রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাত্র সাত মাসেই পাঁচশ কোটি টাকার মালিক সাবেক সংসদ-সদস্য

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) আবুল কালাম আজাদ। সংসদ-সদস্য হিসাবে তার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। এর আগে তিনি তিনবার তাহেরপুর পৌরসভার মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। সংসদ-সদস্য ও মেয়র হিসাবে এক যুগ জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনকালে বাগমারায় কায়েম করেন ত্রাসের রাজত্ব। সশস্ত্র গ্যাংয়ের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ছিলেন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। একাধিকবার অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৪, ২০:৩১

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) আবুল কালাম আজাদ। সংসদ-সদস্য হিসাবে তার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। এর আগে তিনি তিনবার তাহেরপুর পৌরসভার মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। সংসদ-সদস্য ও মেয়র হিসাবে এক যুগ জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনকালে বাগমারায় কায়েম করেন ত্রাসের রাজত্ব। সশস্ত্র গ্যাংয়ের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ছিলেন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। একাধিকবার অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারও হয়েছেন তিনি।

জানা যায়, কালাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জমি ও পুকুর দখল এবং পৌরসভার ঠিকাদারির কাজ নামে-বেনামে করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এলাকাবাসী বলছেন, শুধু পুকুর খননের মাধ্যমেই কালাম মাত্র কয়েক মাসে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় তিনশ কোটি টাকা। তিন মেয়াদে পৌরসভা থেকে ঠিকাদারির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন শতকোটি টাকা। এছাড়া তার নিজের মালিকানায় রয়েছে প্রায় দুইশ বিঘা আয়তনের ৩০টি পুকুর। লিজ নিয়ে প্রায় পাঁচশ বিঘা পুকুরে মাছ চাষ করেন কালাম।

এগুলোর মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। ঢাকা ও রাজশাহীতে রয়েছে তার ফ্ল্যাট ও প্লট। তাহেরপুর বাজারে রয়েছে দখল করা জমি। গ্রামে কিনেছেন প্রায় ৪০ বিঘা জমি। টয়োটা কোম্পানির ল্যান্ড ক্রুজার ব্র্যান্ডের দেড় কোটি টাকা মূল্যের গাড়িতে চড়েন। এগুলোর মূল্যও আরও প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা। এভাবে দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও সব মিলিয়ে কালাম এখন অন্তত পাঁচশ কোটি টাকার মালিক।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কালাম এবং তার স্ত্রী তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র সায়লা পারভীনকে বাগমারায় দেখা যায়নি। এলাকাবাসী বলছেন, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এ দম্পতি গা-ঢাকা দিয়েছে। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলম জানান, বাগমারার সাবেক সংসদ-সদস্য কালাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

জানা যায়, প্রকৌশলী এনামুল হক ২০০৮ সালে এ আসনের সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এর তিন বছর পর কালাম সাবেক বিতর্কিত সংসদ-সদস্য এনামুলের সঙ্গে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। বাগমারার ১৫টি ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ নেন এনামুল। আর কালামের নিয়ন্ত্রণে ছিল দক্ষিণ বাগমারা বলে পরিচিত তাহেরপুর ও গোয়ালকান্দি। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মেয়র থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন কালাম। মনোনয়ন পেয়েই গোটা বাগমারায় ত্রাস সৃষ্টি করেন তিনি।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি তাহেরপুর পৌরসভায় স্ত্রী সায়লা পারভীনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী করেন। কালামের ভয়ে অন্য কেউ আর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস পাননি। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, গত সংসদ নির্বাচনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কালামকে কয়েক দফা শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। এ সময় তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন মামলাও করে।

এরপর নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাহেরপুর পৌরসভা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানাকে সঙ্গে নিয়ে বাগমারা ও পাশের দুর্গাপুর উপজেলায় মানুষের জমি জোর করে দখল করে পুকুর কাটা শুরু করেন কালাম। মাত্র সাত মাসের মধ্যে বাগমারা ও দুর্গাপুরে অন্তত তিন হাজার বিঘা পুকুর খনন করা হয়। এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেন প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। বাগমারা উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সরকার বাবু ওরফে আর্ট বাবু বলেন, আমি নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নিতে চেয়েছিলাম; কিন্তু কালাম ও তার সশস্ত্র বাহিনী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ফলে আমার মতো অন্যরাও নির্বাচনে অংশ নেননি।

তাহেরপুর সদরের স্থানীয়রা জানান, কালাম মেয়র থাকা অবস্থায় তাহেরপুর বাজারে অন্তত ৮ কোটি টাকা মূল্যের একটি জমি দখল করে নেন। ওই জায়গাটি তাহেরপুর মন্দিরের নামে থাকলেও তাহেরপুর কলেজ জায়গাটি ব্যবহার করত। কিন্তু কালাম মেয়র হয়ে সেটি দখল করে পাঁচতলা মার্কেট গড়ে তোলেন। কালাম পৌরসভার রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন উন্নয়নকাজের ঠিকাদারি তার সহযোগীদের লাইসেন্সে তিনি নিজেই করতেন। এভাবে তিনি তিন মেয়াদে মেয়র থাকাকালে শুধু পৌরসভা থেকেই ঠিকাদারি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অন্তত শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়া গ্রামে তার একটি দোতলা আলিশান বাড়ি রয়েছে। রাজশাহী শহরের বড় বনগ্রাম এলাকায় রয়েছে ১০ কাঠা জমি। রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় এবং ঢাকায় রয়েছে ফ্ল্যাট। এদিকে যুবদল নেতাকে গুলির ঘটনায় ১৭ আগস্ট কালাম ও স্ত্রী সায়লা পারভীনসহ ২২ জনের নামে মামলা করেছেন আব্দুল মতিন নামের এক ব্যক্তি। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ১২ বছর ধরে বামগারায় কালাম বাহিনী ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। পান থেকে চুন খসলেই তার বাহিনীর হাত থেকে এলাকার নিরপরাধ মানুষ রক্ষা পায়নি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।