বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন। স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে […]

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ২৩:২২

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন।

স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে গেলেও নিজেদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করেন এবং ‘টিম ওয়ার্ক’ এর মাধ্যমে চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। করোনাভাইরাস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া-এর মতো মহামারীর সময়েও তারা সরকারের পক্ষে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

তাদের রুটিন সেবার মধ্যে রয়েছে এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, নমুনা সংগ্রহ, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওলজি, টোকেথেবাপি, ফিজিওথেরাপি, ইসিজি, ইকো, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য সেবা।

দুর্যোগকালীন সেবা, রক্তদান, অঙ্গদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমেও তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের মতে, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সেবার মান উন্নত হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল হবে।

অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের গ্রেড উন্নীত হলেও টেকনোলজিস্টরা পিছিয়ে। জানা যায়, স্বাস্থ্য বিভাগের ডিপ্লোমা শ্রেণীভুক্ত কর্মচারী, ডিপ্লোমা নার্স এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইতোমধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন।

এমনকি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। ডিপ্লোমা সার্ভেয়ার এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ক্ষেত্রেও ২০১৮ সালের জাতীয় বেতন (১০ম গ্রেড) কার্যকর করার পর্যায়ক্রমে উন্নীত করা হয়েছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ১০ম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণী) এর দাবি জানানো হয়েছে। এই নোটিশ জারির পর অর্থাৎ ২৮/১১/২০২২ সালের পর থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের মাধ্যমে বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও, বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

নির্দিষ্ট কর্মসূচী অনুযায়ী, ০১/১২/২০২২ এবং ০২/১২/২০২২ ইং তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১০ম গ্রেডের দাবীতে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ০৬/১২/২০২২ ইং তারিখে সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে ১০ম গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রেরণ করে।

কিন্তু সেই প্রস্তাবনা উপ-সচিব (জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক একই দিনে (০৬/১২/২০২২ ইং) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ফেরত পাঠানো হয়। সর্বশেষ, ০৭/১২/২০২২ ইং তারিখে উপ-সচিবের স্বাক্ষরিত দাখিলটি বোল্ড বোল্ড, এম্এ, এম এস, এন এইচ, এইচ এম, এম ও আই, এর কাছে ফেরৎ দেওয়া হয়, যা এই প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতা তুলে ধরে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আবেদন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলা এই কর্মীদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে দ্রুত উন্নীত করা হোক। এর মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে, যা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

একইসাথে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসমূহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাদান কর্মসূচী গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।