সাজেদুল ইসলাম , ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবাড়ি-কুকাদাইর দুই গ্রামের শেষ প্রান্তে গোলাপ খাঁর বাড়ির পাশের রাস্তাটি একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এর ফলে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ দুই গ্রামের শতাধিক পরিবারের।
জানাজায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় যাতায়াতের জন্য সরু বাঁশে সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয় কিছু লোকজন। বর্তমানে সেই শুরু সাঁকোটি দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে আশেপাশের লোকজন। সাঁকোটি সরু হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বৃদ্ধ ও কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয় গোলাপ খাঁ, আনোয়ার হোসেন, বিদ্যুৎ হোসাইন ও শিউলি আক্তার বলেন- এলাকাবাসী যাতায়াতের সুবিধার জন্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমাদের এই রাস্তাটি করে দিয়েছিলেন। কত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে যায়। পরে আমরা নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছি। রাস্তাটি ভ্যান, অটো ও সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকায় আমরা মামলার পারাপার কতরে পারছিনা। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে বয়স্ক লোকজন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কমনা করছি।
এছাড়াও গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। চলাচলে চরম দুর্ভোগে ছিল সাধারণ মানুষজন। পরবর্তীতে বৃষ্টির পানি নেমে গেলেও এখনো উপজেলার গোবিন্দাসী, নিকরাইল, ফলদা ইউনিয়ন সহ বেশকিছু এলাকার রাস্তার কদমমাক্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও আবার নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সেখান দিয়ে চলাচল করছে সাধারণ পথচারীরা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ।
এবিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ তোরাব আলী বলেন- উপজেলাটি নদী বেষ্টিত এলাকা হওয়ায় এখানকার রাস্তা তৈরিতে বালি মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে রাস্তাগুলো একটু বৃষ্টিতে ভেঙে যায় এবং নিচু এলাকার রাস্তাগুলো পানিতে তলিয়ে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর সংস্কার কাজ শুরু করেছি। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর তালিকা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট তালিকা করে পাঠিয়েছি। অনুমোদন হয়ে আসলে রাস্তাগুলো পাকাকরণ করা হবে।