বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমনিরহাটে ছিটমহল বাসির জীবনযাপন

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের বিভক্তির সময় থেকে ছিটমহলের সমস্যা শুরু হয়। যদিও দুটি দেশই স্বাধীনতা লাভ করেছিল, কিন্তু ছিটমহলগুলো সঠিকভাবে বিভাজিত হয়নি। এদের মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল এবং ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল। ২০১১ সালের জনগণনার অনুযায়ী এসব ছিটমহলে বসবাসরত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৫১ হাজার। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহলে ৩৭ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জানুয়ারী ২০২৫, ০৫:০৪

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের বিভক্তির সময় থেকে ছিটমহলের সমস্যা শুরু হয়। যদিও দুটি দেশই স্বাধীনতা লাভ করেছিল, কিন্তু ছিটমহলগুলো সঠিকভাবে বিভাজিত হয়নি। এদের মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল এবং ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল। ২০১১ সালের জনগণনার অনুযায়ী এসব ছিটমহলে বসবাসরত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৫১ হাজার। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহলে ৩৭ হাজার এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহলের জনসংখ্যা ছিল ১৪ হাজার।

২০১৫ সালের পয়লা আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তি কার্যকর হয়। ১৯৭৪ সালের মে মাসে দুই দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে এই বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলগুলো পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের প্রায় ১০ হাজার ৪৮ একর জমি বৃদ্ধি পায়।

ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ পায় লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি, নীলফামারীতে ৪টিসহ মোট ১১১টি ছিটমহল। অন্যদিকে ভারত পায় বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল, যাদের অবস্থান ছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। এর মধ্যে ৪৭টি কোচবিহার ও ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত ছিল। এই বিনিময়ের ফলে দুই দেশের মধ্যে থাকা সমস্যার সমাধান হয় এবং ছিটমহলে বসবাসরত মানুষরা তাদের নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার ফিরে পায়।

ছিটমহল বিনিময়ের আগে ছিটমহলবাসীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হতেন। তারা প্রায়ই নিজেদের নাগরিকত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। ছিটমহল বিনিময়ের পর এই মানুষগুলো তাদের নাগরিকত্ব ও মৌলিক সুবিধাগুলি ফিরে পেয়েছে। তারা এখন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকল সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।

ছিটমহল বিনিময়ের পর থেকে বাংলাদেশের সরকার ছিটমহলবাসীদের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ছিটমহল এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ, রাস্তা নির্মাণ এবং অন্যান্য মৌলিক সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

তমাল রায় (৩৫) একজন হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারি ইউনিয়নের পকেটের বাসিন্দা তিনি বলেন, “ছিট মহল সমস্যার সমাধান হলেও এখনো আমাদের এখানে বিদ্যুৎ, পরিবহন এবং মোবাইলের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত যে জটিলতা গুলো আছে তা এখনো আমাদের জীবনকে সীমিত করে রেখেছে। তাছাড়াও এই সীমান্তবর্তী জায়গায় আমাদের বসবাস হওয়ায় জীবনযাত্রার মানের কোন উন্নয়ন হয়নি শহরের সঙ্গে তুলনায়। আর সব সময় আমাদেরকে একটা ভয় ভীতির মধ্যে জীবন যাপন করতে হয়।”

নিপা রানী (৫৫) একজন প্রাইমারি শিক্ষিকা। তিনি হাতীবান্ধা উপজেলার মধ্য বাড়াই পাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি বলেন, “আমাদের বেশিরভাগ বংশধর ভারতীয় আর আমাদের বসবাস এ পারে হাওয়ায় আমরা সব সময় একটা উৎকণ্ঠের মধ্যে জীবন যাপন করি। কখন যে কি হয় কারণ এই দিক দিয়ে যে পরিমাণ মাদক এবং অন্যান্য ভারতীয় পণ্যের যাতায়াত হয় তার ফলে প্রশাসনের সবসময় নজরদারির মধ্যে জীবন যাপন করতে হয়।”

ছিটমহল বিনিময় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। এই বিনিময়ের ফলে ছিটমহলবাসীরা তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। দুই দেশের সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় এই সমস্যার সমাধান হওয়ায় ছিটমহলবাসীরা এখন সুখী ও সুরক্ষিত জীবন যাপন করছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।