বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শাকসু নির্বাচন স্থগিতের পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত, রয়েছে : সাদিক কায়েম

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর এর পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেওয়া হলে জাতীয় নির্বাচনেও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন সংগঠনটির নেতারা। শাকসু নির্বাচন স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশের পর ‘শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে আজ সোমবার বিকেলে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৮

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর এর পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেওয়া হলে জাতীয় নির্বাচনেও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন সংগঠনটির নেতারা।

শাকসু নির্বাচন স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশের পর ‘শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে আজ সোমবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর শাখা। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এর আগে এদিন দুপুরে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে শাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে ছাত্রদল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর ঢাকা মহানগর ছাত্রশিবিরের মিছিল শেষে সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম এর নেপথ্যে এক ‘লিডার’–এর কথা তোলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের “লিডার” নামে খ্যাত যিনি, আমরা শুনতে পেয়েছি, তাঁর নির্দেশে এই নির্বাচনকে (শাকসু) স্থগিত করার জন্য অপপ্রয়াস শুরু হয়েছে।’ ছাত্র সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত না করতেও ‘লিডার’–এর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সাদিক কায়েম ‘লিডার’–এর নাম বলেননি। তবে তাঁর বক্তব্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকে ইঙ্গিত করে। ১৭ বছর নির্বাসন শেষে তারেক রহমান গত ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সময় তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিএনপির পোস্টার–বিলবোর্ডে তাঁকে ‘লিডার’ সম্বোধন করা হয়। ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরাও তারেক রহমানকে ‘আমাদের লিডার’ সম্বোধন করছেন।

‘লিডার’–এর উদ্দেশে সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা আপনাকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে আপনি জুলুমের শিকার হয়েছেন। কিন্তু আপনি জালেম হয়ে উঠবেন না।’

শাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা হলে জাতীয় নির্বাচনে তার পরিণতি ভালো হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন ডাকসু ভিপি। তিনি বলেন, ‘এবারের যে জাতীয় নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের পরিণতি দেখিয়ে দেবে। আমরা চাই না আপনাদের বনাম ছাত্রসমাজ—এ ধরনের একটা সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হোক।’

২৮ বছর পর আগামীকাল মঙ্গলবার শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের কথা ছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যে এই ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়ে আসছিল ছাত্রদল। এর প্রতিবাদে গতকাল ও আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করে তারা। তার মধ্যেই একটি রিট আবেদনে হাইকোর্টের আদেশে শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আটকে যায়।

আদালতের রায়ের বিষয়ে সাদিক কায়েম বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সব সংগঠনের পক্ষ থেকে এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

ছাত্রদলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে একদল হারবে, একদল জিতবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে নির্বাচন কমিশনের সামনে দাঁড়িয়ে, মব তৈরি করে জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী চার কোটি তরুণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেবে, সেটা ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না।

সমাবেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ বলেন, ‘আমরা সরকারকে বলতে চাই, শাকসু নিয়ে টালবাহানা বন্ধ করুন। যদি বন্ধ না করেন, আমরা আগামীকাল থেকে দেশব্যাপী লাগাতার কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। এমন কর্মসূচি দেব, দেশ চালাতে আপনাদের হিমশিম খেতে হবে।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর এজিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দিন খান। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ।

এদিকে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে আগামীকাল মঙ্গলবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন, বুধবার সব জেলা সদরে বিক্ষোভ এবং বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রশিবির।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫