সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা আল দুহাইলান আরও বলেন, আরামকো এখনো বাংলাদেশে আসতে চায়। কোম্পানিটি বঙ্গোপসাগরে একটি তেল শোধনাগার স্থাপন করতে চায়, যা বাংলাদেশের পাশাপাশি এ অঞ্চলের তেল সরবরাহে সহায়ক হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “যদি চট্টগ্রাম ও জেদ্দা বা দাম্মামের মধ্যে একটি সমুদ্রপথ স্থাপন করা যায়, তবে এটি বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের জন্য আমূল পরিবর্তন আনতে পারে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত শোধনাগারের পণ্যগুলো চীন, ভারত এবং আশপাশের অন্যান্য দেশে রপ্তানি করা সম্ভব।
বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের গুরুত্ব
সালেহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বহুস্তরীয় সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের বাণিজ্য বর্তমানে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও এর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।”
তিনি বলেন, “বিনামূল্যের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অনেক দেশ আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে এর জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার একা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। এর জন্য বেসরকারি খাতের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন, পররাষ্ট্র সচিব (পূর্ব) মো. নজরুল ইসলাম এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তারা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।