বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাবা-মায়ের পর জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য তারেক রহমান

একই পরিবার, তিন প্রজন্মের তিন নেতা। সময়ের ব্যবধান চার দশকেরও বেশি। কিন্তু মঞ্চ এক—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে যে মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সেই একই বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এবার সেই […]

বাবা-মায়ের পর জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০

একই পরিবার, তিন প্রজন্মের তিন নেতা। সময়ের ব্যবধান চার দশকেরও বেশি। কিন্তু মঞ্চ এক—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে যে মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সেই একই বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এবার সেই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মঞ্চে উঠতে যাচ্ছেন তাদের ছেলে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণ। এর মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তিনি জাতিসংঘের এই বৈশ্বিক মঞ্চে বক্তব্য দেবেন।

বাবার পর মা, এবার ছেলে

জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য, উন্নয়নশীল দেশগুলোর সংকট, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ছিল তার বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয়। নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতির ঘাটতির কথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি।

এর ১৩ বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার বক্তব্যে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা, ন্যায়সংগত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রমে পাঁচবার বক্তব্য দেন তিনি।

চার দশকেরও বেশি সময় পর আজ সেই মঞ্চেই প্রথমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বক্তব্য রাখতে যাচ্ছেন তারেক রহমান।

বদলেছে বাংলাদেশ, বদলেছে বৈশ্বিক বাস্তবতা

জিয়াউর রহমান যখন জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল ধনী ও দরিদ্র দেশের ব্যবধান, ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

খালেদা জিয়ার প্রথম ভাষণের সময় সামনে এসেছিল গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের অধিকার, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার প্রশ্ন।

২০২৬ সালে বৈশ্বিক বাস্তবতা আরও বিস্তৃত ও জটিল। যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, বাস্তুচ্যুতি, প্রযুক্তির বৈষম্য, টেকসই উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার এখন আন্তর্জাতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

এই প্রেক্ষাপটেই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরবেন তারেক রহমান।

ভাষণে থাকবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার কথা

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার কথা রয়েছে।

ফলে চার দশক আগে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়নকে ঘিরে যে বাংলাদেশের বক্তব্য বিশ্বমঞ্চে উচ্চারিত হয়েছিল, এবার তার পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে গণতান্ত্রিক রূপান্তর, জলবায়ু ন্যায়বিচার, রোহিঙ্গা সংকট, প্রযুক্তিগত অন্তর্ভুক্তি এবং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার মতো বিষয়ে।

জলবায়ু ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব

বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন কেবল পরিবেশগত সংকট নয়; এর সঙ্গে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি, পানি, উপকূলীয় জনপদ, বাস্তুচ্যুতি ও মানুষের জীবিকার প্রশ্ন সরাসরি জড়িত। ফলে জলবায়ু ন্যায়বিচার ও বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে।

একই সঙ্গে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে সামনে আসবে।

জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত, শরণার্থী ও মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার এবং বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানিয়েছে সরকার।

সাধারণ পরিষদের সভাপতিও বাংলাদেশি

এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

২০২৬ সালের ২ জুন তিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন। ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—“Restoring trust, managing transformation: a United Nations that delivers for all” বা আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন সামলে সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা।

জাতিসংঘে দীর্ঘ কূটনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খলিলুর রহমান ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের কূটনৈতিক পরিষেবায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘ ও UNCTAD-এ দীর্ঘ সময় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

ফলে এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ এবং একজন বাংলাদেশির সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন—দুটি ঘটনাই একই সময়ে ঘটছে।

চার দশকের পারিবারিক অধ্যায়ে নতুন সংযোজন

১৯৮০ সালে জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়াউর রহমান তুলে ধরেছিলেন বৈষম্য, দারিদ্র্য ও উন্নয়নশীল বিশ্বের সংকটের কথা। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া বলেছিলেন গণতন্ত্র, উন্নয়ন, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের অধিকার ও বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যার কথা।

আজ একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান এমন এক সময় বাংলাদেশের বক্তব্য তুলে ধরবেন, যখন বিশ্ব যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, বাস্তুচ্যুতি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

তার ভাষণে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার কীভাবে তুলে ধরা হয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কী বার্তা দেওয়া হয়—সেদিকেই থাকবে নজর।

কারণ আজকের ভাষণ শুধু একজন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ নয়; এটি জিয়া পরিবারের চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত জাতিসংঘ-যাত্রার নতুন অধ্যায়ও। ১৯৮০ সালে বাবা, ১৯৯৩ সালে মা—আর ২০২৬ সালে ছেলে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একই মঞ্চে যুক্ত হচ্ছে একটি পরিবারের তৃতীয় নাম—তারেক রহমান।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।