রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কোরবানীর জন্য প্রস্তুত এক লাখ ৭২ হাজার গবাদি পশু মেহেরপুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারীরা

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের খামারীরা| সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত গরুর পরিচর্যায়| কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার ব্যবহার করছেন তারা| তবে ভারত থেকে গরু আমদানীর আশংকায় চিন্তিত খামারীরা| এদিকে ক্রেতাদেরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পশু ক্রয় ও কোরবানী করার পরামর্শ […]

কোরবানীর জন্য প্রস্তুত এক লাখ ৭২ হাজার গবাদি পশু মেহেরপুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারীরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৪:১৯

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের খামারীরা| সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত গরুর পরিচর্যায়| কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার ব্যবহার করছেন তারা| তবে ভারত থেকে গরু আমদানীর আশংকায় চিন্তিত খামারীরা| এদিকে ক্রেতাদেরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পশু ক্রয় ও কোরবানী করার পরামর্শ প্রাণী বিশেষজ্ঞদের|

মেহেরপুর জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগের হিসেব মতে, জেলায় কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ২৬ হাজার ৭৭৫ টি খামারে এক লাখ ৭২ হাজার গরু মহিষ ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে| জেলায় প্রয়োজন ৯০ হাজার পশু| জেলার প্রয়োজন মিটিয়ে বাইরের জেলায় রপ্তানী করা হবে| বছর জুড়ে গরুর দাম বেশি থাকায় কোরবানীর সময় কাঙ্খিত মুল্য পাবেন বলে আশা খামারীদের| 

ধানের বিচালী, কাঁচা ঘাস, খৈল, গমের ভুষি, ছোলা, ভাত, চালের কুঁড়া ইত্যাদি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছেন এসব খামারীরা| কতিপয় অসাধু খামারীর কারণে প্রকৃত খামারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে নজর রাখতে এবং অসাধু খামারীকে চিহ্নিতের দাবি জানিয়েছেন তারা| এছাড়াও খামারীদের দাবি, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কোন ক্রমেই যাতে বৈধ ও অবৈধ পথে ভারতীয় গরু আমদানী না করা হয়| তাহলে কাঙ্খিত মূল্য পাবেন না খামারীরা| এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত খামারী ও পশু পালনকারীরা গরু পালনে উৎসাহ হারাবে|

গাংনীর বালিয়াঘাট মা এগ্রো ফার্মের ¯^ত্ত্বাধিকারী হাজী আবু নাঈম জানান, তার খামারে ৬০ টি গরু মোটা তাজা করণ করা হচ্ছে| এর মধ্যে রয়েছে ৪০টি হরিয়ান ও ২০টি নেপালী জাতের গরু| সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাওয়াচ্ছেন তিনি| খরচও কম| অন্যান্যবার অনেক খামারী হরমণ জাতিয় ওষুধ ব্যবহার করে মোটাতাজা করণ করায় বেশ কয়েকটি গরু মারা যায়| আবার বিক্রি করতে না পারায় গরুগুলি ফেরত আনতে বাধ্য হয়েছেন| এজন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে গরু পালন করা হচ্ছে| তবে ভারত থেকে পশু আমদানী না করা হলে কাঙ্খিত মুল্য পাবেন বলেও আশাবাদ তিনি|

গাংনীর মালসাদহ গ্রামের গরুর খামারী ইনামুল হক জানান, তার খামারে ১৮টি নেপালী ও ১২টি হরিয়ান জাতের গরু আছে| ক্ষতিকারক ইঞ্জেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করলে ঝুঁকি থাকে| অনেক সময় গরু মারাও যায়| ফলে ঝুঁকি না নিয়ে দেশীয় পদ্ধতিতেই গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে| তবে শহর কেন্দ্রীক মানুষের মাঝে গরু মোটাতাজা করণে স্টরয়েড ও হরমন ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অপপ্রচারে চিন্তিত তারা| 

পারিবারিকভাবে গরু মোটা তাজাকরণ করছেন সহড়াবাড়িয়ার কালু| তিনি বাড়িতে ৫টি হরিয়ান জাতের গরু পালছেন| এবারও ঢাকায় নিবেন গরু| তিনি জানান, গরুর খাবার ও ওষুধসহ পালন খরচ প্রতি বছরই বাড়ছে| কিন্তু সে তুলনায় গরুর দাম বৃদ্ধি পায়নি| বাড়িতে ব্যাপারীরা আসছেন কিন্তু দাম বলছেন অনেক কম| ব্যাপারীরা যে দাম হাকছেন তাতে খরচের অর্ধেকটাও উঠবে না| তার পরও লাভের আশা করছেন তিনি| তবে ভারত থেকে পশু আমদানী না করার পরামর্শও দেন তিনি|

কুঞ্জনগরের গরুর বেপারী শফিউদ্দীন জানান, তিনি গতবার ২১০টি গরু ঢাকায় নিয়েছিলেন| এবার অন্তত ৩০০ গরু ঢাকার হাটে তুলবেন| ইতোমধ্যে গ্রামে গ্রামে ঘুরে গরু পছন্দ করছেন| সকল খামারী ও পারিবারিকভাবে পশু পালন করছেন করছেন প্রাকৃতিক উপায়ে ও দেশীয় খাবার দিয়ে| ফলে এবার কোন ঝুঁকি নেই খামারী ও ব্যবসায়িদের|

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার তোফাজ্জল হোসেন, ঈদকে সামনে রেখে কোন ক্রমেই যাতে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু না আসতে পারে সেই লক্ষ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে| এছাড়াও হাটে স্টরয়েড ও হরমন ব্যবহারে মোটাতাজাকরণ গরু না তুলতে পারে সেজন্য হাটগুলোতে মোবাইল কোর্টসহ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাদের একাধিক টিম থাকবে|

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।