রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত নেতাকর্মীদের দায়িত্ব পালনে ভারসাম্য রাখার নির্দেশনা এমপি সাইফুল আলমের

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন দলের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার, পেশা ও সাংগঠনিক দায়িত্বের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একটি দায়িত্বকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য দায়িত্ব অবহেলা করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই একজন মুমিনের কর্তব্য। শনিবার জামায়াতে […]

জামায়াত নেতাকর্মীদের দায়িত্ব পালনে ভারসাম্য রাখার নির্দেশনা এমপি সাইফুল আলমের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১১

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন দলের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার, পেশা ও সাংগঠনিক দায়িত্বের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একটি দায়িত্বকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য দায়িত্ব অবহেলা করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই একজন মুমিনের কর্তব্য।

শনিবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা আয়োজিত দুদিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, একজন দায়িত্বশীলের প্রথম কাজ হলো নিজের সময়, কর্মপরিকল্পনা ও কাজের অগ্রাধিকার সঠিকভাবে নির্ধারণ করা। ব্যক্তিগত ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রাপ্য অধিকারও যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবারকে সময় না দিয়ে শুধু সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকা যেমন ঠিক নয়, তেমনি পারিবারিক ব্যস্ততাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে সাংগঠনিক দায়িত্বে অবহেলাও গ্রহণযোগ্য নয়। সব ধরনের দায়িত্বের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় রেখেই এগিয়ে যেতে হবে।

পেশাগত দায়িত্বকেও আমানত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সময়ানুবর্তিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা করে সাংগঠনিক কাজ করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।

সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, কর্মবণ্টন, সময় ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও নিয়মিত পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, কোন কাজটি আগে করা প্রয়োজন, কোন দায়িত্ব অন্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব এবং কোন কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে—এসব বিষয়ে আগেই সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সব কাজ নিজে করার মানসিকতা পরিহার করে দায়িত্ব অর্পণ ও সঠিক কর্মবণ্টনের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। অন্যদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার সক্ষমতা একজন দায়িত্বশীলের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

পরিবারকে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির অন্যতম শক্তির জায়গা হিসেবে উল্লেখ করে সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ, তাদের প্রয়োজন বোঝা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুস্থ পারিবারিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। পরিবারে শান্তি ও শৃঙ্খলা থাকলে সমাজ ও সংগঠনের কাজেও আরও মনোযোগী ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

দায়িত্ব পালনে আত্মসমালোচনা ও নিয়মিত মূল্যায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিদিন বা সপ্তাহভিত্তিক নিজের কাজের হিসাব নেওয়া, সফলতা ও ঘাটতি চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, দায়িত্বশীলদের লক্ষ্য শুধু সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বাড়ানো নয়; উত্তম চরিত্র, দায়িত্বশীলতা, আমানতদারি ও মানুষের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে নিজেদের আদর্শ মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবনে আদর্শবান, পরিবারে দায়িত্বশীল, পেশাগত জীবনে সৎ ও দক্ষ এবং সাংগঠনিক কাজে সক্রিয়—এই গুণগুলোর মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে পারলেই একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে সফল হতে পারবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭