মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগ, দুই চিকিৎসককে শোকজ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো এবং হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের পর হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। শোকজের নির্দেশ পাওয়া দুই চিকিৎসক হলেন হাসপাতালের জুনিয়র […]

ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগ, দুই চিকিৎসককে শোকজ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৮

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো এবং হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের পর হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন।

শোকজের নির্দেশ পাওয়া দুই চিকিৎসক হলেন হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহেবিলিটেশন) ডা. অনিরুদ্ধ মন্ডল এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ও মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নাঈম খান।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আরিফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে বসেই রোগীদের বাইরের চেম্বারের ভিজিটিং কার্ড দেওয়া এবং বহিরাগত ব্যক্তিদের সরকারি হাসপাতালে সহায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে ওই দুই চিকিৎসককে শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম ইরাদত মানু, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম, পৌরসভার প্রশাসক মৌসুমী মাহবুবসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। সভা শেষে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের নতুন ভবনের পেছনে থাকা বাসাবাড়ি এবং হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ ও বারান্দা থেকে ফেলা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ঘুরে দেখেন তিনি। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাসপাতাল এলাকায় মশার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রমও পরিচালনা করেন।

হাসপাতাল পরিদর্শনের একপর্যায়ে দুই রোগী সংসদ সদস্যের কাছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তাঁদের মধ্যে এক নারী রোগীর অভিযোগ, হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার একজন চিকিৎসক তাঁকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চেম্বারের ভিজিটিং কার্ড দিয়ে সেখানে চিকিৎসা নিতে যেতে বলেন।

এ ছাড়া হাসপাতালের ১২২ নম্বর কক্ষে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে যাওয়া আরেক রোগীর হাতেও একটি ভিজিটিং কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁকে বলা হয়, হাসপাতালের সামনের একটি ক্লিনিকে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়।

অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ১২২ নম্বর কক্ষে যান সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। সেখানে তিনি এক নারীকে ঝাড়ু দিতে দেখেন। ওই নারীর পরিচয় এবং সরকারি হাসপাতালে কাজ করার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চান তিনি। জবাবে ওই নারী জানান, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক তাঁদের দুজনকে সেখানে কাজের জন্য নিয়োগ দিয়েছেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদের অন্য চিকিৎসক কিংবা বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর বিষয়ে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কোনোভাবেই বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো যাবে না। হাসপাতালের ভেতরে কোনো ধরনের দালালচক্রের কার্যক্রমও বরদাস্ত করা হবে না।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের শোকজের নোটিশ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই চিকিৎসকের কাছ থেকে শোকজের জবাব পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।