ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফারুক হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে মহিলা যুবলীগের এক সদস্যকেও আটক করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ফারুক হোসেন স্থানীয়ভাবে “বোমা ফারুক” নামে পরিচিত। আটক যুবলীগ সদস্যের নাম নাসরিন, তিনি শ্রমিক লীগ নেতা ফিরোজ শেখের মেয়ে এবং ফরিদপুরের লক্ষীপুর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর থানার অন্তর্গত একটি নির্জন বাসা থেকে ওই দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়। জেলা পুলিশ ১০ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
বর্তমানে ফারুক ও নাসরিন সদর থানার ডিবি হেফাজতে রয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা।
অন্যদিকে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল মাবুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেউ যদি অস্থিরতা তৈরি করে, কোনো নাশকতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তবে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
ঘটনাটি ফরিদপুর জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ ছিল। গ্রেফতারের পর বিষয়টি এখন তদন্তাধীন, তবে জেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এ ঘটনায় মুখ খুলতে অনিচ্ছুক।