সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

১২ তারিখে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ এসেছে : জামায়াত আমীর

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইলঃ জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামি ১২ তারিখ জাতীয় নির্বাচন। এবার সাড়ে ১৪শ’ শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন। এই নির্বাচন আন্দোলনে পঙ্গুত্ব বরণ করা ৩৪ হাজার আহতের নির্বাচন। এই নির্বাচন শহীদ পরিবারের হাহাকারের নির্বাচন। অতএব এই দৃষ্টিকোণ থেকে নির্বাচন করতে হবে। এই নির্বাচনে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ আমাদের হাতে […]

১২ তারিখে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ এসেছে : জামায়াত আমীর

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:১৬

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইলঃ

জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামি ১২ তারিখ জাতীয় নির্বাচন। এবার সাড়ে ১৪শ’ শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন। এই নির্বাচন আন্দোলনে পঙ্গুত্ব বরণ করা ৩৪ হাজার আহতের নির্বাচন। এই নির্বাচন শহীদ পরিবারের হাহাকারের নির্বাচন।

অতএব এই দৃষ্টিকোণ থেকে নির্বাচন করতে হবে। এই নির্বাচনে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ আমাদের হাতে এসেছে। বুধবার(৪ ফেব্রয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচনে দুটি ভোট। প্রথম ভোট ‘হ্যা’ এর পক্ষে- ইনশাল্লাহ। ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ জিতবে। ‘না’ ভোট জিতলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামী। অনেকে ইতোপূর্বে ‘হ্যাঁ’-ও বলে নাই, ‘না’-ও বলে নাই।

এখন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলছেন- অভিনন্দন, মোবারকবাদ। ‘হ্যা’ঁ ভোটের সাথে যারা থাকবে, তারা প্রমাণ করবে যে তারা চাঁদাবাজের সাথে নাই, দুর্নীতির সাথে নাই, মামলাবাজের সাথে নাই, মা-বোনদের অপমানের সাথে নাই। তারা আছে নতুন বাংলাদেশের সাথে, তারা আছে ২৪ এর আকাঙ্খার সাথে। আমরা সেই আকাঙ্খাকে সম্মান করে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব ইনশাল্লাহ।

দ্বিতীয় ভোটটা দেশ গড়ার ভোট। আগামিতে যারা সরকার চালাবে তারা, যারা অতীতে ভালো মানুষ প্রমাণিত হয়েছে তারা। বারবার সুযোগ পেয়েও যারা দুর্নীতিতে বিভিন্নভাবে লিপ্ত হয়ে পরেছিল- তাদের নতুন করে আর দেখার কিছু নাই। এমনকি এখনো যারা দুর্নীতিতে লিপ্ত আছে তাদেরকে আর নতুন করে দেখার সুযোগ নাই।

তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা ১১টি দল একত্রিত হয়েছি। আমরা প্রত্যেকটি দল নিজেদের সম্মান মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে নিজের দলের পক্ষে আমরা সবাই খেটে ইনশাল্লাহ বিজয় আনবো। অতীতে ৫৪ বছরে অনেক নির্বাচন হয়েছে, সরকারও গঠন হয়েছে।

ভোটের আগে অনেকে অনেক ওয়াদা করেছে কিন্তু ভোটের পর ওয়াদা ওয়াদাই থেকে গেছে। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম মাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল- এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল।

তারা একটি মাত্র স্লোগান ‘উই মাষ্ট জাষ্টিস’ দিয়ে পথে নেমেছিল। তারা বলেছিল, আমরা ন্যায় বিচার চাই, বাঁচার জন্য অধিকার চাই, শিশুর জন্য শিক্ষা চাই, যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই, মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই, ব্যবসায়ীদের জন্য শান্তিতে ব্যবসা করার অধিকার চাই, শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই, কৃষকের জন্য জমিতে ফসল ফলানোর নিরাপদ ও উন্নত সরঞ্জাম চাই। এসব চাওয়া কী তাদের অপরাধ ছিল?

এ সময় জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুর রহমান জেলার ৮টি আসনের দলীয় ও শরিক দলের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা ও শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেন। তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল-১(মধুপুর-ধনবাড়ি) পার্লামেন্টারিয়ান সিটে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী,

টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) সিটে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো. হুমায়ুন কবীর, টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) সিটে জামায়াতে ইসলামীর খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৫(সদর) সিটে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ, টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) সিটে জামায়াতে ইসলামীর একেএম আব্দুল হামিদ,

টাঙ্গাইল-৭(মির্জাপুর) সিটে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন তালুকদার, টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) এ সিটে জামায়াতে ইসলামীর মো. শফিকুল ইসলাম খানের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) সিটে এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লা হায়দারের হাতে শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেন।

টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে ওই নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের নেতা ও প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।