নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে আজ।
আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ বাংলাদেশে নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে চট্টগ্রামের রাউজানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন।
সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৯ অক্টোবর) তিনি মারা যান।
শনিবার কলকাতার রাজারহাট মেইন রোডের নিউটাউনে জগারডাঙ্গা মসজিদে (পূর্তি স্টারের পাশে) তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হরিদাসপুর স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন রোটন। এরপর চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতায় অবস্থান করছিলেন।
রোটনের মরদেহ তার আত্মীয় শাহানুর রহমানের কাছে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে। ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকার পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন রোটন।