রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে উত্তর কোরিয়ার ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করছে রাশিয়া

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলার জন্য পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি মিসাইল ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। এই ইউনিটে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার থাকতে পারে। ইউক্রেনে উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স) তীব্র সংকট রয়েছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগাতেই রাশিয়া বেশি বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করছে, […]

ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে উত্তর কোরিয়ার ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল মোতায়েন করছে রাশিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৯

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলার জন্য পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি মিসাইল ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। এই ইউনিটে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার থাকতে পারে।

ইউক্রেনে উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স) তীব্র সংকট রয়েছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগাতেই রাশিয়া বেশি বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করছে, যা ধ্বংস করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।

২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। তবে, উত্তর কোরিয়ার মিসাইল বাহিনীর এই মোতায়েন মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার চলমান বিস্তৃত সামরিক সহযোগিতারই নতুন এক ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (মেইন ডিরেক্টরেট অব ইন্টেলিজেন্স) আন্দ্রি চেরনিয়াক জানিয়েছেন, প্রায় ৯০ জন উত্তর কোরীয় সেনাকে নিয়ে গঠিত এই মিসাইল ইউনিটটিকে রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে অবস্থিত ১১২তম মিসাইল ব্রিগেডের আওতায় মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

চেরনিয়াক জানান, পিয়ংইয়ং ইতোমধ্যে ৪০টি কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইলসহ একদল সেনাকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছে। তবে মিসাইল মোতায়েনের ধরন এবং মোট মিসাইলের সংখ্যা আগামী মাসে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। রাশিয়া আশা করছে, এই মোতায়েনে ১২০টি উত্তর কোরীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ছয়টি লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে রাশিয়ার মিসাইল কার্যক্রমে উত্তর কোরিয়ার সেনারা ঠিক কী ভূমিকা পালন করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গত আগস্টের পর গত সপ্তাহে রাশিয়া প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে দুটি উত্তর কোরীয় মিসাইল ছুঁড়েছে, যা চেরনিয়াকের মোতায়েন সম্পর্কিত তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ফিলাডেলফিয়াভিত্তিক থিংক ট্যাংক ফরেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো রব লি বলেন, উত্তর কোরিয়ার এই সহায়তা কিয়েভের জন্য বড় একটি হুমকি। তিনি বলেন, ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের অন্যতম দুর্বল দিক। তাই ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বাড়লে তাদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়বে।

তিনি আরও যোগ করেন যে, আগামী শীতে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিতে পারে, যখন রাশিয়া অতীতের মতো আবারও বিদ্যুৎ গ্রিডগুলোতে ভারি হামলা চালাতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্বাধীনভাবে চেরনিয়াকের দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। তিনি জানান, স্পর্শকাতরতার কারণে এই গোয়েন্দা তথ্যগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে উত্তর কোরিয়া মস্কোর অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালে দুই দেশ একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তার জন্য লাখ লাখ আর্টিলারি শেল সরবরাহ করেছে এবং ইউক্রেনের স্থল আক্রমণ প্রতিহত করতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ১৪,০০০ সেনা পাঠিয়েছে।

গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি উত্তর কোরীয় মিসাইল ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলের গ্রাম রাদুশ্নে একটি আবাসিক বাড়িতে আঘাত হানে। এতে একই পরিবারের অন্তত পাঁচজন নিহত হন।

চেরনিয়াক জানান, গত সপ্তাহের হামলায় ব্যবহৃত মিসাইলগুলো ২৫ আগস্টের পর থেকে রেকর্ড করা প্রথম উত্তর কোরীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা। এগুলো নতুন পাঠানো ৪০টি মিসাইলের অংশ বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

ইউক্রেনের সামরিক সূত্রের মতে, উত্তর কোরিয়ার কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইলগুলো রাশিয়ার সমতুল্য ইস্কান্দার মিসাইলের চেয়ে বেশি পাল্লা এবং বড় পেলোড বহন করতে পারলেও এগুলো অনেক কম নির্ভুল। আর এ কারণেই এসব মিসাইলের হামলায় বেসামরিক মৃত্যুর হার বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাশিয়া ২০২৩ সালের শেষের দিকে ইউক্রেনে কেএন-২৩ এবং কেএন-২৪ মিসাইল ছোঁড়া শুরু করে। চেরনিয়াক জানান, ২০২৩ সালের শেষ থেকে আগস্ট ২০২৫ এর মধ্যে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে এমন ১৫০টি মিসাইল সরবরাহ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে প্রায় ৯,৫০০ উত্তর কোরীয় সেনা রয়েছে, তবে তারা বর্তমানে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে জড়িত নয়। গত মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, ক্রেমলিন আরও ৩০,০০০ উত্তর কোরীয় সেনা পাঠাতে পিয়ংইয়ংকে অনুরোধ করেছে এবং রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে তাদের গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান […]

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।

তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা

এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।

ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫