মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

এবার সর্বত্র ভারতে গণবিক্ষোভ নিয়ে চাপে মোদি

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা মণিপুরে। টানা দুই বছর ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ গেছে আড়াইশরও বেশি মানুষের, বাস্তুচ্যুত ষাট হাজারেরও বেশি। আজও তাঁরা শিবিরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। গত বছর থেকে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে

নিউজ ডেস্ক

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২২:০৩

দক্ষিণ এশিয়ার রাজপথে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বহু আগে থেকেই। বাংলাদেশে একের পর এক আন্দোলন, নেপালের অস্থিতিশীলতা কিংবা শ্রীলংকার অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে জনতার ঝড়ে ক্ষমতার আসন কেঁপে উঠেছে। সেই একই চিত্র এবার ভারতজুড়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম—প্রতিটি অঙ্গনে জনতার ক্ষোভ আর বিক্ষোভ মোদি সরকারের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে তুলছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা মণিপুরে। টানা দুই বছর ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ গেছে আড়াইশরও বেশি মানুষের, বাস্তুচ্যুত ষাট হাজারেরও বেশি। আজও তাঁরা শিবিরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। গত বছর থেকে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মোদি সরকার ইচ্ছে করেই দুই সম্প্রদায়কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, মণিপুরের মানুষ মরছে, ঘরছাড়া হচ্ছে, অথচ সরকার ভোটের অঙ্ক কষা ছাড়া কিছুই করছে না। প্রিয়াংকা গান্ধীর ক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রী একদিনও সেখানে গিয়ে মানুষের চোখের জল মুছতে পারেননি। কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে তোপ দাগেন, উন্নয়নের নামে প্রকল্প উদ্বোধন হয়, কিন্তু রক্তাক্ত মণিপুরের পাশে দাঁড়াতে সরকার অক্ষম।

উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিবাদের আগুন এবার আসামে। নাগরিকপঞ্জি ও নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বাংলাভাষী পরিবারগুলো আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলার ভয় তাদেরকে প্রতিদিন তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সম্প্রতি ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মগুলো রাস্তায় নেমেছে, স্লোগান তুলছে—“আমরা ভারতীয়, আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না।” এর মধ্যেই একাধিক মানবাধিকার কর্মীর গ্রেফতার পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করেছে।

বিহারেও জনরোষ। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে। বিরোধীরা বলছে, এটি আসলে ভোটচুরির বৈধ প্রক্রিয়া। রাজধানী পাটনা থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত চলছে অবরোধ, অনশন, বিক্ষোভ। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সতর্ক করেছেন, এটি গণতন্ত্র ধ্বংসের অস্ত্র। আদালত পর্যন্ত মন্তব্য করেছে, যথাযথ সুযোগ না দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না। এতে আন্দোলনের শক্তি আরও বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি উত্তর-পূর্ব থেকে বিহার পর্যন্ত বিরোধী কণ্ঠরোধ করছে। বাংলাভাষীদের বাংলাদেশি বলে অপমান করা হচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আসাদুদ্দিন ওয়েইসিও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সরকার মুসলমান, দলিত, উত্তর-পূর্ব ও বাংলাভাষীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আজ প্রতিবাদ না করলে আগামীকাল কেউ নিরাপদ থাকবে না।

দক্ষিণ ভারতেও বিজেপি-বিরোধী স্লোগান জোরদার। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয় সরাসরি আক্রমণ করে বলেছেন, চোল ঐতিহ্যের নামে নাটক মঞ্চস্থ করে বিজেপি ভোট চাইছে। খননকার্যের সত্য গোপন করা হচ্ছে। তার দল ঘোষণা করেছে—বিজেপির সঙ্গে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।

এদিকে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন কেটে গেছে প্রায় নীরবতায়। দলের ভেতরেও বড় কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। বিজেপির অভ্যন্তরে অনেকে বলছেন, এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে—মোদি এখন নিজের দলের ভেতরেও অনেকটা একঘরে। বিরোধীরা বলছে, যে নেতা নিজের জন্মদিনে দলের কাছ থেকে সম্মান পান না, তার জনপ্রিয়তা যে তলানিতে নেমে গেছে, তা স্পষ্ট।

সব মিলিয়ে ভারতজুড়ে অস্থিরতা ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। কর্মসংস্থানের অভাব, মূল্যবৃদ্ধি, মণিপুরের রক্তপাত, আসামের নাগরিকপঞ্জি আতঙ্ক, বিহারের ভোটার তালিকা বাদ পড়ার মতো ইস্যুতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। বিরোধীরা এই ক্ষোভকে সংগঠিত করে নতুন আন্দোলনের জোয়ার তৈরি করতে চাইছে। রাহুল, প্রিয়াংকা, খাড়গে, মমতা, ওয়েইসি কিংবা দক্ষিণ ভারতের নতুন নেতৃত্ব—সবাই এক সুরে বলছেন, ভারতও দক্ষিণ এশিয়ার গণবিক্ষোভ থেকে মুক্ত নয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদি উন্নয়নের বুলি আওড়ালেও বাস্তবতা দেখাচ্ছে অন্য চিত্র। বিরোধীরা দৃঢ়ভাবে বলছে, জনতার ক্ষোভে ক্ষমতার আসন কেঁপে উঠছে। দক্ষিণ এশিয়ার বিক্ষোভের ঢেউ এখন ভারতের জন্য বড় সতর্কবার্তা।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১