সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

এবার আরব আমিরাত থেকে হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেব: ইরানের হুঁশিয়ারি

আমিরাতের মাটি থেকে ইরানের দ্বীপ, বন্দর বা উপকূল লক্ষ্য করে কোনো হামলা বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কঠোর পাল্টা জবাব দিতে দ্বিধা করবে না।

নিউজ ডেস্ক

০৯ মে ২০২৬, ০৬:০৭

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছানোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আমিরাতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযান চালানো হলে তার জবাব হবে “ধ্বংসাত্মক ও অনুতাপজনক”।

মঙ্গলবার ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। সামরিক মুখপাত্র বলেন, আমিরাতের মাটি থেকে ইরানের দ্বীপ, বন্দর বা উপকূল লক্ষ্য করে কোনো হামলা বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কঠোর পাল্টা জবাব দিতে দ্বিধা করবে না।

একইসঙ্গে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছিল ইরান আমিরাতের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানি সামরিক মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান এমন কোনো অভিযান পরিচালনা করেনি। তিনি দাবি করেন, যদি ইরান কোনো হামলা চালাতো তাহলে সেটি প্রকাশ্যেই ঘোষণা দেওয়া হতো। আমিরাতের অভিযোগকে “পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” বলেও আখ্যা দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, আমেরিকা ও জায়নিস্ট শক্তি ইসলামি বিশ্বের নিরাপত্তা ধ্বংস করছে এবং ইউএই তাদের সামরিক সরঞ্জাম ও বাহিনীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে।

ইরান আমিরাতের শাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় পুনর্বিবেচনা করা উচিত। তেহরান দাবি করেছে, বিদেশি শক্তির জন্য নিজেদের ভূখণ্ড উন্মুক্ত রাখা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

একইসঙ্গে আবুধাবির বিরুদ্ধে “মিডিয়া প্রোপাগান্ডা”, “মিথ্যা অভিযোগ” এবং নিজেদের ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। ইরানি সামরিক মুখপাত্র বলেন, এতদিন তেহরান সংযম দেখিয়েছে কৌশলগত কারণে এবং আমিরাতে বসবাসরত মুসলিম জনগণের স্বার্থ বিবেচনায়। তবে সেই সংযমেরও সীমা রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে। ইরান নতুন এক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যার আওতায় প্রণালী অতিক্রম করতে আগ্রহী সব জাহাজকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে অনুমতি নিতে হবে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীকে এখন কঠোর সামরিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে তেহরান।

ইরানের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর কড়া নজরদারি ও অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফুজাইরাহ বন্দরের তেল স্থাপনাগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাতেও ইরানের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে ইউএই। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ওই হামলার কোনো পরিকল্পনা ইরানি বাহিনীর ছিল না। বরং মার্কিন সেনাবাহিনীর “দুঃসাহসিক পদক্ষেপ” পরিস্থিতিকে জটিল করেছে বলে দাবি করা হয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও পৃথক বিবৃতিতে আমিরাতকে সতর্ক করে বলেছে, বৈরী পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগসাজশে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তেহরান জোর দিয়ে বলেছে, নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র দ্বিধা করবে না।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ইউএই, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত ও জর্ডানসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে শতাধিক পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০