শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ আসছে পাকিস্তানের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল

ট্রেডিং করপোরেশন অব পাকিস্তানের (টিসিপি) ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের মাঝেই এবার দেশটির উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সফরে আসছেন। ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফপিসিসিআই) ২৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এক […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৫, ১৩:১৪

ট্রেডিং করপোরেশন অব পাকিস্তানের (টিসিপি) ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের মাঝেই এবার দেশটির উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সফরে আসছেন।

ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফপিসিসিআই) ২৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আসছেন পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা। এতে নেতৃত্ব দেবেন এফপিসিসিআইয়ের সভাপতি আতিফ ইকরাম শেখ এবং সিনিয়র সহসভাপতি সাকিব ফায়াজ মাগুন। এই প্রতিনিধিদলে পাকিস্তানের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা থাকবেন।

সফরকালে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে পাকিস্তান হাইকমিশনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ৬ জানুয়ারি ট্রেডিং করপোরেশন অব পাকিস্তানের (টিসিপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ রাফিউ বশির শাহের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) এই প্রতিনিধিদলটির সদস্যরা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। জানা গেছে, ওই বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে। বিশেষ করে চাল আমদানি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি পাকিস্তানের করাচি থেকে দুটি কনটেইনার বহনকারী জাহাজ সরাসরি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য নিয়ে আসার পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্যে সম্ভাবনা দেখছেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার আহমদ মারুফ জানান, পাকিস্তান যেতে ভিসা ফি লাগবে না বাংলাদেশি নাগরিকদের। পাকিস্তানের নতুন ভিসা নীতিমালা অনুযায়ী, ১২৬টি দেশের মতো বাংলাদেশও এই সুবিধা পাবে।

বানিজ্য

বাজারের ব্যাগ ভরতে বাড়তি খরচ, ডিমের হালি ৫৫ টাকা

রাজধানীর বাজারে ডিম, সবজি ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৬৫ টাকা এবং অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪০

রাজধানীর বাজারে একই সঙ্গে বেড়েছে ডিম, সবজি ও সয়াবিন তেলের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা যোগ হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে হালিপ্রতি ৫৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।

আমিষের সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে পরিচিত ফার্মের ডিমের দাম এখন প্রতি ডজন ১৬৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ডজন হিসেবে কিনলেও এখন আর আগের মতো দাম কম রাখার সুযোগ নেই।

তেল-সবজিতেও বাড়তি চাপ

নতুন দাম নির্ধারণের পরও খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গত সপ্তাহের তুলনায় লিটারে ৫ টাকা বেড়ে তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকায়।

সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। আগাম শিম কিনতে সবচেয়ে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম উঠেছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া গেলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা ও গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। বরবটি, ঝিঙে, করলা ও কচুরমুখির কেজি ৮০ টাকা। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম রাখা হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন একই পরিমাণ মরিচ কিনতে দিতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। তবে পেঁপের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা থাকায় এই সবজিতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

বাজার করতে আসা ইব্রাহিম জানান, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অন্তত ১০ টাকা করে বেড়েছে। ৮০ টাকার নিচে খুব কম সবজি পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো ও বেগুনের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের কেজিও ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

শাকের দামে তুলনামূলক স্বস্তি

অন্যান্য সবজির তুলনায় শাকের দাম কম রয়েছে। লাল ও কলমি শাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, কচু শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং ডাঁটা শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি পুঁইশাকের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ শাকের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

মাংস স্থির, মাছের বাজার চড়া

মুরগি ও গরুর মাংসের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতেও ক্রেতাদের বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। রুই-কাতলা পাওয়া যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। বড় রুইয়ের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা হলেও মাঝারি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

চিংড়ির কেজি আকারভেদে এক হাজার থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ও শোল ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

চাষের কই প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছসহ কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। দেশি ও বেশি চাহিদাসম্পন্ন মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে নদীর বেলে মাছ কিনতে এক হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে।

বানিজ্য

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট […]

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম।

আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৪টি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।