রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সরেজমিনে গাংনী ধানখোলা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট শিক্ষক- শিক্ষার্থী অনুপস্থিত তবুও বেতন উত্তোলন

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর: দিনের পর দিন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, পাওয়া যায়নি শিক্ষার্থী হাজিরা খাতা, ক্লাসরুমে ঝুলছে তালা। এমন চিত্র দেখা গেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে। নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম না থাকলেও মাসের শেষে সরকারি তহবিল থেকে ঠিকই বেতন- ভাতা তুলছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এমপিওভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল চিত্র নিয়ে স্থানীয়দের […]

সরেজমিনে গাংনী ধানখোলা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট শিক্ষক- শিক্ষার্থী অনুপস্থিত তবুও বেতন উত্তোলন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:১৩

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর:

দিনের পর দিন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, পাওয়া যায়নি শিক্ষার্থী হাজিরা খাতা, ক্লাসরুমে ঝুলছে তালা। এমন চিত্র দেখা গেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে। নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম না থাকলেও মাসের শেষে সরকারি তহবিল থেকে ঠিকই বেতন- ভাতা তুলছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এমপিওভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল চিত্র নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন বাড়ছে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির পুরো এলাকা জুড়ে চরম নীরবতা। একাধিক ক্লাসরুমে তালা ঝুলছে, কোথাও কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নেই। অফিস কক্ষে পাওয়া যায় মাত্র চারজন শিক্ষক-কর্মচারী। অথচ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত জনবল ৯ জন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন অধ্যক্ষ, একজন প্রভাষক ও দুজন কর্মচারী।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা দেখাতে পারেননি কেউই। অধ্যক্ষের কক্ষে, প্রশাসনিক কক্ষে এবং শিক্ষক কক্ষে কোথাও কোনো উপস্থিতি রেজিস্টার পাওয়া যায়নি। এতে প্রকৃতপক্ষে শিক্ষার্থী রয়েছে কিনা, তারা নিয়মিত আসে কিনা তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ধানখোলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট ২০২২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। তবে বাস্তবে শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে দাবি করে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ৩২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তবে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ২২ জন শিক্ষার্থীর কোনো লিখিত নথি, ভর্তি রেজিস্টার বা প্রমাণপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে দুই শিক্ষাবর্ষের ভর্তি তথ্য নিয়েই চরম অসঙ্গতি ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।কর্মকর্তা বা শিক্ষক কোনো দৃশ্যমান তথ্য-প্রমাণ দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাঝে মাঝে কয়েকজন শিক্ষার্থী আসলেও কখনো হাজিরা খাতায় তাদের নাম প্রেজেন্ট করা হয় না। আবার কিছু কিছু শিক্ষক আসে যারা সপ্তায় একদিন এসে হাজিরা খাতায় পূর্ণাঙ্গ স্বাক্ষর করে যান।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহফিজুর রহমান শিলন বলেন, কিছু শিক্ষার্থী আছে, তবে নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না। নানা কারণে সমস্যা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের হাজিরা ও ভর্তি সংক্রান্ত কোনো লিখিত প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

ধানখোলা গ্রামের ছমির উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কলেজটিতে শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। কলেজটি দেখে মনে হয় একটি পরিত্যক্ত ভবন। নিয়মিত শিক্ষকরা যদি কলেজে না আসেন তাহলে শিক্ষার্থীর দিন দিন কলেজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে এটাই স্বাভাবিক।

রবিউল ইসলাম নামের একজন বলেন, সকালে প্রায় প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে আমাকে গাংনী যেতে হয়। কলেজটি কি কখনো খোলা দেখি নি। মাঝেমধ্যে কয়েকজন শিক্ষককে দেখা যায় পতাকা উত্তোলন করে বসে থাকতে। তবে শিক্ষার্থীর দেখা পাইনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধানখোলা গ্রামের একজন জানান, কলেজটিতে বিভিন্ন সময় অনৈতিক কার্যক্রম চলে। কেবলমাত্র শিক্ষকদের গাফেলতির কারণে কলেজটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে। প্রতি মাসে সরকার যেহেতু বেতন দিচ্ছে শিক্ষকদের উচিত নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা নেওয়া। তারা কোন ক্লাস পরীক্ষা না নিয়েই বসে বসে সরকারি টাকা উত্তোলন করছে। ফলে সরকারি টাকা কোন কাজেই আসছে না।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, কলেজটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা নেই বললেই চলে এর সত্যতা পেয়েছি। আগামী জানুয়ারিতে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে। আশা করি শিক্ষার পরিবেশ আবার নতুন করে ফিরবে। এরপরেও যদি শিক্ষকদের গাফেল হতে থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে বিষয়টি কানে এসেছে। শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।