সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন। স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে […]

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি : স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও বঞ্চনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ২৩:২২

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (টেক.) এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা তাদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন উন্নীতকরণের দাবিতে পুরো লালমনিরহাট জেলা জুড়ে আজ মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন।

স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদাররা দেশের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে গেলেও নিজেদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করেন এবং ‘টিম ওয়ার্ক’ এর মাধ্যমে চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। করোনাভাইরাস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া-এর মতো মহামারীর সময়েও তারা সরকারের পক্ষে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

তাদের রুটিন সেবার মধ্যে রয়েছে এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, নমুনা সংগ্রহ, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওলজি, টোকেথেবাপি, ফিজিওথেরাপি, ইসিজি, ইকো, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য সেবা।

দুর্যোগকালীন সেবা, রক্তদান, অঙ্গদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমেও তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের মতে, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সেবার মান উন্নত হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল হবে।

অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের গ্রেড উন্নীত হলেও টেকনোলজিস্টরা পিছিয়ে। জানা যায়, স্বাস্থ্য বিভাগের ডিপ্লোমা শ্রেণীভুক্ত কর্মচারী, ডিপ্লোমা নার্স এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইতোমধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন।

এমনকি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। ডিপ্লোমা সার্ভেয়ার এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ক্ষেত্রেও ২০১৮ সালের জাতীয় বেতন (১০ম গ্রেড) কার্যকর করার পর্যায়ক্রমে উন্নীত করা হয়েছে।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ১০ম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণী) এর দাবি জানানো হয়েছে। এই নোটিশ জারির পর অর্থাৎ ২৮/১১/২০২২ সালের পর থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের মাধ্যমে বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও, বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

নির্দিষ্ট কর্মসূচী অনুযায়ী, ০১/১২/২০২২ এবং ০২/১২/২০২২ ইং তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১০ম গ্রেডের দাবীতে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ০৬/১২/২০২২ ইং তারিখে সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে ১০ম গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রেরণ করে।

কিন্তু সেই প্রস্তাবনা উপ-সচিব (জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক একই দিনে (০৬/১২/২০২২ ইং) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ফেরত পাঠানো হয়। সর্বশেষ, ০৭/১২/২০২২ ইং তারিখে উপ-সচিবের স্বাক্ষরিত দাখিলটি বোল্ড বোল্ড, এম্এ, এম এস, এন এইচ, এইচ এম, এম ও আই, এর কাছে ফেরৎ দেওয়া হয়, যা এই প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতা তুলে ধরে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আবেদন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলা এই কর্মীদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে দ্রুত উন্নীত করা হোক। এর মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে, যা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

একইসাথে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসমূহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাদান কর্মসূচী গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।