ্নিবীণা হলের ভিতরে চলে গেলেও শাহাবুল আলম হলের গেইট বন্ধ করে দেয়ায় আমি ও ইসরাফিল ভাই ভিতরে যেতে পারি নি। এসময় অপর পক্ষের সবাই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা করে ও হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমি ছাত্রলীগ বিরোধী মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন দিকে একটা হট্টগোল শুরু হয়। যেখানে সাবেক ছাত্রলীগ করা লোকজন যারা এখন ছাত্রদলের একটি গ্রুপে অনুপ্রবেশ করেছে তারা ছিলো। আমি সেখান থেকে সবাইকে সরিয়ে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে এই ছাত্রলীগের ছেলেপেলেরা একজন যুগ্ম-আহ্বায়ককে নিয়ে যায়। পরে সেখানে উপস্থিত হলে ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে হাতাহাতির ঘটনা হয়।

ঘটনার বিষয়ে সদস্য সচিব মামুন সরকার বলেন, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিনিয়র জুনিয়রদের বাকবিতন্ডা থেকে আমি বিষয়টা মিমাংসার জন্য ইনানকে অগ্নিবীণা হলের সামনে নিয়ে আসি। তখন সেখানে শাখা ছাত্রদলের সাবেক কয়েকজন নেতা উপস্থিত হয়ে ঘটনাকে উস্কে দেয় ও মারামারির ঘটনা ঘটায়। চিহ্নিত ছাত্রলীগ করা অনুপ্রবেশকারীরা এই ঝামেলাগুলো করছে। বারবার তারা মারামারির পথে যাচ্ছে। আমি চাই ক্যাম্পাসে সুস্থ রাজনীতির চর্চা হোক এবং সাবেকরা যেন ক্যাম্পাসের রাজনীতিতে প্রভাব না ফেলে।

নিজের পক্ষে ছাত্রলীগ অনুপ্রবেশের অভিযোগের বিষয়ে মামুন সরকার বলেন, যারা পূর্বে চাপে পরে ছাত্রলীগ করেছে কোন পদে ছিলো না, খারাপ কাজে সম্পৃক্ত ছিলো না ও জুলাইয়ের পক্ষে ছিল তাদের মধ্যে যারা ছাত্রদলকে ধারণ করতে চেয়েছে আমি তাদের জায়গা দিয়েছি। কিন্তু অন্য পক্ষে ছাত্রলীগের সভাপতিকে রান্না করে খাওয়ানো লোকজনও আছে তারা নিজেদের বিষয়ে অভিযোগ তুলছে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ছাত্রদলের নিজেদের মাঝে একটা ঝামেলা হয়েছিল। পরে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে গত (২৮ জুলাই) মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা থেকে (২৯ জুলাই) বুধবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত তিন দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ২ জন আহত হয়।