রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সম্পন্ন কাজী আবু হোরাইরা সভাপতি, শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম মহাসচিব পুনঃনির্বাচিত

বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল–২০২৬ ও জাতীয় ইমাম সম্মেলন গতকাল শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৭ম তলার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিন ব্যাপী ৩ টি অধিবেশনে ইমামদের সম্মেলন বিকেল পোনে ৫ ঘটিকায় শেষ হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু হোরায়রা। সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও […]

জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সম্পন্ন কাজী আবু হোরাইরা সভাপতি, শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম মহাসচিব পুনঃনির্বাচিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৩৮

বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল–২০২৬ ও জাতীয় ইমাম সম্মেলন গতকাল শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৭ম তলার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিন ব্যাপী ৩ টি অধিবেশনে ইমামদের সম্মেলন বিকেল পোনে ৫ ঘটিকায় শেষ হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু হোরায়রা। সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অগ্রগতি তুলে ধরেন সমিতির মহাসচিব মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি; বিএনপি চেয়ারম্যানের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জনাব ড. এনামুল হক চৌধুরী; সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মুফতি আবুল হাসান এমপি; রংপুর-৬

আসনের সংসদ সদস্য জনাব মাওলানা নুরুল আমিন এমপি; ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) জনাব মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বাকী; দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক জনাব এ এম এম বাহাউদ্দিন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক জনাব মো. মহিউদ্দিন। পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মাওলানা এহসান উদ্দীন ও মাওলানা মুহিউদ্দিন। 

সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ইমাম-উলামা ও সমিতির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং ইমাম সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ইমামসাহেব কল্যানের কথা চিন্তা করেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মানি ভাতার প্রবর্তন করেছেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ইমাম ও খতিবদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ক্ষেত্রে ইমাম-খতিবদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বেলা ৩ ঘটিকায় সারাদেশে প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়। কাজী মাওলানা আবু হোরায়রা সভাপতি এবং মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম সর্বোচ্চ ভোটপেয়ে পুন: নির্বাচিত হন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ইমামদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব ধর্মমন্ত্রীর

 ইমাম সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ যাতে উসকানি দিয়ে দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সমাজে ইমামদের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জুমার খুতবায় বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাসসহ নানা ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে ইমামদের মানুষকে সচেতন করতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার ক্ষেত্রেও ইমামরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি ইমামদের

কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির নেতারা নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। এ সময় তাঁরা বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ পেশাগত নানা সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।

সম্মেলনে ইমামদের সামাজিক ভূমিকা, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সমাজ থেকে অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তাঁদের করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতার পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণ, যথাযথ তদন্ত এবং অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।