বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের আসন নিয়ে ফেসবুকে গুজব, সংবিধান কী বলছে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাসের আসনটি ‘শূন্য’ হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থানরত এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের সংসদীয় পদ বাতিল হয়ে গেছে বলে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে দাবি করা […]

মির্জা আব্বাসের আসন নিয়ে ফেসবুকে গুজব, সংবিধান কী বলছে?

মির্জা আব্বাসের আসন নিয়ে ফেসবুকে গুজব, সংবিধান কী বলছে?

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ১১:০২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাসের আসনটি ‘শূন্য’ হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থানরত এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের সংসদীয় পদ বাতিল হয়ে গেছে বলে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে দাবি করা হচ্ছে। তবে, দেশের সর্বোচ্চ আইন বা সংবিধান অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এই দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, মির্জা আব্বাস নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ করেননি কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে সংসদে অনুপস্থিত। ফলে সাংবিধানিক নিয়মে তার আসনটি শূন্য হয়ে গেছে। এমনকি কিছু পেজ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ‘ডিপফেক’ ভিডিও প্রচার করে এই আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অনেক ব্যবহারকারী না বুঝেই এই তথ্যের পক্ষে সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি অন্যান্য সংসদ সদস্যের সঙ্গে যথাযথ নিয়ম মেনে শপথ নিয়েছিলেন মির্জা আব্বাস।

বাংলাদেশ সংবিধানে সংসদ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া সংক্রান্ত ৬৭ (১) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ‘কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি (ক) তাহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পিকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন; (খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন।’

সংবিধানের এই ধারাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শপথ না নেওয়ার যে দাবিটি করা হচ্ছে তা শুরুতেই নাকচ হয়ে যায়, কারণ তিনি নির্বাচনের পরপরই স্পিকারের সামনে শপথ বাক্য পাঠ করেছেন এবং শপথপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।

অন্যদিকে, সংসদে অনুপস্থিত থাকার যে বিধানটি রয়েছে, সেটি মূলত একাদিক্রমে নব্বইটি ‘বৈঠক-দিবস’ অনুপস্থিত থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। সাধারণ দিন গণনার সঙ্গে নয়। অর্থাৎ সংসদ অধিবেশন যেদিন চলবে, শুধু সেই দিনগুলোই গণনা করা হবে। এছাড়া অসুস্থতাজনিত কারণে স্পিকারের অনুমতি বা যৌক্তিক কারণে এই সময়সীমা বিবেচনার স্পষ্ট আইনি সুযোগ সংবিধানে রয়েছে।

সুতরাং, ঢাকা-৮ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের পদটি শূন্য হওয়ার কোনো আইনি বা বাস্তবসম্মত কারণ তৈরি হয়নি। তার সংসদীয় আসনটি সম্পূর্ণ সচল ও বৈধ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যগুলো নিছকই অপপ্রচার ও গুজব।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।