রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কু্বির শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর ফাইনাল। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে মুখোমুখি হয়  বাংলা ব্লকড (বিজয়–২৪ হল) ও সুনীতি– এ (সুনীতি–শান্তি হল) দল। বির্তক প্রতিযোগিতায়  স্পিকার হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:০৬

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর ফাইনাল।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে মুখোমুখি হয়  বাংলা ব্লকড (বিজয়–২৪ হল) ও সুনীতি– এ (সুনীতি–শান্তি হল) দল।

বির্তক প্রতিযোগিতায়  স্পিকার হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম। বির্তকে বিজয়ী দল হলো বিজয়- ২৪ হলের দল বাংলা ব্লকেড। সেরা বিতার্কিক হয়েছে আবছার উদ্দিন ইফতি। 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা ঘিরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। আয়োজক হলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তি, উপস্থাপনাশৈলী এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে দক্ষতার ভিত্তিতে বিজয়ী দল নির্ধারণ করা হয়।

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিয়মিতভাবে হতে পারে কি না—এ নিয়ে অনেকের সংশয় থাকলেও প্রথম আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা তার সফল বাস্তব উদাহরণ তৈরি করেছে।

আয়োজকদের আন্তরিকতা, উদ্দেশ্য ও নিষ্ঠা স্পষ্ট হয়েছে পুরো আয়োজনজুড়ে। তিনি মনে করেন, বিতর্ক এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে যুক্তিবোধ, খণ্ডন, বিশ্লেষণ—এসবের নিয়মিত চর্চা মানুষকে আরও পরিশীলিত করে। এজন্য তিনি কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।’

তিনি আরও বলেন,’পাঁচটি হল থেকেই অসাধারণ সাড়া পাওয়া গেছে এবং প্রতিটি দলই জয়ের জন্য সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, যা অত্যন্ত সন্তোষজনক। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল প্রথমবারের মতো আন্তঃহল বিতর্ক আয়োজন করতে পেরে গর্বিত।

ফাইনালে “বিজয়–২৪ হল” ও “সুনীতি–শান্তি হল” দুই দলের প্রতিযোগিতা ছিল অত্যন্ত মানসম্মত। বিচারকদের রায়ের ভিত্তিতে বিজয়–২৪ হল চ্যাম্পিয়ন হলেও সুনীতি–শান্তি হলের মেয়েরা দারুণ পারফরমেন্স করে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। জয়–পরাজয় নয়, অংশগ্রহণ ও আগ্রহই সবচেয়ে বড়—উল্লেখ করে তিনি দুই দলকেই অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।’

বির্তক প্রতিযোগিতার স্পিকার ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যে কোনো আয়োজন—কনসার্ট হোক বা বিতর্ক—রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

ভোট বা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও পরিষ্কার হওয়া জরুরি যে সিদ্ধান্তটি প্যানেলভিত্তিক নাকি ব্যক্তিভিত্তিক; ‘প্যানেলকে ভোট দেব না কিন্তু প্যানেল থেকে কাউকে নেব’—এমন দ্বৈত অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। বিতর্কের মঞ্চে রাজনীতি নয়, যুক্তি ও ব্যক্তিগত দক্ষতাই প্রধান। তাই রাজনৈতিক বিভ্রান্তি দূর করতে ও ন্যায়সংগত পরিবেশ বজায় রাখতে একটি ক্লারিফিকেশন কমিটি থাকা প্রয়োজন, যারা নিয়ম ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।’

কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি  সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এটি সবার জন্যই এক গর্বের অর্জন।

ছেলেদের হলে মেয়েদের অংশগ্রহণ এবং তাদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত হওয়াকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক সংস্কৃতির দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, এ আয়োজন হল–সংস্কৃতির প্রচলিত কিছু মানসিক বাধা ভাঙতে সাহায্য করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে থেকে শুধুই বিতর্কের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিজয়ী ও পরাজিত উভয় দলকেই অভিনন্দন জানিয়ে সভাপতি বলেন, প্রথম আয়োজনেই এমন সাফল্য অত্যন্ত উৎসাহজনক।

কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির পক্ষ থেকে তিনি সকল অংশগ্রহণকারী, সহযোগী ও আয়োজন–সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিতর্ক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।