বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিদেশে নয় দেশেই চিকিৎসা চলবে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় আজ লন্ডন নেওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। আপাতত ঢাকায় রেখেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে। ফলে এ নিয়ে দুই দফা পিছিয়েছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের শিডিউল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে ১২-১৪ ঘণ্টা বিমানযাত্রা উপযুক্ত মনে করছে না তার মেডিকেল বোর্ড। প্রতিদিনই অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০:১১

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় আজ লন্ডন নেওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। আপাতত ঢাকায় রেখেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে। ফলে এ নিয়ে দুই দফা পিছিয়েছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের শিডিউল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে ১২-১৪ ঘণ্টা বিমানযাত্রা উপযুক্ত মনে করছে না তার মেডিকেল বোর্ড। প্রতিদিনই অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। মূল সমস্যা হলো একটি জটিলতা কেটে গেলে নতুন আরেকটি জটিলতা দেখা দেয়।

একটি রোগের প্যারামিটার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আরেকটি বেড়ে যায়। লিভারের দীর্ঘদিনের পুরোনো জটিলতা নিয়ন্ত্রণে এলেও কিডনি নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে মেডিকেল বোর্ড। শারীরিক অবস্থা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার কথা ভাবছে না বোর্ড।

সোমবার সন্ধ্যায় বোর্ডের একজন চিকিৎসক বলেন, ম্যাডামের অবস্থার উন্নতি আছে। তবে আহামরি বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণে সেরে ওঠতে সময় লাগবে। এ দফায় তার উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। তার মাল্টিপল ডিজিস (বহুমুখী জটিলতা) থাকায় একটি রোগ থেকে সেরে উঠলে আরেকটি দেখা দেয়।

লিভার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি জটিলতায় বেশ ভুগছেন। কিডনির ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বর্ডার লাইন (ঝুঁকিপূর্ণ সীমা) অতিক্রম করেছে বেশ আগেই। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখাই কষ্ট হচ্ছে। এখানে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। প্রতিনিয়ত ডায়ালাইসিস দিতে হচ্ছে। ডায়ালাইসিস বন্ধ করলেই কিডনির অবস্থার অবনতি হয়।

তিনি বলেন, সিসিইউতে নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্যারামিটারগুলো স্বাভাবিক থাকলেও একেবারে ঝুঁকিমুক্তও হচ্ছেন না। সিসিইউতে অ্যাডভান্স টিট্রমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। মেডিকেল বোর্ড প্রতিরাতে বৈঠকে প্রতিটি আলাদা আলাদা রোগ নিয়ে আলোচনা করে। রিপোর্ট দেখে কিছু ওষুধ বন্ধ করে, আবার চালু করে। কিছু ওষুধের মাত্রা কমায় কিংবা প্রয়োজনে বাড়িয়ে দেয়। দেশে ফেরার পর বোর্ডে সশরীরে অংশ নেন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান।

এদিকে দিনের বেশির ভাগ সময় এভারকেয়ার হাসপাতালে শাশুড়ির শয্যাপাশে কাটান ডা. জোবাইদা রহমান। বাসায় থাকার সময়ও টেলিফোনে শাশুড়ির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন। চিকিৎসার বিষয়গুলো তিনি সমন্বয় করেন। ডা. জোবাইদা বেশ কয়েকদিন দেশেই থাকবেন।

মেডিকেল বোর্ডের আরেকজন সদস্য জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে গুলশানের বাসা থেকে প্রতিদিন খাবার পাঠানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার সঙ্গে সার্বক্ষণিক আছেন পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান, সৈয়দা শর্মিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা এবং স্টাফ রূপা আক্তার। বিএনপির চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা সার্বক্ষণিক পাশে আছেন।

তাদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করেন খালেদা জিয়া। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে এভারকেয়ার হাসপাতালের এক ডজন চিকিৎসক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তদারকি করছে।

আজ আসছে না এয়ার অ্যাম্বুলেন্স : উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আজ আসছে না। এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অপারেটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ আজ সকালে তাদের ঢাকায় নামার অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অপারেটর সোমবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কাছে আজকের ওই ফ্লাইট বাতিল করার আবেদন করেছে বলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন (এফএসআর) বিভাগের ওই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এফএআই এভিয়েশন গ্রুপের স্থানীয় এজেন্টের কাছ থেকে আগের স্লট অনুমোদন প্রত্যাহারের আবেদন পেয়েছি। ইতোমধ্যে আবেদনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রোববার অপারেটরের প্রাথমিক আবেদন অনুযায়ী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার (আজ) সকাল ৮টায় ঢাকা পৌঁছানোর অনুমতি দেয় বেবিচক। আবেদনপত্রে জানানো হয়, রাত ৯টার দিকে খালেদা জিয়াকে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ফ্লাইটটি। কিন্তু এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ৯ ডিসেম্বরের স্লট বাতিল করায় তার যাত্রা আবার পিছিয়ে গেল।

বিএনপি নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রার বিষয়টি নির্ভর করছে তার শারীরিক অবস্থার ওপর। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে তার চিকিৎসকদল। এদিকে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয় বাস্তুহারা দল দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৩

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৩

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৩

রাজনীতি

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দীর্ঘ দুই দশক বিরতি দিয়ে চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের এক সুসমন্বিত রূপ। আপাতত ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১৮ […]

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দীর্ঘ দুই দশক বিরতি দিয়ে চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের এক সুসমন্বিত রূপ। আপাতত ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১৮ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। দেশ ও বিদেশের রাজনৈতিক মহলে এই মন্ত্রিসভা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল থাকলেও চূড়ান্ত তালিকাটি কেবল হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছেই সংরক্ষিত রয়েছে।

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার মন্ত্রিসভায় অনেক প্রবীণ ও স্থায়ী কমিটির সদস্যকে দেখা না-ও যেতে পারে। তারেক রহমান মূলত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশেলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশ গড়ার পরিকল্পনা করছেন।

মন্ত্রিসভায় বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তত চারজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি যুক্ত হতে পারেন। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা শরিক দলগুলোর একাধিক নেতারও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের জন্য সরকারি পরিবহন পুল থেকে ৩৭টি গাড়ি এবং সমসংখ্যক বাসভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শুরুতে মন্ত্রিসভার আকার ৪০ জনের কাছাকাছি হতে পারে।

মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যদের তালিকায় অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আব্দুল মঈন খান এবং মির্জা আব্বাসের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে মির্জা ফখরুল মন্ত্রিত্বের চেয়ে সংসদ উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনে বেশি আগ্রহী বলে গুঞ্জন রয়েছে। অর্থ, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞদের দেখা যেতে পারে।

এ ছাড়া তরুণ ও মেধাবী মুখ হিসেবে সানজিদা ইসলাম তুলি এবং মাহদী আমিনের মতো নেতাদের টেকনোক্র্যাট কোটায় যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। শরিকদের মধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুরের মতো তরুণ নেতারাও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা ধারণা করছেন।

নবনির্বাচিত এই সরকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সংসদকে জবাবদিহিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা। তারেক রহমান ইতিপূর্বে দলীয় ফোরামে জানিয়েছেন যে, মন্ত্রীরা সরাসরি সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। এ লক্ষ্যে সংসদ উপনেতা হিসেবে অভিজ্ঞ কাউকে দায়িত্ব দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

২০০১ সালের পর এবারই প্রথম বিএনপি একক শক্তিতে সরকার গঠন করলেও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শপথ বাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়েই তিন দশক পর বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম এক নতুন সরকার।

সূত্র: মানবজমিন

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭