রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হাতে অস্ত্র রাখা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ এবং সেটি দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো কিংবা গুলি চালানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
ইশরাক হোসেন বলেন, তার নির্বাচনী এলাকার গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার তার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি নিজেই সেখানে যান বলে দাবি করেন।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার বন্ধের বিষয়ে তিনি অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বার পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কিন্তু প্রতিবারই জনবল সংকট, যানবাহনের অভাবসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো হয়েছে।
ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে এর আগে কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ এখনো পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দাবি করে ইশরাক হোসেন বলেন, মাদক কারবারিরা দূর থেকে গুলি চালায়। এমন নিরাপত্তাঝুঁকির কারণেই অভিযানের সময় তার হাতে অস্ত্র ছিল।
অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো আর গুলি করি নাই, ওটা নিয়ে কাউকে ভয়ও দেখাই নাই।’
তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে তারা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইশরাক হোসেনের দাবি, স্থানীয় মানুষের অভিযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের অভাবই তাকে সরাসরি মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে বাধ্য করেছে।