সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়,এটি ছিল চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি বা মহড়া: বিরোধীদলীয় নেতা

২০২৪ সালের আন্দোলনকে চূড়ান্ত যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, এটি ছিল চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি বা মহড়া বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব […]

২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়,এটি ছিল চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি বা মহড়া: বিরোধীদলীয় নেতা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৬

২০২৪ সালের আন্দোলনকে চূড়ান্ত যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, এটি ছিল চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি বা মহড়া বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘২৪-এ যে মানুষগুলো জেগে উঠেছিল, তারা সবাই মারা যায়নি, তারা ঘুমিয়ে পড়েনি। তারা সজাগ দৃষ্টিতে সবকিছু প্রত্যক্ষ করছে। মূল যুদ্ধের আগে বাহিনী তৈরি হয়, তাদের কসরত করতে হয়, মহড়া দিতে হয়।

এরা যেন ২৪-কে ফাইনাল যুদ্ধ মনে না করে। এটা ছিল ফাইনাল যুদ্ধের রিহার্সেল। ২০২৪ সালের পর আশা করেছিলাম, দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া ফ্যাসিবাদের ‘পঙ্কিলতা, ময়লা ও আবর্জনা’ পরিষ্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি; বরং আবর্জনার পরিমাণ আরও বেড়েছে।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ একটি সংক্রামক ব্যাধির মতো। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় এটি ছড়িয়ে পড়ে।’ তার দাবি, ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী সরকার যে পথে হেঁটেছে, বর্তমান সরকারও সেই পথ অনুসরণ করছে।

এ পথ পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তার ভাষায়, এটি ফ্যাসিবাদীদের পথ, ‘আয়নাঘরের পথ’ এবং বিনা বিচারে মানুষ হত্যার পথ। বাংলাদেশের মানুষ কাউকে ওই পথে চলতে দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই জাদুঘর থেকে ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরিয়ে ফেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, আমি মনে করি, যারা সচেতন নাগরিক, তাদের প্রত্যেকেরই এই জাদুঘর পরিদর্শন করা উচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতির দুঃখের ঘটনাগুলো এখানে তুলে ধরা হয়েছিল। বিশেষ একটি দেশ ও রাষ্ট্রকে খুশি করার জন্য এর অনেক উপাদান এখান থেকে গায়েব করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৪৬-৪৭ সাল থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনেকের স্মৃতিও সেখানে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু এর অনেক কিছু এখন আর নেই। নির্যাতিত মানুষের স্মৃতিচিহ্ন ও ছবিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের লোকদের স্মৃতি রেখে বাকিগুলো গায়েব করে ফেলা হয়েছে। আপনারা সেই সময়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসেনের কথা জানেন, যাকে প্রায় ২০০ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

এরপর তার ওপর কী না অত্যাচার করা হয়েছে। আমাদের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার নাম নিয়ে আক্ষেপ করেছিলেন। তার একটি স্মৃতি ছিল, সেটিও গায়েব করে ফেলা হয়েছে। সীমান্তে ফেলানীকে অমানবিকভাবে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই স্মৃতিটিও গায়েব করে ফেলা হয়েছে।

ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় আসার পর প্রায় সবাই ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তোলে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের অনেকেই কোনো না কোনোভাবে ইতিহাস বিকৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও পাসপোর্টের শক্তি নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ প্রত্যাশিতভাবে এগোতে পারেনি। বিশ্বের কাছে দেশের মানুষের সম্মানের একটি মানদণ্ড হলো পাসপোর্টের শক্তি। বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান হতাশাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজধানী

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, […]

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৩

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং এর থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার একটি দায়িত্ব তাদের রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হবে।

লং মার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দেওয়া হয়েছিল এবং আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িবহর সড়কের একটি লাইন ব্যবহার করবে। অন্য লাইনগুলোতে লং মার্চের কোনো গাড়ি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি ঘিরে বেশ কিছু পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়েছে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ এমনিতেই অস্বস্তিতে রয়েছে। দাবি আদায়ের কর্মসূচির কারণে যেন নতুন করে মানুষের ভোগান্তি না হয় এবং কোনো অ্যাম্বুলেন্স যাতে আটকে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

গাড়িবহরের আকার প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি যাবে। সেটাও আমরা সংকুচিত করে প্রায় এক হাজার গাড়িতে নিয়ে এসেছি।”

লং মার্চের সূচি তুলে ধরে তিনি জানান, সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সেখানে উদ্বোধনী কর্মসূচি ও শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থাকবে। এরপর সিরিয়াল অনুযায়ী গাড়িগুলো চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে।

ঢাকা ছাড়ার পর প্রথম পথসভা হবে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে। সকাল ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে।

পরবর্তী গন্তব্য ফেনীর মহিপাল। সম্ভাব্য সময় দুপুর ৩টা। সেখানে এনসিপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর গাড়িবহর মিরসরাইয়ে পৌঁছাবে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করা হবে। রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে বড় ধরনের জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, লং মার্চের পথে সাধারণ মানুষের কথা শুনতে চান তারা। স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জেনে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্লেন ও হেলিকপ্টার ভাড়া করে লোকজন নিয়ে হল ভর্তি করে। অন্যদিকে তারা জনগণের প্রয়োজনেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

রাজধানী

উল্টো পথে এসে সার্জেন্টের সঙ্গে লেডি বাইকারের বাকবিতণ্ডা,লেডি বাইকার সুমাইয়া ও তার স্বামীর সশ্রম কারাদণ্ড

রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান। ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশে তারা উল্টো পথে মোটরসাইকেল নিয়ে আসছিলেন। দায়িত্বে […]

উল্টো পথে এসে সার্জেন্টের সঙ্গে লেডি বাইকারের বাকবিতণ্ডা,লেডি বাইকার সুমাইয়া ও তার স্বামীর সশ্রম কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৫১

রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান।

ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশে তারা উল্টো পথে মোটরসাইকেল নিয়ে আসছিলেন। দায়িত্বে থাকা এক ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের থামিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে গেলে তারা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে নারী আরোহীকে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। পরে সরকারি কাজে বাধা, অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ডিএমপি জানিয়েছে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।