বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চিলাহাটিতে নবনির্মিত নতুন আইকনিক ভবন হস্তান্তরের আগেই ফাটল

রাকিবুল হাসান (ডোমার নীলফামারী): নীলফামারী জেলার সর্বশেষ রেলস্টেশন চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত আইকনিক ভবন হস্তান্তরের আগেই মূল ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান একাধিকবার সংস্কার করতে দেখা গেছে। অবশেষে টাইলস পরিবর্তন করে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। উক্ত ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিদর্শক ফরিদ আহমেদ চিলাহাটি রেল […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৭:৩২

রাকিবুল হাসান (ডোমার নীলফামারী):

নীলফামারী জেলার সর্বশেষ রেলস্টেশন চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত আইকনিক ভবন হস্তান্তরের আগেই মূল ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান একাধিকবার সংস্কার করতে দেখা গেছে। অবশেষে টাইলস পরিবর্তন করে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। উক্ত ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিদর্শক ফরিদ আহমেদ চিলাহাটি রেল স্টেশন পরিদর্শন কালে স্থানীয়রা আইকনিক ভবনের ফাটলের চিত্র ও নবনির্মিত ওয়াসফিটের পিলারের ফাটলসহ নিম্নমানের কাজের চিত্র তুলে ধরেন ।

স্থানীয় রুবাইয়াত হোসেন, ইসমাইল ও সুমনসহ আরো অনেকে জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজের মান নিম্ন করায় আইকনিক ভবন ও ওয়াশফিটের পিলারের ফাটল দেখা দিয়েছে। তারা নিম্নমানের রড দিয়ে রাতের আধারে ঢালাইয়ের কাজ চালিয়ে আসছে। রেলওয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা দেখেও না দেখার ভান করে এড়িয়ে গেছেন।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অফিস সূত্র জানান , ইঞ্জিন দাঁড়ানোর কারণে ভবনের ওই জায়গায় ফাটল ধরতে পারে। স্থানীয়দের দাবি কাজের মান নিম্ন হওয়ায় ভবনের ফাটল ধরেছে। অত্যাধুনিক ব্যয় বহুল এই ভবনের কাজ শুরু থেকে কোন সিটিজেন চাট না দিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের ইচ্ছা মত কাজ করে গেছে। রেলওয়ের পক্ষে তদারকির জন্য পাকশী ডিভিশনের প্রকৌশলী-২ আব্দুর রহিম কে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ।  তিনি সিটিজেন সিট ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোন তাগিদ দেয়নি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স এর প্রকল্প পরিচালক নাজমুল হোসেন রকি এ ব্যাপারে কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি।

স্থানীয়রা আইকনিক ভবনের ফাটল চিত্র রেলওয়ের  প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম ও আইডব্লিউ শরিফুল আজিম কে অবগত করে। এই সংবাদ পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাটল জায়গায় উন্নত মানের আঠা দিয়ে বন্ধ করে রং লাগিয়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। কয়েকদিন পর ওই ফাটলের চিহ্ন পুনরায় দেখা দেয়। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাটল জায়গার টাইলস গুলি খুলে ফেলে। ফাটল জায়গায় মেশিন দিয়ে পুডিং করে। পুডিং শেষে পুনরায় সেই জায়গায়  টাইলস বসিয়ে মূল ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে রাখে।

রেলের একটি সূত্র জানান, বাংলাদেশের সাথে চিলাহাটি হয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চিলাহাটি রেল স্টেশনকে আধুনিকরন করার লক্ষ্যে প্রথম ধাপে ৮০ কোটি দ্বিতীয় ধাপে বৃদ্ধি করে ১৪০কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।২০১৯ সালের শেষের দিকে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে আইকনিক ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ।বাকি কাজগুলো আংশিক বাকি রয়েছে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে। তবে স্টেশন মাস্টার, কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার ও বুকিং অফিসে কোন এসি লাগানো হয়নি। এমতা অবস্থায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটি হস্তান্তরের জন্য উঠে পরে লেগে আছে। যেকোনো সময় ভবনটি হস্তান্তর হতে পারে। ইতিমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের মালামাল সরিয়ে ফেলেছে।

ভারত নেপাল, ভুটান ও চীনের সাথে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নীলফামারী জেলার চিলাহাটি – হলদিবাড়ী রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু করেন। চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু করনের লক্ষ্যে চিলাহাটি রেল স্টেশনকে নানান উন্নয়নমূলক কাজ দিয়ে ঢেলে সাজানো হয়েছে। সেই সাথে চিলাহাটি রেলস্টেশনে নির্মাণ করা হয়েছে ব্যয়বহুল অত্যাধুনিক আইকনিক ভবন। এই আইকনিক ভবনের নির্মাণ কাজ করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স কোম্পানি লিমিটেড।

রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, বিষয়টি জানার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর জানা গেছে ভবনের তেমন কোন ক্ষতি হয়নী। মহাপরিদর্শক ফরিদ আহমেদ বলেন, বিষয়গুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।