কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলার মূল লক্ষ্য সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ছিল না। নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধের জেরে সেখানে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চাওয়া কিংবা কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিকপক্ষের ব্যক্তিগত বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। সালমানের স্টুডিও ওই প্রপার্টিজের ভেতরে অবস্থিত হওয়ায় হামলার সময় সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ক্ষতিগ্রস্ত স্টুডিওর ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান।
ভিডিওতে চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আসবাব ও সরঞ্জাম ভাঙচুর অবস্থায় দেখা যায়। সালমান দাবি করেন, হামলায় তার স্টুডিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর আগে সালমান অভিযোগ করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়ার কারণে হামলা চালানো হয়েছে। সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব ভাঙচুরের পাশাপাশি কিছু মালামাল লুটের অভিযোগও তোলা হয়।
তবে পুলিশের দাবি, ঘটনার মূল কারণ চাঁদাবাজি নয়; জমিসংক্রান্ত বিরোধ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্ত করে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।