বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে ঝুঁকিতে শ্রমিকের স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  দেশের উত্তরাঞ্চলের মঙ্গাপীড়িত মানুষের জনপদে এখন বইছে সমৃদ্ধির বাতাস। লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পাথর শিল্প আজ কেবল একটি স্থানীয় ব্যবসা নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির এক অপরিহার্য চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক জোয়ারের সমান্তরালে প্রকট হয়ে উঠছে পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব। ১৯৮৮ সালে ভারত, ভুটান […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০১ মে ২০২৬, ১৭:৩১

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

দেশের উত্তরাঞ্চলের মঙ্গাপীড়িত মানুষের জনপদে এখন বইছে সমৃদ্ধির বাতাস। লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পাথর শিল্প আজ কেবল একটি স্থানীয় ব্যবসা নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির এক অপরিহার্য চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক জোয়ারের সমান্তরালে প্রকট হয়ে উঠছে পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব।

১৯৮৮ সালে ভারত, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে ত্রিদেশীয় বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত করতে চালু হওয়া এই বন্দরটি বর্তমানে দেশের পাথর চাহিদার প্রায় ২৫% পূরণ করছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে প্রতি মাসে প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৫০০টি ট্রাকে করে ভারত, ভুটান ও নেপাল থেকে কয়লা, পাথর ও রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি হচ্ছে।

আমদানির পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ইলিশ মাছ ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ এই বন্দর দিয়ে রপ্তানি হচ্ছে। কাঁচা পাথর আমদানির পর তা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভেঙে ছোট টুকরো করে দেশজুড়ে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা কাঁচামালের চেয়ে ১০-১২ গুণ বেশি মুনাফা নিশ্চিত করছে। স্থানীয় জমির মালিকরা ইজারার মাধ্যমে কৃষি কাজের চেয়ে বর্তমানে প্রায় ১০ গুণ বেশি আয় করছেন।

বুড়িমারীতে বর্তমানে প্রায় ১,২০০টি পাথর ভাঙার মেশিন বা ক্রাশার মিল রয়েছে। এই শিল্পকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিকের বিশাল কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (প্রায় ৪০%) নারী শ্রমিক।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্যমতে, এখানে প্রতিদিন গড়ে ২০ লাখ টাকার শ্রমবাজার পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের নেপথ্যে রয়েছে বঞ্চনার গল্প। হাতীবান্ধার শ্রমিক বশির মিয়া জানান, “এলাকায় অন্য কাজ নেই বলে দিনে ৪০০-৬০০ টাকা মজুরিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছি।”

পাথর শিল্পকে কেন্দ্র করে বুড়িমারীতে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম হাজার হাজার ট্রাক চলাচলের কারণে পরিবহন ব্যবসা ও তেলের পাম্পগুলোর রমরমা ব্যবসা। প্রতিদিন ৩০ হাজার মানুষের আনাগোনায় হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ব্যাংকিং খাতে জোয়ার এসেছে। ঢাকার ব্যবসায়ী সারাফাত হোসেন বলেন, “সরকারি প্রণোদনা ছাড়াই আমরা এই শিল্পকে টিকিয়ে রেখেছি। সঠিক সহযোগিতা পেলে এটি দেশের অন্যতম বড় শিল্প অঞ্চল হতে পারে।”

উন্নয়নের এই চাকচিক্যের নিচে চাপা পড়ছে কৃষি ও জনস্বাস্থ্য। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন মিয়ার মতে, প্রায় ৪০ হেক্টর উর্বর কৃষিজমি এখন পাথর ভাঙার মেশিনের দখলে। পাথর ভাঙার মিহি ধুলো আর মেশিনের বিকট শব্দে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে পার্শ্ববর্তী এলাকা। শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা ফুসফুসের রোগ (সিলিকোসিস), শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। শ্রমিকরা রাস্তার ধারে খোলা আকাশের নিচে কোনো প্রকার মাস্ক বা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই কাজ করছেন।

স্থানীয়দের দাবি, এই শিল্পকে টেকসই করতে হলে অবিলম্বে অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শিল্পের উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একটি সমন্বিত টেকসই পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত উত্তরাঞ্চলকে দারিদ্রমুক্ত করতে বুড়িমারী স্থলবন্দর এক আশীর্বাদ। কিন্তু দূষণ রোধ এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা না গেলে এই সম্ভাবনা অচিরেই অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। সঠিক নীতিমালা ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে বুড়িমারী হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির “নতুন ইঞ্জিন”।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।