শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন। স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে […]

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ২৩:২২

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন।

স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে গেলেও নিজেদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করেন এবং ‘টিম ওয়ার্ক’ এর মাধ্যমে চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। করোনাভাইরাস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া-এর মতো মহামারীর সময়েও তারা সরকারের পক্ষে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

তাদের রুটিন সেবার মধ্যে রয়েছে এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, নমুনা সংগ্রহ, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওলজি, টোকেথেবাপি, ফিজিওথেরাপি, ইসিজি, ইকো, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য সেবা।

দুর্যোগকালীন সেবা, রক্তদান, অঙ্গদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমেও তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের মতে, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সেবার মান উন্নত হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল হবে।

অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের গ্রেড উন্নীত হলেও টেকনোলজিস্টরা পিছিয়ে। জানা যায়, স্বাস্থ্য বিভাগের ডিপ্লোমা শ্রেণীভুক্ত কর্মচারী, ডিপ্লোমা নার্স এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইতোমধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন।

এমনকি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। ডিপ্লোমা সার্ভেয়ার এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ক্ষেত্রেও ২০১৮ সালের জাতীয় বেতন (১০ম গ্রেড) কার্যকর করার পর্যায়ক্রমে উন্নীত করা হয়েছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ১০ম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণী) এর দাবি জানানো হয়েছে। এই নোটিশ জারির পর অর্থাৎ ২৮/১১/২০২২ সালের পর থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের মাধ্যমে বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও, বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

নির্দিষ্ট কর্মসূচী অনুযায়ী, ০১/১২/২০২২ এবং ০২/১২/২০২২ ইং তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১০ম গ্রেডের দাবীতে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ০৬/১২/২০২২ ইং তারিখে সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে ১০ম গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রেরণ করে।

কিন্তু সেই প্রস্তাবনা উপ-সচিব (জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক একই দিনে (০৬/১২/২০২২ ইং) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ফেরত পাঠানো হয়। সর্বশেষ, ০৭/১২/২০২২ ইং তারিখে উপ-সচিবের স্বাক্ষরিত দাখিলটি বোল্ড বোল্ড, এম্এ, এম এস, এন এইচ, এইচ এম, এম ও আই, এর কাছে ফেরৎ দেওয়া হয়, যা এই প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতা তুলে ধরে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আবেদন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলা এই কর্মীদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে দ্রুত উন্নীত করা হোক। এর মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে, যা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

একইসাথে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসমূহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাদান কর্মসূচী গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।