বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে উত্তর কোরিয়ার ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করছে রাশিয়া

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলার জন্য পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি মিসাইল ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। এই ইউনিটে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার থাকতে পারে। ইউক্রেনে উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স) তীব্র সংকট রয়েছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগাতেই রাশিয়া বেশি বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করছে, […]

ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে উত্তর কোরিয়ার ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করছে রাশিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৯

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলার জন্য পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি মিসাইল ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। এই ইউনিটে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার থাকতে পারে।

ইউক্রেনে উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স) তীব্র সংকট রয়েছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগাতেই রাশিয়া বেশি বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করছে, যা ধ্বংস করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।

২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। তবে, উত্তর কোরিয়ার মিসাইল বাহিনীর এই মোতায়েন মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার চলমান বিস্তৃত সামরিক সহযোগিতারই নতুন এক ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (মেইন ডিরেক্টরেট অব ইন্টেলিজেন্স) আন্দ্রি চেরনিয়াক জানিয়েছেন, প্রায় ৯০ জন উত্তর কোরীয় সেনাকে নিয়ে গঠিত এই মিসাইল ইউনিটটিকে রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে অবস্থিত ১১২তম মিসাইল ব্রিগেডের আওতায় মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

চেরনিয়াক জানান, পিয়ংইয়ং ইতোমধ্যে ৪০টি কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইলসহ একদল সেনাকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছে। তবে মিসাইল মোতায়েনের ধরন এবং মোট মিসাইলের সংখ্যা আগামী মাসে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। রাশিয়া আশা করছে, এই মোতায়েনে ১২০টি উত্তর কোরীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে রাশিয়ার মিসাইল কার্যক্রমে উত্তর কোরিয়ার সেনারা ঠিক কী ভূমিকা পালন করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গত আগস্টের পর গত সপ্তাহে রাশিয়া প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে দুটি উত্তর কোরীয় মিসাইল ছুঁড়েছে, যা চেরনিয়াকের মোতায়েন সম্পর্কিত তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ফিলাডেলফিয়াভিত্তিক থিংক ট্যাংক ফরেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো রব লি বলেন, উত্তর কোরিয়ার এই সহায়তা কিয়েভের জন্য বড় একটি হুমকি। তিনি বলেন, ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের অন্যতম দুর্বল দিক। তাই ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বাড়লে তাদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়বে।

তিনি আরও যোগ করেন যে, আগামী শীতে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিতে পারে, যখন রাশিয়া অতীতের মতো আবারও বিদ্যুৎ গ্রিডগুলোতে ভারি হামলা চালাতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্বাধীনভাবে চেরনিয়াকের দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। তিনি জানান, স্পর্শকাতরতার কারণে এই গোয়েন্দা তথ্যগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে উত্তর কোরিয়া মস্কোর অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালে দুই দেশ একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তার জন্য লাখ লাখ আর্টিলারি শেল সরবরাহ করেছে এবং ইউক্রেনের স্থল আক্রমণ প্রতিহত করতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ১৪,০০০ সেনা পাঠিয়েছে।

গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি উত্তর কোরীয় মিসাইল ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলের গ্রাম রাদুশ্নে একটি আবাসিক বাড়িতে আঘাত হানে। এতে একই পরিবারের অন্তত পাঁচজন নিহত হন।

চেরনিয়াক জানান, গত সপ্তাহের হামলায় ব্যবহৃত মিসাইলগুলো ২৫ আগস্টের পর থেকে রেকর্ড করা প্রথম উত্তর কোরীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা। এগুলো নতুন পাঠানো ৪০টি মিসাইলের অংশ বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

ইউক্রেনের সামরিক সূত্রের মতে, উত্তর কোরিয়ার কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইলগুলো রাশিয়ার সমতুল্য ইস্কান্দার মিসাইলের চেয়ে বেশি পাল্লা এবং বড় পেলোড বহন করতে পারলেও এগুলো অনেক কম নির্ভুল। আর এ কারণেই এসব মিসাইলের হামলায় বেসামরিক মৃত্যুর হার বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাশিয়া ২০২৩ সালের শেষের দিকে ইউক্রেনে কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইল ছোঁড়া শুরু করে। চেরনিয়াক জানান, ২০২৩ সালের শেষ থেকে আগস্ট ২০২৫ এর মধ্যে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে এমন ১৫০টি মিসাইল সরবরাহ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে প্রায় ৯,৫০০ উত্তর কোরীয় সেনা রয়েছে, তবে তারা বর্তমানে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে জড়িত নয়। গত মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, ক্রেমলিন আরও ৩০,০০০ উত্তর কোরীয় সেনা পাঠাতে পিয়ংইয়ংকে অনুরোধ করেছে এবং রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে তাদের গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৬