মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

মেহেরপুরে দুদকের প্রকল্পেই দুর্নীতি 

মনজুর রহমান আকাশ (মেহেরপুর প্রতিনিধি): নতুন প্রজন্মকে সততা চর্চায় উদবুদ্ধি করার নিমত্তে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গার এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সততা স্টোর তৈরির জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক কুষ্টিয়া জেলা শাখা। টাকা কোন প্রকার কাজে না লাগিয়েই নিজের পকেটে রেখে দেন এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজু আহমেদ। সততা […]

নিউজ ডেস্ক

১২ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:৩৪

মনজুর রহমান আকাশ (মেহেরপুর প্রতিনিধি):
নতুন প্রজন্মকে সততা চর্চায় উদবুদ্ধি করার নিমত্তে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গার এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সততা স্টোর তৈরির জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক কুষ্টিয়া জেলা শাখা। টাকা কোন প্রকার কাজে না লাগিয়েই নিজের পকেটে রেখে দেন এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজু আহমেদ।
সততা স্টোর হচ্ছে বিক্রেতাবিহীন দোকান। এসব দোকানে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণের পাশাপাশি বিস্কুট, চিপস, চকলেট ইত্যাদি রাখা হয়। প্রতিটি সততা স্টোরে পণ্যের মূল্য তালিকা, পণ্যমূল্য পরিশোধের জন্য ক্যাশ বাক্স রাখা হয়। থাকে না শুধু বিক্রেতা। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে নিজেরাই ক্যাশ বাক্সে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করবে– এটাই নিয়ম। এমনটাই ছিল দুদকের শিক্ষার্থীদের সততা চর্চা শিক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ।
এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বিদ্যালয়ের মধ্যে সততা স্টোর নামে কোন ক্যান্টিন নেই। আর সততা  স্টোরের কাজ কি সেটাও আমাদের জানা নেই।
এ বিষয়ে এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক রাজু আহমেদ জানান, বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড মিলন হোসেনকে দুদকের ১০ হাজার টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনে দেওয়া হয়েছে। সেখানে থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে পারবেন।
নাইটগার্ড মিলন হোসেন জানান, এই দোকানটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকায় ভাড়া চুক্তিতে নিয়েছেন। তাছাড়া এমনিতেই নাম দিয়েছেন সততা স্টোর। আমাকে কোন প্রকার মালামাল কিনে দেননি প্রধান শিক্ষক। নিজের টাকা দিয়ে মালামাল কিনে বিক্রি করি বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে মোবারক জানান, পার্শ্ববর্তী দোকানকে সততা স্টোর বলে ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই। সেটিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই হতে হবে।
আর এমন হলে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোঃ আবু তালহা জানান, শিক্ষার্থীদের সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধকরণের জন্য এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমন করে থাকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাঙ্গন

গলা কেটে শিক্ষিকাকে হত্যার পর নিজেই আত্মহননের চেষ্টা সহকর্মীর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ২০:২৪

ইরফান উল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেছেন ওই ভবনের কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, আজ বিভাগটির আয়োজনে ইফতার মাহফিল থাকায় সাড়ে ৩টায় অফিস শেষেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভাগে অবস্থান করছিলেন। বিকাল আনুমানিক ৪ টার দিকে সভাপতির নিজ কক্ষে চিৎকারের আওয়াজ শুনে ভবনের নিচে থাকা আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে দরজা ধাক্কাধাক্কি করে। দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকায় তারা দরজা ভেঙ্গে ওই শিক্ষিকার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশেই ফজলুরকে নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাতে দেখেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশকে জানালে তারা এসে দুজনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে পৌঁছলে কর্তব্যরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ওই কর্মচারীও আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান তিনি।

বিভাগ সূত্র জানা যায়, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিল। পরে তার বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মাসখানেক আগে বিভাগের সভাপতির সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। শিক্ষার্থীদের ধারণা, এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আজকের ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনের নিচে থাকা এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় আমরা এখানে চারজন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাচ্ছিলেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় প্রায় ২ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। বিষয়টি এ রকম পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী রুমে ঢুকে লক করে দেন।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শুনেই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় একজনের নিথর দেহ ও একজনকে নড়াচড়া অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। পরে জানতে পারি কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন।

ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে ওই কক্ষ থেকে দুই জনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করে। এছাড়া আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার আগেই তার (শিক্ষিকা) অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। আমরা এখানে আসার পর তাকে প্রাথমিকভাবে মৃত হিসেবে পাই। প্রাথমিক অবজারভেশনে শিক্ষিকার গলা কাটা হয়েছে। এছাড়া তারা হাতে ও পায়ে কিছু ইনজুরি রয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

জন্মদিনে কুরআন শরীফ বিতরণ , জাবি ছাত্রদল কর্মী অক্ষরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

রিফাত বিন নুর, জাবি প্রতিনিধি:  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কামাল উদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী অক্ষর (পরিসংখ্যান ৫০) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ভিন্নধর্মী কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত আয়োজন পরিহার করে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল মসজিদসহ জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কুরআন শরীফ বিতরণ করেন। তার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।ইফরাত আমিন অক্ষর বলেন “আজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫২

রিফাত বিন নুর, জাবি প্রতিনিধি: 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কামাল উদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী অক্ষর (পরিসংখ্যান ৫০) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ভিন্নধর্মী কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত আয়োজন পরিহার করে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল মসজিদসহ জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কুরআন শরীফ বিতরণ করেন।

তার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।ইফরাত আমিন অক্ষর বলেন “আজ আমার জন্মদিন উপলক্ষে পবিত্র মাহে রমজান মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল মসজিদসহ কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কুরআন শরীফ বিতরণ করার সৌভাগ্য হয়েছে। প্রতিটি মসজিদে আমি আমার জন্য, আমার প্রিয় মাতৃভূমির জন্য এবং দেশের মানুষের কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দোয়া চেয়েছি।

এছাড়াও দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করেছি।

আমার এই ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক, নৈতিক ও আদর্শিক পরিবর্তনের ধারায় সামান্য হলেও ভূমিকা রাখতে চাই। সকলের আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”