বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ মেহেরপুরের গাংনীর বিভিন্ন মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদকে উপভোগ্য করে তোলার হাজার আয়োজন। অভিযাত বিপনী বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত, সবখানেই ব্যস্ততা। হাজার কোলাহল পেরিয়ে প্রিয় মানুষটির জন্য মানানসই পোশাকটি খুঁজে বের করার কী আপ্রাণ চেষ্টা, যেন ঝিনুক সেচে মুক্তার খোঁজ। বাঙালী ললনাদের ঐতিহ্যবাহী অনুসঙ্গ শাড়ি ছাড়াও তারা কিনছেন সালোয়ার […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৫, ১৪:১৪

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

মেহেরপুরের গাংনীর বিভিন্ন মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদকে উপভোগ্য করে তোলার হাজার আয়োজন। অভিযাত বিপনী বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত, সবখানেই ব্যস্ততা।

হাজার কোলাহল পেরিয়ে প্রিয় মানুষটির জন্য মানানসই পোশাকটি খুঁজে বের করার কী আপ্রাণ চেষ্টা, যেন ঝিনুক সেচে মুক্তার খোঁজ। বাঙালী ললনাদের ঐতিহ্যবাহী অনুসঙ্গ শাড়ি ছাড়াও তারা কিনছেন সালোয়ার কামিজ।

ছেলেরা ঈদবাজারে জুতসই পাঞ্জাবি কিনছেন। তবে গরমে ঈদ হওয়ায় ছেলে মেয়েরা সবাই সূতি কাপড়ের প্রতি আগ্রহী।

উপজেলার বিভিন্ন অভিজাত বিপনী বিতান শপিংমল এমনকি ফুটপাত উপচেপড়া ভিড়। সকাল থেকে দুপুর ও বিকেল থেকে সন্ধ্যারাত পর্যন্ত রূপ নেয় ক্রেতা ও দর্শনার্থী সমুদ্রে। উদ্দেশ্য আসন্ন ঈদুল ফিতরের জন্য নতুন পোশাক এবং অন্যান্য অনুষঙ্গ কেনা।

গেল বছরের তুলনায় একটু দাম বেশি বলেও দাবী ক্রেতাদের। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে দরকসাকসির শেষে বাড়ি ফেরার পথে সবার হাতেই থাকছে এক বা একাধিক নতুন কাপড়ে ভরা ব্যাগ।

শাড়ী ছাড়া বাঙ্গালী নারীর কোন অনুষ্ঠানই যেন বেমানান। সেই শাড়ীর সাথে রয়েছে নারীদের নাড়ীর টান বাঙ্গালীয়ানা। সেই টানেই তারা ছুটে চলেছেন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে শাড়ী কিনতে। দোকানে পাওয়া যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাতান, বালিচুরি, রাজশাহী সিল্ক।

পাবনার তাঁতের শাড়ি যেমন নারীদের মন কাড়ছে তেমনি টাঙ্গাইলের গ্রামীণ চেকও নারীদের মন মাতিয়ে তুলেছে।

তুলনা মূলকভাবে শাড়ীর দাম নাগালের মধ্যে। এবারে গরমকালে ঈদ। তাই সকলে সূতী কাপড়ে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন কাজল বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান কাজল ও বম্বের আলাউদ্দীন।

সুইয়ের ফোঁড়ে লুকিয়ে থাকা সুন্দর কারুকাজের পাঞ্জাবি আর সাদামাটা নকশার ও ঝাকঝকহীন কারুকাজের পাঞ্জাবির সঙ্গেও মিলিয়ে অনেক ক্রেতা কিনছেন পছন্দসই কটি। শর্ট পাঞ্জাবিও বিক্রি হচ্ছে তবে তুলনামূলক কম।

পাঞ্জাবির কলার, হাতা বা বুকের সামনে আছে নানা ধরনের নকশা। লম্বা পাঞ্জাবিতে কলার ও বুকের দিকে থাকছে পুঁতি বা সুতার কাজ। আছে লম্বা, সেমিলম্বা, শর্ট, ঢিলেঢালা, আঁটসাঁট পাঞ্জাবি। 

জামান গার্মেন্ট্স এর মালিক জামান জানান, পাঞ্জাবী ছাড়াও একটু রূচীশীল ক্রেতারা কিনছেন কারুকাজ খচিত ফতুয়া। দামও সাধ এবং সাধ্যের নাগালে। বিভিন্ন দোকানে প্রকার ভেদে পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকায়।

ফতুয়ায় আছে নতুনত্বের ছোঁয়া। জুড়ে দেয়া আছে বাড়তি পকেট। এসব ফতুয়া পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। 

মেয়েদের পোশাকের মধ্যে এবার পাথরের কাজের তুলনায় সুতার কাজের কামিজগুলো ভালো চলছে। বিাভিন্ন দোকান ঘুরে দোকানী ও ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুঁথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার-কামিজের চাহিদা আছে বেশ।

সূতি পোশাকের চাহিদাটা একটু বেশি। এ চাহিদা বেশি থাকার কারণ মূলত গরম। এছাড়া গরমে হালকা রঙের প্রাধান্য থাকলেও উৎসবের কারণে গাঢ় রঙের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশ।

গাড়াডোব গ্রামের গৃহবধু সানজিদা জানান, পরি, পাকিস্তানি, সারারা, গারারা, প্রজাপতিসহ নানা ডিজাইনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। কাজ ভেদে এসব পোশাকের দাম পড়ছে আড়াই হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। আরো বেশি দামের পোশাকও আছে।

দামের ব্যাপারে জানতে চাইলে ক্রেতারা জানান, গেল ঈদের চেয়ে এবার পোশাকের দাম একটু বেশি। তারপরও কাঙ্খিত অনুসঙ্গ কিনতে পেরে তারা খুশি বলে জানালেন গাংনীর সেনা সদস্য হাসান। 

এদিকে পোশাকের সাথে মিলিয়ে জুতা আর হাল্কা প্রসাধনী কেনার পালা। স্বল্প দামে টেকসই পাদুকাটা চাচ্ছেন তারা। তবে মেয়েদের একটু বাড়তি কেনাকাটার মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী। সাজু গুজু করে মনটা রাঙানোর পাশাপাশি হাতটা রাঙাতে হবে। তাই মেহেদী কেনারও ধুম পড়েছে তাদের।

বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরী মেহেদী বাজারে পাওয়া গেলেও বেশী বিক্রি হচ্ছে রাঙাপরী। সাথে থাকা স্বামী ভাই বন্ধু বা প্রেমিকের পকেট ফাঁকা হলেও মেয়েদের সেদিকে যেন কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ছেলেরাও সম্মান বাঁচাতে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন। 

মধ্য ও নিম্ন বিত্তদের ভরসার স্থান ফুটপাথের বাজারও বেশ জমজমাট। নি¤œ আয়ের ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। কি নেই এখানে? অভিজাত বিপণিতে যা পাওয়া যায় ঠিক একই ধরনের অনুষঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

কয়েকজন জানালেন, ফুটপাথে সালোয়ার কামিজ ও বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। শার্ট ও গেঞ্জি বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য অনুষঙ্গের তুলনায় কম।

গাংনী থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, ক্রেতা বিক্রেতাদের নির্বিঘœ কেনা কাটা ও বাড়তি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ ১৭-০৩-২৫ ইং।

মেহেরপুরের গাংনীর বিভিন্ন মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদকে উপভোগ্য করে তোলার হাজার আয়োজন। অভিযাত বিপনী বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত, সবখানেই ব্যস্ততা।

হাজার কোলাহল পেরিয়ে প্রিয় মানুষটির জন্য মানানসই পোশাকটি খুঁজে বের করার কী আপ্রাণ চেষ্টা, যেন ঝিনুক সেচে মুক্তার খোঁজ। বাঙালী ললনাদের ঐতিহ্যবাহী অনুসঙ্গ শাড়ি ছাড়াও তারা কিনছেন সালোয়ার কামিজ।

ছেলেরা ঈদবাজারে জুতসই পাঞ্জাবি কিনছেন। তবে গরমে ঈদ হওয়ায় ছেলে মেয়েরা সবাই সূতি কাপড়ের প্রতি আগ্রহী।

উপজেলার বিভিন্ন অভিজাত বিপনী বিতান শপিংমল এমনকি ফুটপাত উপচেপড়া ভিড়। সকাল থেকে দুপুর ও বিকেল থেকে সন্ধ্যারাত পর্যন্ত রূপ নেয় ক্রেতা ও দর্শনার্থী সমুদ্রে। উদ্দেশ্য আসন্ন ঈদুল ফিতরের জন্য নতুন পোশাক এবং অন্যান্য অনুষঙ্গ কেনা।

গেল বছরের তুলনায় একটু দাম বেশি বলেও দাবী ক্রেতাদের। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে দরকসাকসির শেষে বাড়ি ফেরার পথে সবার হাতেই থাকছে এক বা একাধিক নতুন কাপড়ে ভরা ব্যাগ।

শাড়ী ছাড়া বাঙ্গালী নারীর কোন অনুষ্ঠানই যেন বেমানান। সেই শাড়ীর সাথে রয়েছে নারীদের নাড়ীর টান বাঙ্গালীয়ানা। সেই টানেই তারা ছুটে চলেছেন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে শাড়ী কিনতে। দোকানে পাওয়া যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাতান, বালিচুরি, রাজশাহী সিল্ক।

পাবনার তাঁতের শাড়ি যেমন নারীদের মন কাড়ছে তেমনি টাঙ্গাইলের গ্রামীণ চেকও নারীদের মন মাতিয়ে তুলেছে। তুলনা মূলকভাবে শাড়ীর দাম নাগালের মধ্যে। এবারে গরমকালে ঈদ।

তাই সকলে সূতী কাপড়ে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন কাজল বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান কাজল ও বম্বের আলাউদ্দীন।

সুইয়ের ফোঁড়ে লুকিয়ে থাকা সুন্দর কারুকাজের পাঞ্জাবি আর সাদামাটা নকশার ও ঝাকঝকহীন কারুকাজের পাঞ্জাবির সঙ্গেও মিলিয়ে অনেক ক্রেতা কিনছেন পছন্দসই কটি। শর্ট পাঞ্জাবিও বিক্রি হচ্ছে তবে তুলনামূলক কম।

পাঞ্জাবির কলার, হাতা বা বুকের সামনে আছে নানা ধরনের নকশা। লম্বা পাঞ্জাবিতে কলার ও বুকের দিকে থাকছে পুঁতি বা সুতার কাজ। আছে লম্বা, সেমিলম্বা, শর্ট, ঢিলেঢালা, আঁটসাঁট পাঞ্জাবি। 

জামান গার্মেন্ট্স এর মালিক জামান জানান, পাঞ্জাবী ছাড়াও একটু রূচীশীল ক্রেতারা কিনছেন কারুকাজ খচিত ফতুয়া। দামও সাধ এবং সাধ্যের নাগালে। বিভিন্ন দোকানে প্রকার ভেদে পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকায়।

ফতুয়ায় আছে নতুনত্বের ছোঁয়া। জুড়ে দেয়া আছে বাড়তি পকেট। এসব ফতুয়া পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। 

মেয়েদের পোশাকের মধ্যে এবার পাথরের কাজের তুলনায় সুতার কাজের কামিজগুলো ভালো চলছে। বিাভিন্ন দোকান ঘুরে দোকানী ও ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুঁথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার-কামিজের চাহিদা আছে বেশ।

সূতি পোশাকের চাহিদাটা একটু বেশি। এ চাহিদা বেশি থাকার কারণ মূলত গরম। এছাড়া গরমে হালকা রঙের প্রাধান্য থাকলেও উৎসবের কারণে গাঢ় রঙের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশ।

গাড়াডোব গ্রামের গৃহবধু সানজিদা জানান, পরি, পাকিস্তানি, সারারা, গারারা, প্রজাপতিসহ নানা ডিজাইনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। কাজ ভেদে এসব পোশাকের দাম পড়ছে আড়াই হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। আরো বেশি দামের পোশাকও আছে।

দামের ব্যাপারে জানতে চাইলে ক্রেতারা জানান, গেল ঈদের চেয়ে এবার পোশাকের দাম একটু বেশি। তারপরও কাঙ্খিত অনুসঙ্গ কিনতে পেরে তারা খুশি বলে জানালেন গাংনীর সেনা সদস্য হাসান। 

এদিকে পোশাকের সাথে মিলিয়ে জুতা আর হাল্কা প্রসাধনী কেনার পালা। স্বল্প দামে টেকসই পাদুকাটা চাচ্ছেন তারা। তবে মেয়েদের একটু বাড়তি কেনাকাটার মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী। সাজু গুজু করে মনটা রাঙানোর পাশাপাশি হাতটা রাঙাতে হবে। তাই মেহেদী কেনারও ধুম পড়েছে তাদের।

বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরী মেহেদী বাজারে পাওয়া গেলেও বেশী বিক্রি হচ্ছে রাঙাপরী। সাথে থাকা স্বামী ভাই বন্ধু বা প্রেমিকের পকেট ফাঁকা হলেও মেয়েদের সেদিকে যেন কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ছেলেরাও সম্মান বাঁচাতে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন। 

মধ্য ও নিম্ন বিত্তদের ভরসার স্থান ফুটপাথের বাজারও বেশ জমজমাট। নি¤œ আয়ের ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। কি নেই এখানে? অভিজাত বিপণিতে যা পাওয়া যায় ঠিক একই ধরনের অনুষঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

কয়েকজন জানালেন, ফুটপাথে সালোয়ার কামিজ ও বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। শার্ট ও গেঞ্জি বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য অনুষঙ্গের তুলনায় কম।

গাংনী থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, ক্রেতা বিক্রেতাদের নির্বিঘœ কেনা কাটা ও বাড়তি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।