সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে”র ইফতার ও দোয়া মাফিল

প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, তারাকান্দা উপজেলা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতাঃ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ” তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে”র ইফতার মাফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। হযরত আলী রা. বলেন- من افطر يوما من رضمان متعمدا لم يقضه أبدا طول الدهر. যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে রমযান মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে আজীবন সেই রোযার (ক্ষতিপূরণ) আদায়  করতে পারবে না।- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদী৯৮৭৮। ২০ মার্চ ( বৃহস্পতিবার) বাদ আসর তারাকান্দা নতুন বাজার ( তালতলায়) এক অস্থায়ী কার্যালয়ে তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ১৫:৩৮

প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, তারাকান্দা উপজেলা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতাঃ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ” তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে”র ইফতার মাফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হযরত আলী রা. বলেন-

من افطر يوما من رضمان متعمدا لم يقضه أبدا طول الدهر.

যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে রমযান মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে আজীবন সেই রোযার (ক্ষতিপূরণ) আদায় 

করতে পারবে না।- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদী৯৮৭৮।

২০ মার্চ ( বৃহস্পতিবার) বাদ আসর তারাকান্দা নতুন বাজার ( তালতলায়) এক অস্থায়ী কার্যালয়ে তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাফিলের আয়োজন করেন তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব আব্দুল মালেক সাহেবের সভাপতিত্বে ও তারাকান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারের সঞ্চালনায় এ সময় পবিত্র কুরআন হতে তেলাওয়াত করেন মুফতি আব্দুল গফুর।

এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তারাকান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি তৌকির আহমেদ শাহিন।

এ- সময় আরোও বক্তব্য রাখেন, তারাকান্দা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও বিশেষ অতিথি রফিক বিশ্বাস। উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি ফজলে এলাহী ডালি,

সাংগঠনিক সম্পাদক তালুকদার মফিজ উদ্দিন সরকার, সদস্য কাওসার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রাসেল, সহ দপ্তর সম্পাদক আবু সোহান।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, তারাকান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল, নবাগত সভাপতি জনাব আব্দুল মালেক।

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—এসব বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সোচ্চার হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।এখন থেকে সাংবাদিকরা সকল জায়গায় যেতে পারবেন।

তারাকান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিকদের একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসতে হবে, সকলের ভিতর ঐক্য থাকতে হবে, আমরা ভাই ভাই-এই মত পোষণ করতে হবে। একে অপরের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। ঐক্যই শক্তি।

কিছুক্ষণ হাদিস হতে আলোচনা শেষে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত শেষে মোনাজাত পড়ান মুফতি আব্দুল গফুর।

বেশ কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত না থাকতে পেরে তারা জুম অ্যাপস’র মাধ্যমে কথা বলেন ও একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন ও সকলের কাছে দোয়ার জন্য ফরিয়াদ জানান।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মালেক, সিনিয়র সহ-সভাপতি তৌকির আহমেদ শাহিন, সহ-সভাপতি ফজলে এলাহী ঢালী, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, জুম অ্যাপস এর মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন

সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ মিয়া, সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, সহ-সভাপতি মোছাঃ রুমা আক্তার।

সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক সরকার মফিজ উদ্দিন তালুকদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান, দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবু সোহান,

প্রচার সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল মামুন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রুহুল আমিন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রাসেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ রানা,

সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক রাজিব মন্ডল, সম্মানিত সদস্য মোসাম্মৎ সেলিনা আক্তার, আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ সোহেল মিয়া, মোছাম্মদ সুমী আক্তার, মোহাম্মদ কাউসার আহমেদ।

ইফতারের আগে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং বিশেষ করে এই পবিত্র রমজান মাসেও তাই গাঁজা কে খালি করতে মুসলমানদের উপর চলছে অমানবিক রকেট হামলা।

সাহারির সময়, ইফতারের সময় আযানের সময়, মসজিদসহ শহরের ঘরবাড়ি সহ সকল জায়গায় চলছে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ রকেট হামলা।

গাজা শহরকে পুরোপুরি মাটির সাথে মিলিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা চলছে এই দুই রাষ্ট্রের।কেবলমাত্র একজন মুসলমান হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও বিশ্বজুড়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোয়া করেন। 

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।