মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

জোবায়েদের বাঁচার আকুতিতে বর্ষার জবাব ‘তুমি না সরলে আমি মাহীরের হতে পারব না’

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে তার ছাত্রী ও প্রেমিকা বারজিস সাবনাম বর্ষার নাম। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন বর্ষার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান।

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:০৭

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে তার ছাত্রী ও প্রেমিকা বারজিস সাবনাম বর্ষার নাম। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন বর্ষার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার সময় ঘাতক মাহীরের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত জোবায়েদ রক্তাক্ত অবস্থায় সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়ে প্রাণভিক্ষা চাইলে বর্ষা ঠান্ডা মাথায় বলে ওঠে,

“তুমি না সরলে আমি মাহীরের হতে পারব না।”

কিছুক্ষণের মধ্যেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এসএন নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পুরান ঢাকার বংশাল থানার নুরবক্স লেনের একটি বাসায় টিউশন করতে যেতেন। সেখানে তার ছাত্রী বর্ষার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু একই সময়ে বর্ষা মাহীর রহমান নামের এক তরুণের সঙ্গেও সম্পর্কে ছিলেন। দুই সম্পর্কের টানাপোড়েনে পড়ে বর্ষা নিজেই হত্যার পরিকল্পনা সাজান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় বর্ষা, তার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান এবং মাহীরের বন্ধু ফারদিন আহমেদ আইলানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহীর স্বীকার করেছে, প্রথমে শুধু জোবায়েদকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু বর্ষার অনুরোধে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

২৬ সেপ্টেম্বর বর্ষা ও মাহীর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। পরে ১৯ অক্টোবর মাহীর ও আইলান ছুরি নিয়ে বর্ষার বাসায় অবস্থান নেয়। বর্ষা নিজেই শিক্ষক ও প্রেমিক জোবায়েদকে বাসায় আসতে বলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে বর্ষা থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাহীর ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান জোবায়েদ।

অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম জানান, মাহীর ও বর্ষা একই ভবনে ভাড়া থাকতেন এবং দেড় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। অন্যদিকে জোবায়েদ প্রায় এক বছর ধরে বর্ষাকে পড়াতেন। বর্ষা যখন যার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন, তাকেই প্রাধান্য দিতেন। এই অবস্থায় মাহীরকে তিনি বলেন, “জোবায়েদকে না সরালে আমি তোমার হতে পারব না।” সেই কথাই পরিণত হয় হত্যার নৃশংস বাস্তবতায়।

তিনি আরও জানান, মাহীরকে গ্রেফতারে পুলিশের কৌশল ছিল আলাদা। পুলিশের চাপের মুখে মাহীরের মা তাকে থানায় হস্তান্তর করেন, যদিও এটি স্বেচ্ছায় নয়, বরং পুলিশের কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।

অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা পুরোপুরি বর্ষার। বরগুনার মিন্নি ঘটনার সঙ্গে এর মিল আছে। এখানে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, এটি নিছক ত্রিভুজ প্রেমের পরিণতি।”

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ‘পিচ্চি রাজা’

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:২৪

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। তিনি জানান, কিছু সময় আগে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় আনা হচ্ছে।

এডিসি জুয়েল রানা অভিযানের বিবরণ দিয়ে জানান, পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী এবং শ্যালক নেপাল থেকে বিমানে করে দেশে ফিরছেন—এমন একটি সুনির্দিষ্ট ও গোপন খবর আসে পুলিশের কাছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল আগে থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান নেয়।

বিমান থেকে নামার পরপরই তাকে ও তার সহযোগীদের আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ২৫ থেকে ২৭টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, পিচ্চি রাজা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে বড় ধরনের মাদক সিন্ডিকেট ও কারবারের সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ছিলেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরও তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে সময় তার আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। জামিনে বেরিয়ে আবারও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়া এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের ফলে রাজধানীর মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় সাফল্য আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।

রাজধানী

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। বিস্তারিত আসছে…

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ জুন ২০২৬, ২৩:৫৬

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।

বিস্তারিত আসছে…