পটুয়াখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে গলাচিপা ও দশমিনায় সাত জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় গলাচিপায় এক নাবালককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুই উপজেলায় অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নসংলগ্ন বুড়োগৌরাঙ্গ নদী এবং দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব জেলেকে আটক করা হয়।
গলাচিপায় বুড়োগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালিয়ে চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজার মো. ইজাজুল হকের ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আটক অপর এক নাবালককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের নিজ হাওলা গ্রামের আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. বাহাদুর হোসাইন (৩০), মতি খলিফার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩২) ও ইসাহাক হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ (৩২)।
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে মা ইলিশ শিকারের সময় তাঁদের আটক করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন জানান, গলাচিপা উপজেলায় গত ১৭ দিনে প্রায় ৬২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ মিটার জাল ও ৩০১ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জাল ও মাছের আনুমানিক মূল্য ৫১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত ৩৩টি মামলা হয়েছে, ২৮ জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে আরও চার জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইলিশ শিকারের সময় তাঁদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সাগর রাঢ়ী (২০), মো. ইমরান গাজী (১৯), মো. সোহাগ হোসেন মিয়া (১৯) ও মো. জহির মির (১৯)।
অভিযানকালে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল ধ্বংস করা হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
মা ইলিশের প্রজনন রক্ষা এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদীতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ মাছ শিকার করায় দায়ে তিন জেলেকে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং একজন নাবালক হওয়ায় মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়ন সংলগ্ন বুড়োগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালিয়ে চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজার মো. ইজাজুল হক এর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজনকে উক্ত দণ্ড দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের নিজ হাওলা গ্রামের আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. বাহাদুর হোসাইন (৩০), মো. মতি খলিফার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩২) ও ইসাহাক হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ (৩২)।
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে তারা মা ইলিশ শিকার করার সময় তাদেরকে আটক করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন জানান, গলাচিপা উপজেলায় গত ১৭ দিনে প্রায় ৬২ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ৩.২২৫ লক্ষ মিটার জাল ও ০.৩০১ মেট্রিক টন মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ৫১.৩০ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত মামলা হয়েছে ৩৩ টি ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ২৮ জন এবং ২০০০০ (বিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
অপরদিকে জেলার দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে আরো চার জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে তেঁতুলিয়া নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সাগর রাঢ়ী (২০), মো. ইমরান গাজী (১৯), মো. সোহাগ হোসেন মিয়া (১৯) ও মো. জহির মির (১৯)।
অভিযানকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের সময় চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ সময় নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
মা ইলিশ রক্ষা ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলার নদীগুলোতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানিয়েছেন মৎস্য বিভাগ।