রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পটুয়াখালীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার, ৭ জেলের কারাদণ্ড

পটুয়াখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে গলাচিপা ও দশমিনায় সাত জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় গলাচিপায় এক নাবালককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুই উপজেলায় অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নসংলগ্ন […]

পটুয়াখালীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার, ৭ জেলের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৩০

পটুয়াখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে গলাচিপা ও দশমিনায় সাত জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় গলাচিপায় এক নাবালককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুই উপজেলায় অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নসংলগ্ন বুড়োগৌরাঙ্গ নদী এবং দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব জেলেকে আটক করা হয়।

গলাচিপায় বুড়োগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালিয়ে চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজার মো. ইজাজুল হকের ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আটক অপর এক নাবালককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের নিজ হাওলা গ্রামের আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. বাহাদুর হোসাইন (৩০), মতি খলিফার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩২) ও ইসাহাক হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ (৩২)।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে মা ইলিশ শিকারের সময় তাঁদের আটক করা হয়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন জানান, গলাচিপা উপজেলায় গত ১৭ দিনে প্রায় ৬২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ মিটার জাল ও ৩০১ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জাল ও মাছের আনুমানিক মূল্য ৫১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত ৩৩টি মামলা হয়েছে, ২৮ জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে আরও চার জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইলিশ শিকারের সময় তাঁদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সাগর রাঢ়ী (২০), মো. ইমরান গাজী (১৯), মো. সোহাগ হোসেন মিয়া (১৯) ও মো. জহির মির (১৯)।

অভিযানকালে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল ধ্বংস করা হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

মা ইলিশের প্রজনন রক্ষা এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদীতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পটুয়াখালীর গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ মাছ শিকার করায় দায়ে তিন জেলেকে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং একজন নাবালক হওয়ায় মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়ন সংলগ্ন বুড়োগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালিয়ে চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজার মো. ইজাজুল হক এর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজনকে উক্ত দণ্ড দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের নিজ হাওলা গ্রামের আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. বাহাদুর হোসাইন (৩০), মো. মতি খলিফার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩২) ও ইসাহাক হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ (৩২)।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে তারা মা ইলিশ শিকার করার সময় তাদেরকে আটক করা হয়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন জানান, গলাচিপা উপজেলায় গত ১৭ দিনে প্রায় ৬২ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ৩.২২৫ লক্ষ মিটার জাল ও ০.৩০১ মেট্রিক টন মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ৫১.৩০ লক্ষ টাকা। এ পর্যন্ত মামলা হয়েছে ৩৩ টি ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ২৮ জন এবং ২০০০০ (বিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অপরদিকে জেলার দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে আরো চার জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে তেঁতুলিয়া নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সাগর রাঢ়ী (২০), মো. ইমরান গাজী (১৯), মো. সোহাগ হোসেন মিয়া (১৯) ও মো. জহির মির (১৯)।

অভিযানকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের সময় চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ সময় নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

মা ইলিশ রক্ষা ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলার নদীগুলোতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানিয়েছেন মৎস্য বিভাগ।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।