বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশের স্বার্থে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত আছি, প্রয়োজন কোনো আইন মানে না : কর্নেল অলি

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, দেশের স্বার্থে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। প্রয়োজন কোনো আইন মানে না। একাত্তরে যুদ্ধ করেছি কোনো সংবিধান দেখে নয়। পাকিস্তানিদের হত্যা করেছি কোনো সংবিধান দেখে নয়। দেশের জনগণের স্বার্থে আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেও আমরা প্রস্তুত। আমরা […]

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১০:৫৯

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, দেশের স্বার্থে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। প্রয়োজন কোনো আইন মানে না। একাত্তরে যুদ্ধ করেছি কোনো সংবিধান দেখে নয়।

পাকিস্তানিদের হত্যা করেছি কোনো সংবিধান দেখে নয়। দেশের জনগণের স্বার্থে আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেও আমরা প্রস্তুত। আমরা ১১ দলীয় জোট মার খেতে অভ্যস্ত।

রোববার রাতে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। “গণভোটের রায় জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশ” শীর্ষক সেমিনারটি ১১ দলীয় ঐক্য চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

এ সময় কর্নেল অলি আহমদ বলেন, দেশে আগে যেসব বিনিয়োগকারী ছিল তারা ফিরে যাচ্ছে। নতুন করে কোনো বৈদেশিক বিনিয়োগ আসছে না। বেকারত্ব বাড়ছে। প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় খুনের খবর পড়ছি। সার, তেলসহ দেশে সব ধরনের দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে। সরকারের পক্ষে এসব সামাল দেওয়া সম্ভব না। কারণ মানুষের আস্থা সরকারের ওপর নেই। তারা ৭০ শতাংশ মানুষের আস্থা হারিয়েছে গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে।

মুক্তিযুদ্ধের এই বীর বিক্রম প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশেপাশে যারা আছে তারা হলো ফুটপাতের খাবারের মতো। তারা কোনো পাঁচ তারকা মানের হোটেলের খাবার নয়। এজন্য তারা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সবসময় তৈলমর্দন করছে। যোগ্যতাসম্পন্ন লোক কখনও তৈলমর্দন করে না। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীকে বলব, সময় থাকতে দেশের জনগণের দাবি মেনে নিয়ে দেশকে শান্তি দেন।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ভুল পথে আছে। সুরা না জানা ইমামকে নামাজ পড়াতে দিলে যেমন অন্ধকারে মিম্বরের সামনে দিয়ে ইমাম পালিয়ে যায়, সেরকম অবস্থা যেন বিএনপির না হয়। আমি নিজে ১৯৭১ সাল থেকে জিয়া পরিবারের সাথে ছিলাম। তারেক রহমান কষ্ট পেলে আমিও কষ্ট পাই। তার পাশে যারা আছে তারা বন্ধু নয়, তারা দুষ্টচক্র। এই দালালচক্র ও দুষ্টচক্র থেকে বের হতে না পারলে তারা আপনার ক্ষতি করবে।

ভারতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারী একটা দড়ি ছেঁড়া গরু। ভারতকে বলবো এই দড়ি ছাড়া গরুকে সামলান। নয়তো সে অনেক খেত নষ্ট করবে। শুভেন্দু মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। তার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হতে হবে। আমরা ভারতকে বলব আপনার ঘরে আপনি শান্তিতে থাকেন, আমার ঘরে আমাকে শান্তিতে থাকতে দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে কর্নেল অলি আহমদ জানান, প্রত্যেক জিনিসের দাম বাড়ছে। সাধারণ কিছুর ভারও নিতে পারছে না সরকার। পাকিস্তানের মাধ্যমে একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধ শেষ হয়নি। আমাদের আরও বড় সংকটের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

সেমিনারে প্রধান আলোচক জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে সরকার আবারও দেশকে ফ্যাসিবাদী কাঠামোর দিকে ধাবিত করছে। তারা ক্ষমতার ভারসাম্য হতে দিতে চায় না।

ক্ষমতায় বসেই তারা ভোল পাল্টে ফেলেছে ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে। সরকার যদি এখনও সঠিক পথে ফিরে না আসে তাহলে দেশের পরিস্থিতি ভালো থাকবে না। জটিলতা তৈরি করে বিএনপি দেশকে সংকটে ফেলেছে।

তিনি বলেন, যেই অজুহাতে সরকার গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করছে সেই অজুহাতকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। ৩৩টি দলের মধ্যে একজন প্রস্তাব না মানলে তা বাস্তবায়ন হবে না—এটা কোনো নিয়ম নয়। জনগণ বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’কে ১২ ফেব্রুয়ারি ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।

সেমিনারে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, গণভোটের রায় না মানলে সরকারকে হাসিনার মতো হেলিকপ্টারে পালাতে হবে। টাঙ্কার, বাঙ্কার করে কোনো লাভ হবে না। সোজা পথে না হাঁটলে ১১ দলীয় জোট আঙুল বাঁকা করবে। কারণ বিএনপির ঐতিহাসিক খাসলতই বলে দেয় তাদের জন্য আঙুল বাঁকা করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমি আগে বলেছিলাম ঐক্যমত কমিশন সালাউদ্দিন কমিশনে পরিণত হয়েছে। এখন সংসদ সালাউদ্দিন সংসদে পরিণত হয়েছে। যাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রতারণা তারা এখন বলছে, আপনারা অন্তহীন প্রতারণার দলিল করেছেন। কিন্তু তারাই সংস্কার কমিশনের শপথ না নিয়ে সংসদকে অন্তহীন প্রতারণার কারখানায় পরিণত করেছে।

তারা সবচেয়ে বড় ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছে বিসিবিতে। বিএনপি হলো ব্যর্থ আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ হলো সফল বিএনপি। তারা যেটা দেখায় সেটা আওয়ামী লীগ করে দেখায়, কিন্তু নিজেরা পারে না। তাহলে কি তারা সফল আওয়ামী লীগ হতে চায়? যারা সফল বিএনপি সেই আওয়ামী লীগের পুরো দলের স্থান এখন ভারতে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের তিনটি অংশ থাকে। এগুলো হলো সরকার, সংসদ ও সুপ্রিম কোর্ট। তিনটির কোনটি কোনোটির চেয়ে বড় বা ছোট নয়।

এই তিনটির ওপরের ছাদ হচ্ছে সংবিধান। আর সংবিধানের ওপর থাকে জনগণ। কারণ সংবিধানে জনগণকে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী করা হয়েছে। কাজেই জনগণকে ক্ষিপ্ত করলে ছাদসহ পিলার ভেঙে পড়বে। এ সময় তিনি সরকারি দলের পড়াশোনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি দলকে অনেক বেশি পড়াশোনা করতে হবে। আমরা তাদের ব্রেনের আবিষ্কার দেখতে চাই।

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন—জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান, সংসদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলাম, মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সহ-সভাপতি আব্দুল মোতালেব, জাগপার চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি আবু জাফর মো. আনাস, নেজামে ইসলাম পার্টির মহানগরী সভাপতি আজিজুল হক, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আমির মুফতি মাহমুদুল হাসানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৮৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৭