সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মির্জা আব্বাসের সম্পদের পরিমান ৫৩ কোটি ১৬ লাখ, ছেলের সাড়ে ৬৬ কোটি

রাজনীতির মাঠে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও সম্পদের পরিমাণে বাবাকে ছাড়িয়ে গেছেন তাঁর ছেলে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর তুলনায় তাঁর বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা বেশি। হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের নিজের […]

মির্জা আব্বাসের সম্পদের পরিমান ৫৩ কোটি ১৬ লাখ, ছেলের সাড়ে ৬৬ কোটি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৩২

রাজনীতির মাঠে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও সম্পদের পরিমাণে বাবাকে ছাড়িয়ে গেছেন তাঁর ছেলে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর তুলনায় তাঁর বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা বেশি।

হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের নিজের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে তাঁর ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের একক সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। পারিবারিক হিসাবে স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদ যোগ করলে মির্জা আব্বাস পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র ও হলফনামা দাখিল করেছেন।

নগদ অর্থ ও ব্যাংক জমা

হলফনামার তথ্যে দেখা যায়, মির্জা আব্বাসের হাতে নগদ রয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলার। তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের হাতে নগদ রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৪২ হাজার টাকা ও ৬৮ হাজার ৯৬০ মার্কিন ডলার।
ব্যাংক হিসাবে মির্জা আব্বাসের নামে জমা আছে ৭১ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৯ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৯ টাকা। পাশাপাশি মির্জা আব্বাসের নামে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৩২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে।

শেয়ার ও বিনিয়োগ

ব্যবসায়ী পরিচয়ে মির্জা আব্বাসের বড় বিনিয়োগ ব্যাংকিং খাতে। তাঁর নামে ঢাকা ব্যাংকের ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে। বিও অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামেও ঢাকা ব্যাংকের ৩১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে।

যানবাহন, অলংকার ও আগ্নেয়াস্ত্র

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মির্জা আব্বাসের দুটি গাড়ির মূল্য ২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অলংকার বাবদ নিজের নামে ৩০ লাখ এবং স্ত্রীর নামে ২২ লাখ টাকার স্বর্ণের তথ্য রয়েছে।
এ ছাড়া তাঁর নিজের নামে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র (মূল্য ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং স্ত্রীর নামে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র (মূল্য ২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা) রয়েছে। ঘরে থাকা আসবাবপত্রের মূল্য ২০ লাখ টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ২২ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।

জমি ও ফ্ল্যাট

মির্জা আব্বাস হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর কোনো কৃষিজমি নেই। তবে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকার অকৃষি জমি এবং যৌথ মালিকানায় ৯৪ লাখ ৮১ হাজার টাকার জমি রয়েছে। উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ৬ হাজার ১০৬ বর্গফুটের একটি ভবন, ৬টি ফ্ল্যাট, ২টি পার্কিং এবং একটি ভবনের ৮ হাজার ৩০ বর্গফুট ফ্লোর স্পেসের মালিক।

আয় ও আয়কর

হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ টাকা। এর বিপরীতে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬০২ টাকা।

স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদ

স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের মোট সম্পদ ৬৬ কোটি ৬৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৬ কোটি ৮১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
মেয়ে নাবিলা মির্জার মোট সম্পদ ৬ কোটি ৪২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৪৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

ঋণ ও মামলা

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যাংকে মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রীর নামে মোট প্রায় ২৫ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। তবে কোনো সরকারি পাওনা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক উল্লেখ করা এই নেতার বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৩২টির মতো মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৬

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৬