রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

রাফি কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম […]

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ২২:২৫

রাফি কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার,

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এছাড়াও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভুতি প্রকাশ করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থী সাদিয়া জাফরিন বলেন, “নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মধ্য দিয়ে আমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। লাল মাটির এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসকে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণের আঙিনা হিসেবে দেখি।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা মানুষকে জানতে, সমাজকে বুঝতে এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিদায়ী শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে বিদায় জানাতে গিয়ে আজ আনন্দের পাশাপাশি এক ধরনের নস্টালজিয়াও কাজ করছে। ২০১৯ সালে অচেনা পরিবেশে শুরু হওয়া এই পথচলা আজ অসংখ্য স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ।

নৃবিজ্ঞানের শিক্ষা আমাদের শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, মানুষ, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে শিখিয়েছে। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও বিভাগের সবার প্রতি আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ। জুনিয়রদের প্রতি আহ্বান থাকবে—সততা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে।

ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগ আমাদের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে।”

এনথ্রোপলজি সোসাইটির সহসভাপতি তানজিনা সারোয়ার সেতু বলেন, “আজকের এই দিন একই সঙ্গে আমাদের জন্য আনন্দের এবং হারানোর। নবীনরা উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে।

একই সঙ্গে আজ একটি প্রবীণ ব্যাচ আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের সকল সিনিয়র ব্যাচ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছে। আমরা আশা করি, আপনারাও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “নৃবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সম্মান করা, মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমাজকে উপলব্ধি করা।

শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, “বিদায় সবসময়ই কিছুটা কষ্টের। তবে এটি জীবনের একটি স্বাভাবিক অধ্যায়। বিদায়ী ব্যাচের সঙ্গে আমাদের শিক্ষক ও জুনিয়রদের অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা সবসময় মনে থাকবে।

আমি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। তারা যেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

একই সঙ্গে আমি তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই বিভাগ সবসময় তাদের আপন ঠিকানা হয়ে থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা বিভাগের শিক্ষক ও পরিবারের মতো সবার সহযোগিতা পাবে।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।