বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। ড. ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক […]

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৯

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

ড. ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার অবদান, দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তার প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রে ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তার আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।

অন্যান্য খবর

জীবনের প্রথম সিনেমায় মাত্র ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান

আনোয়ার আরমান : বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান। অভিনেত্রী রিনা খান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৫

আনোয়ার আরমান :

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।

সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান।

অভিনেত্রী রিনা খান জানান, ১৯৮২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সেই পাঁচ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হয়েছিল তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের পথচলা।

রিনা খানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি ৮০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও খলচরিত্রেই দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

পর্দায় ভয়ংকর ও কঠোর চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে রিনা খান অত্যন্ত সহজ-সরল ও আন্তরিক স্বভাবের একজন মানুষ।

বর্তমানে সিনেমাতে কম কাজ থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। নিয়মিত নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬৪

অন্যান্য খবর

‘কিছু সময় দিন, সবাই মিলে প্রজন্মকে বদলে দেব,জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব,ইনশাআল্লাহ: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেছেন, কিছু সময় দিন, প্রজন্মকে সবাই মিলে বদলে দিব। জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে আমরা সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব, ইনশাআল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর বারিধারায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) ২০২৬ উপলক্ষ্যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব […]

‘কিছু সময় দিন, সবাই মিলে প্রজন্মকে বদলে দেব,জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব,ইনশাআল্লাহ: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪২

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেছেন, কিছু সময় দিন, প্রজন্মকে সবাই মিলে বদলে দিব। জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে আমরা সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব, ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর বারিধারায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) ২০২৬ উপলক্ষ্যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, রাসূল (সা.) এর জীবনে উৎকৃষ্টতাই ছিলো প্রধান বিষয়। আমাদেরকে সকল ক্ষেত্রে উৎকৃষ্টতার দিকে যেতে হবে। তাহলে আমরা সফলকাম হতে পারব।

আল কুরআন থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চরিত্রে রয়েছে উত্তম আদর্শ এবং আল্লাহ পাক রাসূল (সা.) বিশ্ব জগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তিনি রাসূল (সা.) এর দেখানো পথ ও পদ্ধতি সর্বান্তকরণে বাস্তবায়নের চেষ্টা করার অনুরোধ জানান। এছাড়া, যে সকল বিষয় মহানবী (সা.) নিষেধ করেছেন সেগুলো থেকে দূরে থাকার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান তিনি।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন এনএসইউর ডিপার্টমেন্ট অব ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউল হক আদনান।

উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন একজন নিঃস্বার্থ ও মানবতাবাদী মানুষ। তার জীবন আমাদের দেখায়, একজন মানুষ কীভাবে শুধু একটি জাতির কল্যাণেই নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারেন।

প্রধান আলোচক ড. জিয়াউল হক আদনান মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন থেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরে বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন আমাদের ধৈর্য, মানবিকতা ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দেয়।

অন্যান্যের মধ্যে এনএসইউর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ. আহমেদ বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শেষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক এম এম নওয়াজ আমিন দোয়া পরিচালনা করেন।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।