শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

এবার সর্বত্র ভারতে গণবিক্ষোভ নিয়ে চাপে মোদি

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা মণিপুরে। টানা দুই বছর ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ গেছে আড়াইশরও বেশি মানুষের, বাস্তুচ্যুত ষাট হাজারেরও বেশি। আজও তাঁরা শিবিরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। গত বছর থেকে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে

নিউজ ডেস্ক

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২২:০৩

দক্ষিণ এশিয়ার রাজপথে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বহু আগে থেকেই। বাংলাদেশে একের পর এক আন্দোলন, নেপালের অস্থিতিশীলতা কিংবা শ্রীলংকার অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে জনতার ঝড়ে ক্ষমতার আসন কেঁপে উঠেছে। সেই একই চিত্র এবার ভারতজুড়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম—প্রতিটি অঙ্গনে জনতার ক্ষোভ আর বিক্ষোভ মোদি সরকারের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে তুলছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা মণিপুরে। টানা দুই বছর ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ গেছে আড়াইশরও বেশি মানুষের, বাস্তুচ্যুত ষাট হাজারেরও বেশি। আজও তাঁরা শিবিরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। গত বছর থেকে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মোদি সরকার ইচ্ছে করেই দুই সম্প্রদায়কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, মণিপুরের মানুষ মরছে, ঘরছাড়া হচ্ছে, অথচ সরকার ভোটের অঙ্ক কষা ছাড়া কিছুই করছে না। প্রিয়াংকা গান্ধীর ক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রী একদিনও সেখানে গিয়ে মানুষের চোখের জল মুছতে পারেননি। কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে তোপ দাগেন, উন্নয়নের নামে প্রকল্প উদ্বোধন হয়, কিন্তু রক্তাক্ত মণিপুরের পাশে দাঁড়াতে সরকার অক্ষম।

উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিবাদের আগুন এবার আসামে। নাগরিকপঞ্জি ও নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বাংলাভাষী পরিবারগুলো আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলার ভয় তাদেরকে প্রতিদিন তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সম্প্রতি ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মগুলো রাস্তায় নেমেছে, স্লোগান তুলছে—“আমরা ভারতীয়, আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না।” এর মধ্যেই একাধিক মানবাধিকার কর্মীর গ্রেফতার পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করেছে।

বিহারেও জনরোষ। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে। বিরোধীরা বলছে, এটি আসলে ভোটচুরির বৈধ প্রক্রিয়া। রাজধানী পাটনা থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত চলছে অবরোধ, অনশন, বিক্ষোভ। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সতর্ক করেছেন, এটি গণতন্ত্র ধ্বংসের অস্ত্র। আদালত পর্যন্ত মন্তব্য করেছে, যথাযথ সুযোগ না দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না। এতে আন্দোলনের শক্তি আরও বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি উত্তর-পূর্ব থেকে বিহার পর্যন্ত বিরোধী কণ্ঠরোধ করছে। বাংলাভাষীদের বাংলাদেশি বলে অপমান করা হচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আসাদুদ্দিন ওয়েইসিও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সরকার মুসলমান, দলিত, উত্তর-পূর্ব ও বাংলাভাষীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আজ প্রতিবাদ না করলে আগামীকাল কেউ নিরাপদ থাকবে না।

দক্ষিণ ভারতেও বিজেপি-বিরোধী স্লোগান জোরদার। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয় সরাসরি আক্রমণ করে বলেছেন, চোল ঐতিহ্যের নামে নাটক মঞ্চস্থ করে বিজেপি ভোট চাইছে। খননকার্যের সত্য গোপন করা হচ্ছে। তার দল ঘোষণা করেছে—বিজেপির সঙ্গে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।

এদিকে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন কেটে গেছে প্রায় নীরবতায়। দলের ভেতরেও বড় কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। বিজেপির অভ্যন্তরে অনেকে বলছেন, এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে—মোদি এখন নিজের দলের ভেতরেও অনেকটা একঘরে। বিরোধীরা বলছে, যে নেতা নিজের জন্মদিনে দলের কাছ থেকে সম্মান পান না, তার জনপ্রিয়তা যে তলানিতে নেমে গেছে, তা স্পষ্ট।

সব মিলিয়ে ভারতজুড়ে অস্থিরতা ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। কর্মসংস্থানের অভাব, মূল্যবৃদ্ধি, মণিপুরের রক্তপাত, আসামের নাগরিকপঞ্জি আতঙ্ক, বিহারের ভোটার তালিকা বাদ পড়ার মতো ইস্যুতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। বিরোধীরা এই ক্ষোভকে সংগঠিত করে নতুন আন্দোলনের জোয়ার তৈরি করতে চাইছে। রাহুল, প্রিয়াংকা, খাড়গে, মমতা, ওয়েইসি কিংবা দক্ষিণ ভারতের নতুন নেতৃত্ব—সবাই এক সুরে বলছেন, ভারতও দক্ষিণ এশিয়ার গণবিক্ষোভ থেকে মুক্ত নয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদি উন্নয়নের বুলি আওড়ালেও বাস্তবতা দেখাচ্ছে অন্য চিত্র। বিরোধীরা দৃঢ়ভাবে বলছে, জনতার ক্ষোভে ক্ষমতার আসন কেঁপে উঠছে। দক্ষিণ এশিয়ার বিক্ষোভের ঢেউ এখন ভারতের জন্য বড় সতর্কবার্তা।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭